০৮:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আইএমএফের চাপে টাকার বড় অবমূল্যায়ন চোখ রাঙাচ্ছে মুদ্রাস্ফীতি

⦿সক্রিয় সিন্ডিকেট, ১১৭ টাকার ডলার খোলা বাজারে ১২৫ টাকায়ও মিলছে না
⦿গত পাঁচ বছরে টাকার মান কমেছে ৩২ দশমিক ১ টাকা
⦿কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ ব্যবসায়ী ও আমদানিকারদের
⦿ডলারের দাম নির্ধারণে বাফেদা ও এবিবির ভূমিকা থাকছে না

 

 

চলতি অর্থবছর শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা ২০ দশমিক ১০ বিলিয়ন থেকে কমিয়ে ১৪ দশমিক ৭৬৯ বিলিয়ন ডলার করতে সম্মত হয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। আইএমএফ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর ফলে আইএমএফের ঋণের তৃতীয় কিস্তির অর্থ পেতে বাংলাদেশের আর কোনো বাধা থাকল না। ঋণের তৃতীয় কিস্তিতে ১ দশমিক ১৫২ বিলিয়ন ডলার পাবে বাংলাদেশ।

 

 

 

দেশের কেন্দ্রীয় বাংলাদেশ ব্যাংক মার্কিন ডলারের বিনিময় হার নির্ধারণে ‘ক্রলিং পেগ’ পদ্ধতি চালু করেছে। এই পদ্ধতি চালু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের বিপরীতে টাকার বড় ধরনের অবমূল্যায়ন করেছে। ক্রলিং পেগ পদ্ধতির আওতায় ডলারের মধ্যবর্তী একটি দাম নির্ধারণ করে ব্যাংকগুলোকে এই দরের আশপাশে স্বাধীনভাবে লেনদেন করতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মধ্যবর্তী এই দর নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৭ টাকা।

 

 

বাংলাদেশের জন্য ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণের শর্ত হিসেবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার নমনীয় করার পরামর্শ দিয়ে আসছিল। আইএমএফের চাওয়া, বাংলাদেশ ব্যাংক যেন বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করার পথে এগোয়।

 

 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে পরামর্শ করে আমদানি ও রপ্তানি থেকে শুরু করে সাধারণ গ্রাহকের কাছে কত দরে ডলার কেনাবেচা করা হবে, তা ঠিক করত বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি)। এখন থেকে ডলারের দাম নির্ধারণে বাফেদা বা এবিবির কার্যত কোনো ভূমিকা থাকবে না বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

 

 

হঠাৎ করেই ডলারের বিপরীতে টাকার ৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ অবমূল্যায়ন ঘটিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে মার্কিন মুদ্রাটির বিনিময় হার নির্ধারণে ‘ক্রলিং পেগ’ পদ্ধতি অনুসরণের ঘোষণা দেওয়া হয়।

 

দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে টানা ২২ মাস ধরে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ মার্চেও দেশে মূল্যস্ফীতির গড় হার ছিল ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ। অন্যদিকে ডলারের বিনিময় হারে অস্থিরতা চলছে আড়াই বছর ধরে। এ সময়ে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ৩০ শতাংশেরও বেশি।

 

আবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নির্ধারণ করে দেওয়া দরেও বাজারে ডলার মিলছিল না। এ পরিস্থিতিতে রেমিট্যান্সের বড় অংশ চলে যাচ্ছিল হুন্ডির বাজারে। আবার আমদানিকারকরা ঘোষিত দরের চেয়ে ১০-১৫ টাকা পর্যন্ত বেশি দিয়ে ডলার কিনতে বাধ্য হচ্ছিল।

সূত্র থেকে জানা যায়, ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি ডলারের দাম ছিল ৮৪ দশমিক ৯০ টাকা, ২০২১ সালের শুরুতে দশমিক ১০ কমে ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় নেমে আসে। ২০২২ সালে তা ৮৬ টাকা, ২০২৩ সালে এক লাফে ১০৫ টাকা, ২০২৪ সালের শুরুতে পাঁচ টাকা বাড়িয়ে ১১০ টাকা করা হয়। চার মাস পর গত ৮ মে ডলারে আবারও ধাক্কা লাগে। সাত টাকা বাড়িয়ে ১১৭ টাকা করা হয়। অর্থাৎ এখন পর্যন্ত চলতি বছর ১২ টাকা বেড়েছে ডলারের দামে। টাকার এমন অবমূল্যায়ন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, গত পাঁচ বছরে টাকার মান কমেছে ৩২ দশমিক ১ টাকা।

 

 

