০৪:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পর্যটক শূন্য সোনারগাঁয়ের পানাম নগর

নারায়ণগঞ্জের প্রাচীন বাংলার রাজধানী খ্যাত ঐতিহাসিক সোনারগাঁয়ের অন্যতম দর্শনীয় স্থান পানাম নগরী দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের একটি কেন্দ্রবিন্দু। তবে নানা অব্যবস্থাপনার কারণে প্রাচীন বাংলার রাজধানী খ্যাত ঐতিহাসিক সোনারগাঁয়ের অন্যতম দর্শনীয় স্থান পানাম নগরীতে বেড়াতে এসে হতাশ হচ্ছেন অনেক পর্যটকরা। বৈদ্যুতিক লাইন, ইন্টারনেট ও ডিশ লাইনের তারের জঞ্জাল ঢেকে ফেলেছে নগরীর ঐতিহাসিক সৌন্দর্য। এছাড়া সেখানে নেই গাড়ি পার্কিংয়ের তেমন কোনো ব্যবস্থা। তবে বাড়ানো হয়েছে প্রবেশ মূল্য। কিন্তু সেই অনুপাতে বাড়েনি সেবার মান। ফলে দিন দিন ঐতিহাসিক এই স্থানটিতে কমছে পর্যটকদের আনাগোনা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যটক আকর্ষণ করতে কিছু সংস্কারের পাশাপাশি পুরো এলাকাকে নিয়ে আসতে হবে পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার মধ্যে।

প্রায় ৪শ বছর পূর্বে ২০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে গড়ে ওঠে পানাম নগর। নগরীর দুই পাশে আছে ঔপনিবেশিক আমলের মোট ৫২টি স্থাপনা। ২০০৬ সালে নিউইয়র্ক ভিত্তিক ওয়ার্ল্ড মনুমেন্টস ফান্ড পানাম নগরীকে বিশ্বের ধ্বংসপ্রায় প্রাচীন ১শ নগরীর মধ্যে তালিকাভুক্ত করেছে। বিশ্বব্যাপী এ নগরীর গুরুত্ব থাকলেও বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর নগরীটির সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি। ভবনগুলোর কোনোটির জানালা ভাঙা, কোনোটির ইট-পলেস্তারা খসে পড়েছে, আবার কোনোটি প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে এখনো দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাসের অংশ হিসেবে। জরাজীর্ণ হলেও ভবনগুলোর দিকে তাকালে রুচি আর আভিজাত্যের ছাপ দেখতে পাওয়া যায়।

সম্প্রতি ভবনগুলোর প্রাচীন সৌন্দর্য ঢাকা পড়ে গেছে তারে জঞ্জালে। এর মধ্য দিয়ে যে বৈদ্যুতিক লাইন গেছে সেটি এখনো সরানো হয়নি। বর্তমানে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইন্টারনেট ও ডিশ লাইনের তার। ফলে তারের জঞ্জালে নগরীর সৌন্দর্যহানি ঘটেছে। এছাড়া অনেক তার নগরীর রাস্তার ওপর ঝুলে রয়েছে; যেগুলো দর্শনার্থীদের পরিদর্শনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এছাড়া এসব তারের জন্য পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা রয়েছে। কয়েক বছর আগে এক পর্যটক এখানে বেড়াতে গিয়ে একটি ভবনের ছাদে উঠে ছবি তোলার সময় বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে পড়ে মারা যান।

২০১৫ সালে এ প্রাচীন নগরীতে প্রবেশের জন্য পর্যটকদের টিকিটের আওতায় আনা হয়। এর প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ১৫ টাকা রাখা হলেও সম্প্রতি প্রবেশ ফি বাড়িয়ে করা হয়েছে ২০ টাকা। প্রবেশ ফি বাড়লেও বাড়েনি পর্যটকদের জন্য কোনো সুযোগ-সুবিধা।

এখনও কেউ যদি এখানে ছবি তোলার পাশাপাশি মোবাইলে ভিডিও করেন তাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা কর্তৃপক্ষের দ্বারা নানা হেনস্তার শিকার হতে হয়। যদিও ভিডিও করার ওপর নিষেধাজ্ঞার কোনো নির্দেশনা এখানে দেয়া নেই।

