০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনে ব্যয় বেশি গাজীপুরে, সর্বনিম্ন ঝালকাঠি

  • মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছে ২ হাজার ৭৮০ জন
  • মনোনয়নপত্র দাখিলে করেছেন ৩১ জন
  • নির্বাচনে সরকারি অফিস প্রার্থীদের কাজে ব্যবহার রোধে সতর্ক ইসি

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল গত ১১ ডিসেম্বর ঘোষণার পর থেকে এখন পর্যন্ত দুই হাজার ৭৮০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র নিয়েছেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল রোববার এনআইডি অনুবিভাগের মহাপরিচালক ও কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক এ এস এম হুমায়ুন কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ইসির ১০টি প্রশাসনিক অঞ্চলে এখন পর্যন্ত দুই হাজার ৭৮০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন। এর বিপরীতে মনোনয়নপত্র দাখিলে করেছেন ৩১ জন।
রংপুর আঞ্চলে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন ২৮৩ জন আর জমা দিয়েছেন ৩ জন। রাজশাহী অঞ্চলে গ্রহণ করেছেন ২৬৯ জন আর জমা কেউ দেয়নি। খুলনা অঞ্চলে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করছেন ৩০২ জন আর জমা দিয়েছেন ১ জন। বরিশাল অঞ্চলে গ্রহণ করেছেন ১৬১ জন, জমা ৭ জনের। ফরিদপুর অঞ্চলে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ১৪১ জন আর জমা ৮ জনের। ঢাকা অঞ্চলে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ৫০৯ জন আর জমা দিয়েছেন ২ জন। এছাড়া ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে যথাক্রমে ৩৩৯, ৪০৫, ১২৭ ও ২৪০ জন মনোনয়নপত্র গ্রহণ করছেন আর জমা দিয়েছেন ৭,০,১ ও ২ জন।
আজ সোমবার মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও জমা দেওয়ার শেষ সময় বিকাল ৫ টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ করা হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসি প্রার্থীদের ভোটার প্রতি ব্যয় ১০ নির্ধারণ করায় গাজীপুর-২ সংসদীয় আসনের প্রার্থী সর্বোচ্চ ৮০ লাখ টাকার বেশি ব্যয় করতে পারবেন অন্যদিকে ভোটার কম হলেও ঝালকাঠি-১ আসনে সর্বনিম্ন ব্যয় ২৫ লাখ টাকা করা যাবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বাচনি ব্যয় ২৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে কমিশন। আবার অন্যদিকে ভোটার প্রতি ১০ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করেছে। গাজীপুর-২ আসনের ভোটার সংখ্যা ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন যা ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে সর্বোচ্চ। এজন্য এ আসনে প্রার্থীরা সর্বোচ্চ ব্যয় করতে পারবেন। ৮০ লাখ ৪৩ হাজার ৩৩০ টাকা, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ঢাকা-১৯ আসনে ৭ লাখ ৪৭ হাজার ৭০ জন ভোটার যা ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এজন্য এ আসনে প্রার্থীরা সর্বোচ্চ ব্যয় করতে পারবেন ৭৪ লাখ ৭০ হাজার ৭০০ টাকা। তবে ঝালকাঠি-১ আসনে ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন ভোটার আছে যা সর্বনিম্ন। এখানে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ব্যয় করতে