এদিকে ডলারের দাম বাড়ায় ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা ও আমাদানিকারকরা ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। তাদের কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ। ডলারের বাড়তি দামের বিষয়ে নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ডলারের দাম ১১০ থেকে ১১৭ টাকা হয়েছে এটা আমাদের জন্য ভালো সংবাদ। কিন্তু দেশের জন্য ভালো সংবাদ নয়। ডলারের দাম বাড়ার ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়বে এবং জনগণের ওপর চাপ বাড়বে। তারপর ডলারের দাম বাড়িয়ে লাভ কী? কারণ ডলার কিনতে গিয়ে যদি আমাকে আবার ১০-১৫ টাকা বেশি দিতে হয়, তাহলে ডলারের দাম বাড়িয়ে কোনো লাভ নেই। কোনো অবস্থাতেই ক্রয়-বিক্রয়ের মধ্যে এক টাকার বেশি পার্থক্য করা যাবে না।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান, ডলারের প্রকৃত বিনিময় হার পর্যালোচনা করেই আমরা মধ্যবর্তী দর ঠিক করে দিয়েছি। আশা করছি, এর চেয়ে বেশি দরে ডলার কিনতে হবে না। খুচরা বাজারেও (কার্ব মার্কেট) ডলারের দর এখন স্থিতিশীল। ব্যাংক খাতের সঙ্গে কার্ব মার্কেটের দরের ব্যবধান ১ টাকার বেশি হবে না।

 

 

খোলাবাজারে ১২৫ টাকার কমে মিলছে না ডলার : ডলারের নতুন দাম ১১৭ টাকা নির্ধারণের পরেও ১২৫ টাকার কমে খোলাবাজারে মিলছে না ডলার। এছাড়া ডলারের সঙ্গে অন্য মুদ্রায়ও এর প্রভাব পড়েছে কার্ব মার্কেটে (খোলাবাজার)। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন, বায়তুল মোকাররম গুলশান ও বনানীর এলাকায় খোলাবাজারে ডলার ব্যবসায়ী ও মানি এক্সচেঞ্জের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। এদিকে খোলাবাজারের পাশাপাশি ব্যাংকের এলসি খোলার দামও বেড়েছে।

 

এদিকে ডলার সংকট দেখা দিয়েছে মানি চেঞ্জারগুলোতে। হঠাৎ করে দাম বেড়ে যাওয়ায় মানি চেঞ্জারগুলো ডলার বিক্রি করছে না। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বলেন, আমাদের খুচরা ডলার পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ ঠিক আছে। এখন কে বিক্রি করবে কী করবে না এটা তার নিজস্ব বিষয়। যারা মানি এক্সচেঞ্জে ডলার পায়নি তারা ব্যাংকে গেলেই ডলার কিনতে পারবেন। ব্যাংকে এখন ৫০ মিলিয়ন বা ৫ কোটি ক্যাশ ডলার মজুত আছে। যার ডলার দরকার ব্যাংকে গেলেই পাবেন।

অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সহযোগীতার আহ্বান এডিসি তৌহিদুল ইসলামের

আইএমএফের চাপে টাকার বড় অবমূল্যায়ন চোখ রাঙাচ্ছে মুদ্রাস্ফীতি

আপডেট সময় : ০৭:৪০:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মে ২০২৪

⦿সক্রিয় সিন্ডিকেট, ১১৭ টাকার ডলার খোলা বাজারে ১২৫ টাকায়ও মিলছে না
⦿গত পাঁচ বছরে টাকার মান কমেছে ৩২ দশমিক ১ টাকা
⦿কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ ব্যবসায়ী ও আমদানিকারদের
⦿ডলারের দাম নির্ধারণে বাফেদা ও এবিবির ভূমিকা থাকছে না

 

 

চলতি অর্থবছর শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা ২০ দশমিক ১০ বিলিয়ন থেকে কমিয়ে ১৪ দশমিক ৭৬৯ বিলিয়ন ডলার করতে সম্মত হয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। আইএমএফ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর ফলে আইএমএফের ঋণের তৃতীয় কিস্তির অর্থ পেতে বাংলাদেশের আর কোনো বাধা থাকল না। ঋণের তৃতীয় কিস্তিতে ১ দশমিক ১৫২ বিলিয়ন ডলার পাবে বাংলাদেশ।

 

 

 

দেশের কেন্দ্রীয় বাংলাদেশ ব্যাংক মার্কিন ডলারের বিনিময় হার নির্ধারণে ‘ক্রলিং পেগ’ পদ্ধতি চালু করেছে। এই পদ্ধতি চালু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের বিপরীতে টাকার বড় ধরনের অবমূল্যায়ন করেছে। ক্রলিং পেগ পদ্ধতির আওতায় ডলারের মধ্যবর্তী একটি দাম নির্ধারণ করে ব্যাংকগুলোকে এই দরের আশপাশে স্বাধীনভাবে লেনদেন করতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মধ্যবর্তী এই দর নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৭ টাকা।

 

 

বাংলাদেশের জন্য ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণের শর্ত হিসেবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার নমনীয় করার পরামর্শ দিয়ে আসছিল। আইএমএফের চাওয়া, বাংলাদেশ ব্যাংক যেন বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করার পথে এগোয়।

 

 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে পরামর্শ করে আমদানি ও রপ্তানি থেকে শুরু করে সাধারণ গ্রাহকের কাছে কত দরে ডলার কেনাবেচা করা হবে, তা ঠিক করত বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি)। এখন থেকে ডলারের দাম নির্ধারণে বাফেদা বা এবিবির কার্যত কোনো ভূমিকা থাকবে না বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

