আমরা ইতোপূর্বে স্বৈরাচারের শাসনামলে দেখেছি যে দুর্নীতি, অনিয়ম এবং বিচার বিভাগের অস্থিরতা আমাদের দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে। এক কথায় পুরো জাতিকে জিম্মি করে শোষণ করা হয়েছে। তবে আমাদের চাওয়া বদলা নয়, বরং আমরা চাই বদলে দিতে। ছাত্র-জনতার এই অভ্যুত্থান থেকে সকল রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত যে এই নতুন প্রজন্ম কোন স্বৈরাচারকে সহ্য করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না।
এই পরিবর্তন কেবল কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি বাস্তবায়িত হতে হবে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে। দুর্নীতি, অযৌক্তিক নিয়মনীতি এবং বিচার বিভাগের সংস্কারে ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য হল আমাদের বর্তমান সিস্টেমকে পরিবর্তন করা এবং একটি সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ, এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
আমরা বিশ্বাস করি, এই পরিবর্তন আনার মাধ্যমে দেশবাসী এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি পাবে। আমরা সবাই মিলে এগিয়ে যাব, যেখানে প্রতিটি মানুষ ন্যায়বিচার, সমতা এবং সুশাসনের অধিকার লাভ করবে।
আশা করা যায়, বাংলাদেশের ভবিষ্যত হবে আরও উজ্জ্বল। পরিবর্তন আনার এই প্রতিশ্রুতি আমাদেরকে শক্তিশালী, মর্যাদাপূর্ণ এবং উন্নত জাতিতে পরিণত করবে। দেশপ্রেমিকদের এই প্রচেষ্টায় শামিল হয়ে আমরা একসাথে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ।
সেই সাথে তিনি তরুণ প্রজন্ম ও দেশবাসীকে সবসময় সচেতন থাকতে হবে। কোন অপশক্তি যেনো আমাদের এই স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ ও কেড়ে নিতে না পারে সেদিকে সবসময় কড়া নজর রাখতে হবে।
লেখক:
মো. আবু জুবায়ের
তরুণ সমাজকর্মী ও
প্রাক্তন শিক্ষার্থী, পার্বতীপুর ক্যান্ট. পাবলিক স্কুল ও কলেজ।
























