০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

টাকা দিলে বাটিতে মাটি কাটবে

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন কর্মসূচি আওতায় (ইজিপিপি) প্রকল্পে শ্রমিকদের কাছে থেকে চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

 

 

 

জানা যায়, উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের সদস্য একরামুল হক ও সংনক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য নাছিমা বেগম প্রতিজন শ্রমিকের কাছে থেকে ২ হাজার টাকা করে উৎকোচ দাবি করছে। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ইউপি সদস্য একরামুল ও নাছিমা তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও কর্মসৃজন প্রকল্প থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন এমন অভিযোগ শ্রমিকদের।

 

 

 

প্রকল্পের কাজে নিয়োজিত নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন নারী শ্রমিক বলেন, বিল দিবে এজন্য আবারও ২ হাজার টাকা চাচ্ছে ইউপি সদস্য একরামুল। আরেক নারী শ্রমিক বলেন, টাকা না দিলে আমাদের নাম কেটে দেওয়ার হুমকি দেয় মহিলা মেম্বার নাছিমা বেগম। টাকা না দিলে কাজ করলেও অনুপস্থিত দেখানো হবে। যারা টাকা দিবে তারা বাটিতে মাটি কাটবে। আর যারা টাকা দিবে না, তাদের পেটে পা তুলে দিয়ে কাজ করাও।

 

 

 

ইউপি সদস্য একরামুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,আমি কোন টাকা নেই নাই, কাজের জন্য চাপ দিয়েছি বলেই আমার উপর মিথ্যা অভিযোগ করছে। সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নাছিমা বেগম বলেন, এগুলো মাঝে মধ্যে মশকরা করে বলি। যারা এসব বলেছে মিথ্যা বলেছে।

 

 

বড়বিল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহীদ চৌধুরী দ্বীপ বলেন, যারা অসহায় দরিদ্র মানুষের কাছে এভাবে টাকা নেয়। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় কতটুকু প্রস্তুত পবিপ্রবি?

টাকা দিলে বাটিতে মাটি কাটবে

আপডেট সময় : ০৬:২৬:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মে ২০২৪

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন কর্মসূচি আওতায় (ইজিপিপি) প্রকল্পে শ্রমিকদের কাছে থেকে চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

 

 

 

জানা যায়, উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের সদস্য একরামুল হক ও সংনক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য নাছিমা বেগম প্রতিজন শ্রমিকের কাছে থেকে ২ হাজার টাকা করে উৎকোচ দাবি করছে। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ইউপি সদস্য একরামুল ও নাছিমা তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও কর্মসৃজন প্রকল্প থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন এমন অভিযোগ শ্রমিকদের।

 

 

 

প্রকল্পের কাজে নিয়োজিত নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন নারী শ্রমিক বলেন, বিল দিবে এজন্য আবারও ২ হাজার টাকা চাচ্ছে ইউপি সদস্য একরামুল। আরেক নারী শ্রমিক বলেন, টাকা না দিলে আমাদের নাম কেটে দেওয়ার হুমকি দেয় মহিলা মেম্বার নাছিমা বেগম। টাকা না দিলে কাজ করলেও অনুপস্থিত দেখানো হবে। যারা টাকা দিবে তারা বাটিতে মাটি কাটবে। আর যারা টাকা দিবে না, তাদের পেটে পা তুলে দিয়ে কাজ করাও।

 

 

 

ইউপি সদস্য একরামুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,আমি কোন টাকা নেই নাই, কাজের জন্য চাপ দিয়েছি বলেই আমার উপর মিথ্যা অভিযোগ করছে। সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নাছিমা বেগম বলেন, এগুলো মাঝে মধ্যে মশকরা করে বলি। যারা এসব বলেছে মিথ্যা বলেছে।

 

 

বড়বিল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহীদ চৌধুরী দ্বীপ বলেন, যারা অসহায় দরিদ্র মানুষের কাছে এভাবে টাকা নেয়। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।