পারবে ২৫ লাখ টাকা। বিগত নির্বাচনগুলোতে ভোটার প্রতি ব্যয় ১০ টাকা হলেও ২৫ লাখ টাকার বেশি কেউ ব্যয় করতে পারত না। এবার সে নিয়ম আর রাখা হয়নি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা কিংবা ভোটার প্রতি ১০ টাকা ব্যয় ধরে যেটি বেশি হবে, সে টাকা তারা ব্যয় করতে পারবেন। নির্বাচনে প্রার্থীদের নির্বাচনি ব্যয়ের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, প্রার্থী ভোটার প্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা ব্যয় করতে পারবেন অথবা সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকার মধ্যে যেটা সবচেয়ে বেশি হবে, সেটা ব্যয় করতে পারবেন প্রার্থী। ভোটার প্রতি ১০ টাকা ব্যয়ের বিষয়টি নিয়ে কথা হয় নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদের সঙ্গে। তিনি ব্যাখ্যা করে জানান, কোনো আসনের ভোটার আড়াই লাখের ভোটারের নিচে থাকলে সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থী কমপক্ষে ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারবেন। আর তার বেশি ভোটারের নির্বাচনী এলাকার প্রার্থী ১০ টাকা হারে ভোটার সংখ্যার সমান সর্বোচ্চ ব্যয় করতে পারবেন। আরপিও-র অনুচ্ছেদ-৪৪ অনুয়ায়ী প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয় ভোটার প্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও অনুচ্ছেদ ১৩-এ প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে ৫০ হাজার টাকা জামানত, যা আগে ২০ হাজার টাকা ছিল। ইসির তৈরি আসন ভিত্তিক ভোটার তালিকা থেকে জানা যায়, ২-৩ লাখ ভোটার রয়েছে- এমন নির্বাচনি এলাকা ২০টি। ৩ লাখ ১ থেকে-৪ লাখ ভোটার রয়েছে- এমন নির্বাচনি আসন রয়েছে ১০৩টি। ৪ লাখ ১ থেকে-৫ লাখ ভোটার রয়েছে- এমন আসন ১১৪টি। ৫ লাখ ১ থেকে ৬ লাখ ভোটার রয়েছে- ৫২টি আসনে। ৬ লাখ ১ থেকে ৭ লাখ ভোটার রয়েছে- ৭টি আসনে। ৭ লাখ ১ থেকে ৮ লাখ ভোটার রয়েছে-তিনটি আসন ঢাকা-১৯, গাজীপুর-১ ও নোয়াখালী-৪। ৮ লাখের বেশি ভোটার রয়েছে-একটি আসন গাজীপুর-২। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন প্রার্থী একটি নির্বাচনি আসনে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারতেন। একজন প্রার্থী প্রতিটি ভোটার-এর জন্য সর্বোচ্চ ১০ টাকা ব্যয় করতে পারতেন। এই দুটি সীমার মধ্যে যেটি কম হবে, সেটিই একজন প্রার্থীর জন্য চূড়ান্ত নির্বাচনি ব্যয়ের সীমা হিসেবে প্রযোজ্য ছিল। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো একই হারে ব্যয়সীমা নির্ধারণ ছিল। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (২০০৮) একটি সংসদীয় আসনে একজন প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা ছিল ১০ লাখ টাকা। এই ব্যয়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল সংসদীয় আসনের ভোটার সংখ্যার ভিত্তিতে যেমন ২ লাখ বা তার বেশি ভোটার বিশিষ্ট আসনে: সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা ছিল ১০ লাখ টাকা আর ১ লাখ থেকে ২ লাখ পর্যন্ত ভোটার বিশিষ্ট আসনে সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা ছিল সাত লাখ টাকা।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিপিএলে শেষের নাটকীয়তার পর ৫ রানে জিতল রাজশাহী

