বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) কৃষিক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় খামারি পর্যায়ের ছয়জন উদ্যোক্তাকে ‘প্রফেসর ড. আশরাফ আলী খান স্মৃতি পুরস্কার-২০২৪’ প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার (২৭ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে দুই দিনব্যাপী বাউরেস বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি কর্মশালার প্রথম দিনে এই পুরস্কার প্রদান করে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস)।
মৎস্য উৎপাদনে বিশেষ অবদানের জন্যে খুলনার প্রকৃতি বিশ্বাস, সমন্বিত কৃষিতে বিশেষ অবদানের জন্যে নেত্রকোনার মো. শফিকুল ইসলাম, মৌ চাষে বিশেষ অবদানের জন্যে পাবনা জেলার মো. শাজাহান আলী, বাণিজ্যিক কৃষি উৎপাদনে বিশেষ অবদানের জন্য বগুড়ার মোছা. সুরাইয়া ফারহানা রেশমা, জৈব কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে আধুনিক কৃষি খামারে বিশেষ অবদানের জন্যে জামালপুরের মো. রোকনুজ্জামান সুমন এবং কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে নীল চাষে বিশেষ অবদানের জন্যে রংপুরের রায় মনিকে বাউরেস থেকে ‘প্রফেসর ড. আশরাফ আলী খান স্মৃতি পুরষ্কার-২০২৪’ প্রদান করা হয়।
বাউরেসের পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহ্ফুজা বেগমের সভাপতিত্বে এবং সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. চয়ন গোস্বামীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলম। অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. দেবাশীষ সরকার এবং ফুড এন্ড এগ্রিকালচার অরগানাইজেশনের (ফাউ) বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. সী জাউসীন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এমদাদুল হক চৌধুরী বলেন, কর্মশালার মধ্য দিয়ে গবেষকদের অনুরোধ করতে চাই, আপনাদের চলমান গবেষণার জন্য বাউএক-এর তালিকাভুক্ত খামারিদের সাথে একাত্ম হয়ে কাজ করুন। পাশাপাশি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের কৃষি এলাকাগুলোকে নিজস্ব গবেষণার কাজে ব্যবহারের আহবান জানাচ্ছি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন হোক, এটাও আমাদের নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পরে। বিশ্বব্যাপী ইতোমধ্যেই চতুর্থ শিল্পবিপ্লব শুরু হয়ে গিয়েছে। আমাদের দেশকেও প্রতিযোগী মনোভাব নিয়ে বিশ্বের সাথে পাল্লা দিয়ে এই বিপ্লবে অংশ নিতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে স্মার্ট কৃষি বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিতে হবে।

