আবার এখানে পার্কিং ব্যবস্থা না রাখার কারণে রাস্তার পাশেই গাড়ি পার্কিং করেন পর্যটকরা। ফলে পানাম নগরীর সামনের সড়কে তীব্র যানজট যেমন সৃষ্টি হয় তেমনি দুর্ঘটনার শঙ্কাও দেখা দেয়।

এখানে বেড়াতে যাওয়া বেশ কয়েকজন পর্যটক জানান, পার্কিং ব্যবস্থা না থাকায় অনেকটা বাধ্য হয়েই রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং করতে হচ্ছে। তবে রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং করলেও স্থানীয় লোকজন প্রতি গাড়ি থেকে চাঁদা নিয়ে থাকেন বলে জানান তারা।

বিশেষ করে যারা নিজস্ব গাড়ি নিয়ে কিংবা স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা বাস নিয়ে এখানে বেড়াতে যান তাদের গাড়ি পার্কিং নিয়ে সৃষ্টি হয় চরম ভোগান্তি। তবে ছুটির দিনগুলোতে এ ভোগান্তির পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

প্রত্নতত্ত্ব সূত্রে আরও জানা যায়, পানাম নগরীর ৫ মিটার প্রশস্ত ও ৬শ’ মিটার দীর্ঘ একটি সড়কের দু’পাশে এক তলা, দ্বিতল ও তিনতলা ৫২টি পুরনো ভবন রয়েছে। এসব ভবনের মধ্যে ১৩ নম্বর ভবনটি প্রতœতত্ত্ব অধিদফতরে নিজস্ব অর্থায়নে দক্ষ কারিগর দ্বারা সংস্কার করে আদিরূপ ফিরে আনা হয়েছে। বাকি ভবনগুলো দক্ষ কারিগরের অভাব ও অর্থ বরাদ্দ না থাকায় এখন সংস্কার করা হয়নি। তবে এগুলোর বেশিরভাগই ধ্বংসপ্রাপ্ত।

পানাম ও এর আশপাশের গ্রামে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন পাকা ইমারতরাজি। পানামে রয়েছে অসংখ্য প্রাচীন ইমারত। এখানে সরু রাস্তার দুই পাশে গড়ে উঠেছিলো অট্টালিকা, সরাইখানা, মসজিদ, মন্দির, মঠ, ঠাকুরঘর, গোসলখানা, কূপ, নাচঘর, খাজাঞ্চিখানা, টাকশাল, দরবার, গুপ্তপথ, প্রশস্ত দেয়াল, প্রমোদালয় ইত্যাদি। পানাম নগরীতে দেখা যায় ৪০০ বছরের পুরনো মঠবাড়ি। এর পশ্চিমে ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানির বাণিজ্যকুঠি (নীলকুঠি)। রয়েছে পোদ্দারবাড়ি, কাশিনাথের বাড়ি, আর্ট গ্যালারিসহ অনেক প্রাচীন ভবন। তবে এখন বেশিরভাগই জীর্ণ, ভগ্নাবশেষ অবস্থায়। পানামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে পঙ্খিরাজ খাল। এ খালটি পানামের গুরুত্বপূর্ণ সব ভবন ছুঁয়ে পূর্ব দিকে মেনিখালি নদ হয়ে মেঘনায় মিশেছে। খালের ওপর আদমপুর বাজারের কাছে রয়েছে মোগল আমলের সেতু (পঙ্খিরাজ সেতু)। তিনটি খিলানের ওপর নির্মিত এ সেতু ১৪ ফুট প্রশস্ত। তলদেশ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ২৮ ফুট এবং দৈর্ঘ্য ১৭৩ ফুট।

পানাম নগরীর দায়িত্বে থাকা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সহকারী কাস্টডিয়ান সিয়াম চৌধুরী বলেন, পানাম নগরীর অভ্যন্তরে বৈদ্যুতিক তারসহ বিভিন্ন তার অপসারণ ও প্রয়োজনীয় অন্য বিষয়গুলোর সমস্যা নিরসনে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে নতুন রূপে দেখা যাবে ঐতিহাসিক এ নগরটিকে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পর্যটক শূন্য সোনারগাঁয়ের পানাম নগর