নির্বাচনে ব্যয় বেশি গাজীপুরে, সর্বনিম্ন ঝালকাঠি

আপডেট সময় : ০৭:১৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছে ২ হাজার ৭৮০ জন
  • মনোনয়নপত্র দাখিলে করেছেন ৩১ জন
  • নির্বাচনে সরকারি অফিস প্রার্থীদের কাজে ব্যবহার রোধে সতর্ক ইসি

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল গত ১১ ডিসেম্বর ঘোষণার পর থেকে এখন পর্যন্ত দুই হাজার ৭৮০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র নিয়েছেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল রোববার এনআইডি অনুবিভাগের মহাপরিচালক ও কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক এ এস এম হুমায়ুন কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ইসির ১০টি প্রশাসনিক অঞ্চলে এখন পর্যন্ত দুই হাজার ৭৮০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন। এর বিপরীতে মনোনয়নপত্র দাখিলে করেছেন ৩১ জন।
রংপুর আঞ্চলে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন ২৮৩ জন আর জমা দিয়েছেন ৩ জন। রাজশাহী অঞ্চলে গ্রহণ করেছেন ২৬৯ জন আর জমা কেউ দেয়নি। খুলনা অঞ্চলে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করছেন ৩০২ জন আর জমা দিয়েছেন ১ জন। বরিশাল অঞ্চলে গ্রহণ করেছেন ১৬১ জন, জমা ৭ জনের। ফরিদপুর অঞ্চলে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ১৪১ জন আর জমা ৮ জনের। ঢাকা অঞ্চলে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ৫০৯ জন আর জমা দিয়েছেন ২ জন। এছাড়া ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে যথাক্রমে ৩৩৯, ৪০৫, ১২৭ ও ২৪০ জন মনোনয়নপত্র গ্রহণ করছেন আর জমা দিয়েছেন ৭,০,১ ও ২ জন।
আজ সোমবার মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও জমা দেওয়ার শেষ সময় বিকাল ৫ টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ করা হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসি প্রার্থীদের ভোটার প্রতি ব্যয় ১০ নির্ধারণ করায় গাজীপুর-২ সংসদীয় আসনের প্রার্থী সর্বোচ্চ ৮০ লাখ টাকার বেশি ব্যয় করতে পারবেন অন্যদিকে ভোটার কম হলেও ঝালকাঠি-১ আসনে সর্বনিম্ন ব্যয় ২৫ লাখ টাকা করা যাবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বাচনি ব্যয় ২৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে কমিশন। আবার অন্যদিকে ভোটার প্রতি ১০ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করেছে। গাজীপুর-২ আসনের ভোটার সংখ্যা ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন যা ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে সর্বোচ্চ। এজন্য এ আসনে প্রার্থীরা সর্বোচ্চ ব্যয় করতে পারবেন। ৮০ লাখ ৪৩ হাজার ৩৩০ টাকা, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ঢাকা-১৯ আসনে ৭ লাখ ৪৭ হাজার ৭০ জন ভোটার যা ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এজন্য এ আসনে প্রার্থীরা সর্বোচ্চ ব্যয় করতে পারবেন ৭৪ লাখ ৭০ হাজার ৭০০ টাকা। তবে ঝালকাঠি-১ আসনে ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন ভোটার আছে যা সর্বনিম্ন। এখানে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ব্যয় করতে পারবে ২৫ লাখ টাকা। বিগত নির্বাচনগুলোতে ভোটার প্রতি ব্যয় ১০ টাকা হলেও ২৫ লাখ টাকার বেশি কেউ ব্যয় করতে পারত না। এবার সে নিয়ম আর রাখা হয়নি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা কিংবা ভোটার প্রতি ১০ টাকা ব্যয় ধরে যেটি বেশি হবে, সে টাকা তারা ব্যয় করতে পারবেন। নির্বাচনে প্রার্থীদের নির্বাচনি ব্যয়ের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, প্রার্থী ভোটার প্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা ব্যয় করতে পারবেন অথবা সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকার মধ্যে যেটা সবচেয়ে বেশি হবে, সেটা ব্যয় করতে পারবেন প্রার্থী। ভোটার প্রতি ১০ টাকা ব্যয়ের বিষয়টি নিয়ে কথা হয় নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদের সঙ্গে। তিনি ব্যাখ্যা করে জানান, কোনো আসনের ভোটার আড়াই লাখের ভোটারের নিচে থাকলে সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থী কমপক্ষে ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারবেন। আর তার বেশি ভোটারের নির্বাচনী এলাকার প্রার্থী ১০ টাকা হারে ভোটার সংখ্যার সমান সর্বোচ্চ ব্যয় করতে পারবেন। আরপিও-র অনুচ্ছেদ-৪৪ অনুয়ায়ী প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয় ভোটার প্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও অনুচ্ছেদ ১৩-এ প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে ৫০ হাজার টাকা জামানত, যা আগে ২০ হাজার টাকা ছিল। ইসির তৈরি আসন ভিত্তিক ভোটার তালিকা থেকে জানা যায়, ২-৩ লাখ ভোটার রয়েছে- এমন নির্বাচনি এলাকা ২০টি। ৩ লাখ ১ থেকে-৪ লাখ ভোটার রয়েছে- এমন নির্বাচনি আসন রয়েছে ১০৩টি। ৪ লাখ ১ থেকে-৫ লাখ ভোটার রয়েছে- এমন আসন ১১৪টি। ৫ লাখ ১ থেকে ৬ লাখ ভোটার রয়েছে- ৫২টি আসনে। ৬ লাখ ১ থেকে ৭ লাখ ভোটার রয়েছে- ৭টি আসনে। ৭ লাখ ১ থেকে ৮ লাখ ভোটার রয়েছে-তিনটি আসন ঢাকা-১৯, গাজীপুর-১ ও নোয়াখালী-৪। ৮ লাখের বেশি ভোটার রয়েছে-একটি আসন গাজীপুর-২। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন প্রার্থী একটি নির্বাচনি আসনে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারতেন। একজন প্রার্থী প্রতিটি ভোটার-এর জন্য সর্বোচ্চ ১০ টাকা ব্যয় করতে পারতেন। এই দুটি সীমার মধ্যে যেটি কম হবে, সেটিই একজন প্রার্থীর জন্য চূড়ান্ত নির্বাচনি ব্যয়ের সীমা হিসেবে প্রযোজ্য ছিল। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো একই হারে ব্যয়সীমা নির্ধারণ ছিল। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (২০০৮) একটি সংসদীয় আসনে একজন প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা ছিল ১০ লাখ টাকা। এই ব্যয়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল সংসদীয় আসনের ভোটার সংখ্যার ভিত্তিতে যেমন ২ লাখ বা তার বেশি ভোটার বিশিষ্ট আসনে: সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা ছিল ১০ লাখ টাকা আর ১ লাখ থেকে ২ লাখ পর্যন্ত ভোটার বিশিষ্ট আসনে সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা ছিল সাত লাখ টাকা।