০৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইউজিসির সাথে বশেমুরবিপ্রবি’র বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতে স্বাক্ষর

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)-এর সাথে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের জন্য বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে শতভাগ কাজের লক্ষমাত্রা দেওয়া হয়। যেটির উপর ভিত্তি করে প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাকিং করা হয়।
আজ রবিবার দুপুর ১২:৩০ টায় ইউজিসি ভবনের অডিটোরিয়াম কক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ইউজিসির পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সচিব ড. ফেরদৌস জামান এবং বশেমুরবিপ্রবি’র পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন রেজিস্ট্রার মো. দলিলুর রহমান। ইউজিসির সভাপতি (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও সদস্য অধ্যাপক ড.  মুহাম্মদ আলমগীর, ইউজিসির সকল সদস্য এবং বশেমুরবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কিউ. এম. মাহবুবের উপস্থিতিতে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
এই কর্মসম্পাদন চুক্তির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে বার্ষিক কর্মসম্পাদন বাস্তবায়নে প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রগতির অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। এবং বিশ্ববিদ্যালয়টিকে চলতি (২০২৪-২৫) অর্থবছরে শতভাগ কাজের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করে দেওয়া হয়।
ইউজিসির সভাপতি (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও সদস্য অধ্যাপক ড.  মুহাম্মদ আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী জনাব মহিবুল হাসান চৌধুরী (এম.পি)
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইউজিসির সচিব ড. ফেরদৌস জামান। এপিএ বাস্তবায়নে ধারাবাহিক সফলতার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. গিয়াসউদ্দীন মিয়া। উপাচার্যদের পক্ষে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার। বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরের এই অনুষ্ঠানে সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রার ও এপিএ ফোকাল পয়েন্টগণ উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তির বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হয় উপপরিচালক, জনসংযোগ দপ্তর মাহবুবের সাথে। তিনি বলেন, প্রতিবছর ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আগামী অর্থবছরের কাজের বিবরনী দিয়ে দেয়। এ বিবরণী অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কাজ করে থাকে। এর মধ্যে ৩০ভাগ কাজ ইউজিসি থেকে বাধ্যতামূলকভাবে দেওয়া হয়। যার আওতাভুক্ত থাকে বিভিন্ন ধরনের সেমিনার, শুদ্ধাচার প্রশিক্ষন, অভিযোগ প্রতিকার সভা, তথ্য অধিকার প্রাপ্তি সহ আনুষাঙ্গিক কিছু কার্যাদি। আর বাকি ৭০ শতাংশ কাজ থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে শুরু করে শিক্ষার মান বৃদ্ধি, নিয়োগ, এবং অন্যান্য কাজগুলো। মাহবুব বলেন, এ বছর ইউজিসি সাথে আমরা কর্ম সম্পাদন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছি। আশা করছি শতভাগ কাজের মধ্যে আমরা তুলনামূলক ৮০শতাংশের অধিক কাজ সম্পাদন করতে পারবো।
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. দলিলুর রহমান বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও আমরা ইউজিসির সাথে বার্ষিক কর্ম-সম্পাদন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছি। এ চুক্তির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ থেকে শুরু করে সকল প্রকার নির্মাণাধীন কাজ সংযুক্ত থাকে। তিনি বলেন, ইউজিসি আমাদেরকে নির্দিষ্ট কিছু কাজ দিয়েছে এবং আমরা কিছু কাজ সম্পাদনে উদ্যোগ নিয়েছি। এবং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছি। আশা করি ২০২৪-২৫ অর্তবছরের মধ্যে আমরা চুক্তির আওতাভুক্ত কাজগুলো সম্পাদন করতে পারবো। চুক্তিতে তৃতীয় ফেইজের কাজগুলো সংযুক্ত হয়েছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে রেজিস্ট্রার মো. দলিলুর রহমান বলেন, কাজগুলো সরাসরিভাবে সংযুক্ত না। তবে আমরা যে লক্ষমাত্রা নির্ধারন করেছি, সেটির সাথে এই কাজগুলো থাকতে পারে।
জনপ্রিয় সংবাদ