আপডেট সময় : ০২:২৯:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪

নারায়ণগঞ্জের প্রাচীন বাংলার রাজধানী খ্যাত ঐতিহাসিক সোনারগাঁয়ের অন্যতম দর্শনীয় স্থান পানাম নগরী দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের একটি কেন্দ্রবিন্দু। তবে নানা অব্যবস্থাপনার কারণে প্রাচীন বাংলার রাজধানী খ্যাত ঐতিহাসিক সোনারগাঁয়ের অন্যতম দর্শনীয় স্থান পানাম নগরীতে বেড়াতে এসে হতাশ হচ্ছেন অনেক পর্যটকরা। বৈদ্যুতিক লাইন, ইন্টারনেট ও ডিশ লাইনের তারের জঞ্জাল ঢেকে ফেলেছে নগরীর ঐতিহাসিক সৌন্দর্য। এছাড়া সেখানে নেই গাড়ি পার্কিংয়ের তেমন কোনো ব্যবস্থা। তবে বাড়ানো হয়েছে প্রবেশ মূল্য। কিন্তু সেই অনুপাতে বাড়েনি সেবার মান। ফলে দিন দিন ঐতিহাসিক এই স্থানটিতে কমছে পর্যটকদের আনাগোনা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যটক আকর্ষণ করতে কিছু সংস্কারের পাশাপাশি পুরো এলাকাকে নিয়ে আসতে হবে পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার মধ্যে।

প্রায় ৪শ বছর পূর্বে ২০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে গড়ে ওঠে পানাম নগর। নগরীর দুই পাশে আছে ঔপনিবেশিক আমলের মোট ৫২টি স্থাপনা। ২০০৬ সালে নিউইয়র্ক ভিত্তিক ওয়ার্ল্ড মনুমেন্টস ফান্ড পানাম নগরীকে বিশ্বের ধ্বংসপ্রায় প্রাচীন ১শ নগরীর মধ্যে তালিকাভুক্ত করেছে। বিশ্বব্যাপী এ নগরীর গুরুত্ব থাকলেও বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর নগরীটির সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি। ভবনগুলোর কোনোটির জানালা ভাঙা, কোনোটির ইট-পলেস্তারা খসে পড়েছে, আবার কোনোটি প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে এখনো দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাসের অংশ হিসেবে। জরাজীর্ণ হলেও ভবনগুলোর দিকে তাকালে রুচি আর আভিজাত্যের ছাপ দেখতে পাওয়া যায়।

সম্প্রতি ভবনগুলোর প্রাচীন সৌন্দর্য ঢাকা পড়ে গেছে তারে জঞ্জালে। এর মধ্য দিয়ে যে বৈদ্যুতিক লাইন গেছে সেটি এখনো সরানো হয়নি। বর্তমানে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইন্টারনেট ও ডিশ লাইনের তার। ফলে তারের জঞ্জালে নগরীর সৌন্দর্যহানি ঘটেছে। এছাড়া অনেক তার নগরীর রাস্তার ওপর ঝুলে রয়েছে; যেগুলো দর্শনার্থীদের পরিদর্শনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এছাড়া এসব তারের জন্য পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা রয়েছে। কয়েক বছর আগে এক পর্যটক এখানে বেড়াতে গিয়ে একটি ভবনের ছাদে উঠে ছবি তোলার সময় বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে পড়ে মারা যান।

২০১৫ সালে এ প্রাচীন নগরীতে প্রবেশের জন্য পর্যটকদের টিকিটের আওতায় আনা হয়। এর প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ১৫ টাকা রাখা হলেও সম্প্রতি প্রবেশ ফি বাড়িয়ে করা হয়েছে ২০ টাকা। প্রবেশ ফি বাড়লেও বাড়েনি পর্যটকদের জন্য কোনো সুযোগ-সুবিধা।

