১০:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চবি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হলের নাম ফলক পূনঃ লিখন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হলের নামফলক পূনঃলিখন করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার(০৬ সেপ্টেম্বর)রাত ৮ টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি মোহাম্মদ মামুন উর রশিদ মামুনের নেতৃত্বে নাম ফলক পুনঃস্থাপন করেন তাঁরা।

এতে উপস্থিত ছিলেন, মুহাম্মদ সোহেল, নকিব হোসাইন চৌধুরী, মুহাম্মদ হিসাম উদ্দিন, ওহিদুর রহমান, শেখ সুজাত, আকাশ, স্বপন, রাকিব, মেহেদী হাসান, ফরহাদ হাসান সুমন, আনাস মাহাদি, মোঃজামাল উদ্দিনসহ বিভিন্ন হল ও ফ্যাকাল্টির নেতৃবৃন্দ।

এসময় উপস্থিত ছাত্রনেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্য মামুন উর রশিদ মামুন বলেন,দেশ দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট শক্তির দখলে ছিল। ফলে তারা দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি, জনগণের ভোটাধিকার, মৌলিক অধিকারসহ সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছে। একদিকে যেমন দেশ সন্ত্রাস কবলিত ছিল, অপরদিকে দেশের সম্পদের হরিলুট চলছিল। ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ বাকশালী চক্রের পতন হলেও তাদের প্রেতাত্মারা সমাজের বিভিন্ন সেক্টরে ঘাপটি মেরে আছে। দেশকে দূর্নীতি, সন্ত্রাস, লুটপাট, চুরি-ডাকাতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে স্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশজুড়ে এলপি গ্যাসের হাহাকার

চবি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হলের নাম ফলক পূনঃ লিখন

আপডেট সময় : ১২:২৫:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হলের নামফলক পূনঃলিখন করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার(০৬ সেপ্টেম্বর)রাত ৮ টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি মোহাম্মদ মামুন উর রশিদ মামুনের নেতৃত্বে নাম ফলক পুনঃস্থাপন করেন তাঁরা।

এতে উপস্থিত ছিলেন, মুহাম্মদ সোহেল, নকিব হোসাইন চৌধুরী, মুহাম্মদ হিসাম উদ্দিন, ওহিদুর রহমান, শেখ সুজাত, আকাশ, স্বপন, রাকিব, মেহেদী হাসান, ফরহাদ হাসান সুমন, আনাস মাহাদি, মোঃজামাল উদ্দিনসহ বিভিন্ন হল ও ফ্যাকাল্টির নেতৃবৃন্দ।

এসময় উপস্থিত ছাত্রনেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্য মামুন উর রশিদ মামুন বলেন,দেশ দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট শক্তির দখলে ছিল। ফলে তারা দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি, জনগণের ভোটাধিকার, মৌলিক অধিকারসহ সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছে। একদিকে যেমন দেশ সন্ত্রাস কবলিত ছিল, অপরদিকে দেশের সম্পদের হরিলুট চলছিল। ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ বাকশালী চক্রের পতন হলেও তাদের প্রেতাত্মারা সমাজের বিভিন্ন সেক্টরে ঘাপটি মেরে আছে। দেশকে দূর্নীতি, সন্ত্রাস, লুটপাট, চুরি-ডাকাতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে স্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।