০১:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ও রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে ইবিতে গণজমায়েত

ছাত্র জনতার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের উপর ন্যাক্কারজনক হামলা চালানোয় বাংলাদেশের মাটিতে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ এবং রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর পদত্যাগের দাবিতে গণজমায়েত করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ৩ টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ঐতিহাসিক বটতলা প্রাঙ্গনে সমবেত হয় শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ও পাশ্ববর্তী শেখপাড়া বাজার প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবনের সামনে গিয়ে ছাত্রসমাবেশে মিলিত হয়।

এসময় শিক্ষার্থীরা আমাদের সংগ্রাম, চলছে চলবে; আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ; অ্যাকশন অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন; আওয়ামী লীগের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান; ছাত্রলীগের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান; স্বৈরাচারের দোসরেরা হুঁশিয়ার সাবধান; অবৈধ রাষ্ট্রপতি, মানিনা মানবনা; আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করো করতে হবে ইত্যাদি বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগের অপকর্ম ও সন্ত্রাসীমূলক কর্মকাণ্ডের দায়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে ছাত্রলীগকে বাংলার মাটিতে নিষিদ্ধ করতে হবে। একই সাথে তাদের সকল অঙ্গ সংগঠনকে জুলাই বিপ্লবে হামলার দায়ে বিচারের আওতায় আনতে হবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ মাথাচাড়া উঠতেছে। আমার ভাইদের উপর হামলা করছে। কত সময় পরে ছাত্রলীগের মতো জঙ্গি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হবে? যতদিন পর্যন্ত আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের বিতাড়িত না করা হচ্ছে, ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত আমরা মাঠে থাকবো। আমরা ষোলো’শ নই প্রয়োজনে ১৬ হাজার মানুষ জীবন দিবো তবুও খুনি হাসিনাকে দেশে প্রবেশ করতে দিবো না।

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ও রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে ইবিতে গণজমায়েত

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪

ছাত্র জনতার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের উপর ন্যাক্কারজনক হামলা চালানোয় বাংলাদেশের মাটিতে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ এবং রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর পদত্যাগের দাবিতে গণজমায়েত করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ৩ টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ঐতিহাসিক বটতলা প্রাঙ্গনে সমবেত হয় শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ও পাশ্ববর্তী শেখপাড়া বাজার প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবনের সামনে গিয়ে ছাত্রসমাবেশে মিলিত হয়।

এসময় শিক্ষার্থীরা আমাদের সংগ্রাম, চলছে চলবে; আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ; অ্যাকশন অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন; আওয়ামী লীগের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান; ছাত্রলীগের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান; স্বৈরাচারের দোসরেরা হুঁশিয়ার সাবধান; অবৈধ রাষ্ট্রপতি, মানিনা মানবনা; আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করো করতে হবে ইত্যাদি বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগের অপকর্ম ও সন্ত্রাসীমূলক কর্মকাণ্ডের দায়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে ছাত্রলীগকে বাংলার মাটিতে নিষিদ্ধ করতে হবে। একই সাথে তাদের সকল অঙ্গ সংগঠনকে জুলাই বিপ্লবে হামলার দায়ে বিচারের আওতায় আনতে হবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ মাথাচাড়া উঠতেছে। আমার ভাইদের উপর হামলা করছে। কত সময় পরে ছাত্রলীগের মতো জঙ্গি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হবে? যতদিন পর্যন্ত আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের বিতাড়িত না করা হচ্ছে, ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত আমরা মাঠে থাকবো। আমরা ষোলো’শ নই প্রয়োজনে ১৬ হাজার মানুষ জীবন দিবো তবুও খুনি হাসিনাকে দেশে প্রবেশ করতে দিবো না।