 

 

হঠাৎ করেই ডলারের বিপরীতে টাকার ৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ অবমূল্যায়ন ঘটিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে মার্কিন মুদ্রাটির বিনিময় হার নির্ধারণে ‘ক্রলিং পেগ’ পদ্ধতি অনুসরণের ঘোষণা দেওয়া হয়।

 

দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে টানা ২২ মাস ধরে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ মার্চেও দেশে মূল্যস্ফীতির গড় হার ছিল ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ। অন্যদিকে ডলারের বিনিময় হারে অস্থিরতা চলছে আড়াই বছর ধরে। এ সময়ে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ৩০ শতাংশেরও বেশি।

 

আবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নির্ধারণ করে দেওয়া দরেও বাজারে ডলার মিলছিল না। এ পরিস্থিতিতে রেমিট্যান্সের বড় অংশ চলে যাচ্ছিল হুন্ডির বাজারে। আবার আমদানিকারকরা ঘোষিত দরের চেয়ে ১০-১৫ টাকা পর্যন্ত বেশি দিয়ে ডলার কিনতে বাধ্য হচ্ছিল।

সূত্র থেকে জানা যায়, ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি ডলারের দাম ছিল ৮৪ দশমিক ৯০ টাকা, ২০২১ সালের শুরুতে দশমিক ১০ কমে ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় নেমে আসে। ২০২২ সালে তা ৮৬ টাকা, ২০২৩ সালে এক লাফে ১০৫ টাকা, ২০২৪ সালের শুরুতে পাঁচ টাকা বাড়িয়ে ১১০ টাকা করা হয়। চার মাস পর গত ৮ মে ডলারে আবারও ধাক্কা লাগে। সাত টাকা বাড়িয়ে ১১৭ টাকা করা হয়। অর্থাৎ এখন পর্যন্ত চলতি বছর ১২ টাকা বেড়েছে ডলারের দামে। টাকার এমন অবমূল্যায়ন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, গত পাঁচ বছরে টাকার মান কমেছে ৩২ দশমিক ১ টাকা।

 

 

এদিকে ডলারের দাম বাড়ায় ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা ও আমাদানিকারকরা ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। তাদের কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ। ডলারের বাড়তি দামের বিষয়ে নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ডলারের দাম ১১০ থেকে ১১৭ টাকা হয়েছে এটা আমাদের জন্য ভালো সংবাদ। কিন্তু দেশের জন্য ভালো সংবাদ নয়। ডলারের দাম বাড়ার ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়বে এবং জনগণের ওপর চাপ বাড়বে। তারপর ডলারের দাম বাড়িয়ে লাভ কী? কারণ ডলার কিনতে গিয়ে যদি আমাকে আবার ১০-১৫ টাকা বেশি দিতে হয়, তাহলে ডলারের দাম বাড়িয়ে কোনো লাভ নেই। কোনো অবস্থাতেই ক্রয়-বিক্রয়ের মধ্যে এক টাকার বেশি পার্থক্য করা যাবে না।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান, ডলারের প্রকৃত বিনিময় হার পর্যালোচনা করেই আমরা মধ্যবর্তী দর ঠিক করে দিয়েছি। আশা করছি, এর চেয়ে বেশি দরে ডলার কিনতে হবে না। খুচরা বাজারেও (কার্ব মার্কেট) ডলারের দর এখন স্থিতিশীল। ব্যাংক খাতের সঙ্গে কার্ব মার্কেটের দরের ব্যবধান ১ টাকার বেশি হবে না।

 

 

খোলাবাজারে ১২৫ টাকার কমে মিলছে না ডলার : ডলারের নতুন দাম ১১৭ টাকা নির্ধারণের পরেও ১২৫ টাকার কমে খোলাবাজারে মিলছে না ডলার। এছাড়া ডলারের সঙ্গে অন্য মুদ্রায়ও এর প্রভাব পড়েছে কার্ব মার্কেটে (খোলাবাজার)। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন, বায়তুল মোকাররম গুলশান ও বনানীর এলাকায় খোলাবাজারে ডলার ব্যবসায়ী ও মানি এক্সচেঞ্জের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। এদিকে খোলাবাজারের পাশাপাশি ব্যাংকের এলসি খোলার দামও বেড়েছে।

 

এদিকে ডলার সংকট দেখা দিয়েছে মানি চেঞ্জারগুলোতে। হঠাৎ করে দাম বেড়ে যাওয়ায় মানি চেঞ্জারগুলো ডলার বিক্রি করছে না। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বলেন, আমাদের খুচরা ডলার পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ ঠিক আছে। এখন কে বিক্রি করবে কী করবে না এটা তার নিজস্ব বিষয়। যারা মানি এক্সচেঞ্জে ডলার পায়নি তারা ব্যাংকে গেলেই ডলার কিনতে পারবেন। ব্যাংকে এখন ৫০ মিলিয়ন বা ৫ কোটি ক্যাশ ডলার মজুত আছে। যার ডলার দরকার ব্যাংকে গেলেই পাবেন।