গুরুতর অসুস্থ ড. কামাল হোসেন, হাসপাতালে ভর্তি

ইউজিসির সাথে বশেমুরবিপ্রবি’র বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতে স্বাক্ষর

আপডেট সময় : ০৬:০২:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)-এর সাথে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের জন্য বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে শতভাগ কাজের লক্ষমাত্রা দেওয়া হয়। যেটির উপর ভিত্তি করে প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাকিং করা হয়।
আজ রবিবার দুপুর ১২:৩০ টায় ইউজিসি ভবনের অডিটোরিয়াম কক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ইউজিসির পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সচিব ড. ফেরদৌস জামান এবং বশেমুরবিপ্রবি’র পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন রেজিস্ট্রার মো. দলিলুর রহমান। ইউজিসির সভাপতি (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও সদস্য অধ্যাপক ড.  মুহাম্মদ আলমগীর, ইউজিসির সকল সদস্য এবং বশেমুরবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কিউ. এম. মাহবুবের উপস্থিতিতে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
এই কর্মসম্পাদন চুক্তির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে বার্ষিক কর্মসম্পাদন বাস্তবায়নে প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রগতির অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। এবং বিশ্ববিদ্যালয়টিকে চলতি (২০২৪-২৫) অর্থবছরে শতভাগ কাজের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করে দেওয়া হয়।
ইউজিসির সভাপতি (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও সদস্য অধ্যাপক ড.  মুহাম্মদ আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী জনাব মহিবুল হাসান চৌধুরী (এম.পি)
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইউজিসির সচিব ড. ফেরদৌস জামান। এপিএ বাস্তবায়নে ধারাবাহিক সফলতার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. গিয়াসউদ্দীন মিয়া। উপাচার্যদের পক্ষে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার। বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরের এই অনুষ্ঠানে সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রার ও এপিএ ফোকাল পয়েন্টগণ উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তির বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হয় উপপরিচালক, জনসংযোগ দপ্তর মাহবুবের সাথে। তিনি বলেন, প্রতিবছর ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আগামী অর্থবছরের কাজের বিবরনী দিয়ে দেয়। এ বিবরণী অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কাজ করে থাকে। এর মধ্যে ৩০ভাগ কাজ ইউজিসি থেকে বাধ্যতামূলকভাবে দেওয়া হয়। যার আওতাভুক্ত থাকে বিভিন্ন ধরনের সেমিনার, শুদ্ধাচার প্রশিক্ষন, অভিযোগ প্রতিকার সভা, তথ্য অধিকার প্রাপ্তি সহ আনুষাঙ্গিক কিছু কার্যাদি। আর বাকি ৭০ শতাংশ কাজ থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে শুরু করে শিক্ষার মান বৃদ্ধি, নিয়োগ, এবং অন্যান্য কাজগুলো। মাহবুব বলেন, এ বছর ইউজিসি সাথে আমরা কর্ম সম্পাদন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছি। আশা করছি শতভাগ কাজের মধ্যে আমরা তুলনামূলক ৮০শতাংশের অধিক কাজ সম্পাদন করতে পারবো।
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. দলিলুর রহমান বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও আমরা ইউজিসির সাথে বার্ষিক কর্ম-সম্পাদন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছি। এ চুক্তির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ থেকে শুরু করে সকল প্রকার নির্মাণাধীন কাজ সংযুক্ত থাকে। তিনি বলেন, ইউজিসি আমাদেরকে নির্দিষ্ট কিছু কাজ দিয়েছে এবং আমরা কিছু কাজ সম্পাদনে উদ্যোগ নিয়েছি। এবং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছি। আশা করি ২০২৪-২৫ অর্তবছরের মধ্যে আমরা চুক্তির আওতাভুক্ত কাজগুলো সম্পাদন করতে পারবো। চুক্তিতে তৃতীয় ফেইজের কাজগুলো সংযুক্ত হয়েছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে রেজিস্ট্রার মো. দলিলুর রহমান বলেন, কাজগুলো সরাসরিভাবে সংযুক্ত না। তবে আমরা যে লক্ষমাত্রা নির্ধারন করেছি, সেটির সাথে এই কাজগুলো থাকতে পারে।