এখনও কেউ যদি এখানে ছবি তোলার পাশাপাশি মোবাইলে ভিডিও করেন তাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা কর্তৃপক্ষের দ্বারা নানা হেনস্তার শিকার হতে হয়। যদিও ভিডিও করার ওপর নিষেধাজ্ঞার কোনো নির্দেশনা এখানে দেয়া নেই।

আবার এখানে পার্কিং ব্যবস্থা না রাখার কারণে রাস্তার পাশেই গাড়ি পার্কিং করেন পর্যটকরা। ফলে পানাম নগরীর সামনের সড়কে তীব্র যানজট যেমন সৃষ্টি হয় তেমনি দুর্ঘটনার শঙ্কাও দেখা দেয়।

এখানে বেড়াতে যাওয়া বেশ কয়েকজন পর্যটক জানান, পার্কিং ব্যবস্থা না থাকায় অনেকটা বাধ্য হয়েই রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং করতে হচ্ছে। তবে রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং করলেও স্থানীয় লোকজন প্রতি গাড়ি থেকে চাঁদা নিয়ে থাকেন বলে জানান তারা।

বিশেষ করে যারা নিজস্ব গাড়ি নিয়ে কিংবা স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা বাস নিয়ে এখানে বেড়াতে যান তাদের গাড়ি পার্কিং নিয়ে সৃষ্টি হয় চরম ভোগান্তি। তবে ছুটির দিনগুলোতে এ ভোগান্তির পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

প্রত্নতত্ত্ব সূত্রে আরও জানা যায়, পানাম নগরীর ৫ মিটার প্রশস্ত ও ৬শ’ মিটার দীর্ঘ একটি সড়কের দু’পাশে এক তলা, দ্বিতল ও তিনতলা ৫২টি পুরনো ভবন রয়েছে। এসব ভবনের মধ্যে ১৩ নম্বর ভবনটি প্রতœতত্ত্ব অধিদফতরে নিজস্ব অর্থায়নে দক্ষ কারিগর দ্বারা সংস্কার করে আদিরূপ ফিরে আনা হয়েছে। বাকি ভবনগুলো দক্ষ কারিগরের অভাব ও অর্থ বরাদ্দ না থাকায় এখন সংস্কার করা হয়নি। তবে এগুলোর বেশিরভাগই ধ্বংসপ্রাপ্ত।

পানাম ও এর আশপাশের গ্রামে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন পাকা ইমারতরাজি। পানামে রয়েছে অসংখ্য প্রাচীন ইমারত। এখানে সরু রাস্তার দুই পাশে গড়ে উঠেছিলো অট্টালিকা, সরাইখানা, মসজিদ, মন্দির, মঠ, ঠাকুরঘর, গোসলখানা, কূপ, নাচঘর, খাজাঞ্চিখানা, টাকশাল, দরবার, গুপ্তপথ, প্রশস্ত দেয়াল, প্রমোদালয় ইত্যাদি। পানাম নগরীতে দেখা যায় ৪০০ বছরের পুরনো মঠবাড়ি। এর পশ্চিমে ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানির বাণিজ্যকুঠি (নীলকুঠি)। রয়েছে পোদ্দারবাড়ি, কাশিনাথের বাড়ি, আর্ট গ্যালারিসহ অনেক প্রাচীন ভবন। তবে এখন বেশিরভাগই জীর্ণ, ভগ্নাবশেষ অবস্থায়। পানামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে পঙ্খিরাজ খাল। এ খালটি পানামের গুরুত্বপূর্ণ সব ভবন ছুঁয়ে পূর্ব দিকে মেনিখালি নদ হয়ে মেঘনায় মিশেছে। খালের ওপর আদমপুর বাজারের কাছে রয়েছে মোগল আমলের সেতু (পঙ্খিরাজ সেতু)। তিনটি খিলানের ওপর নির্মিত এ সেতু ১৪ ফুট প্রশস্ত। তলদেশ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ২৮ ফুট এবং দৈর্ঘ্য ১৭৩ ফুট।

পানাম নগরীর দায়িত্বে থাকা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সহকারী কাস্টডিয়ান সিয়াম চৌধুরী বলেন, পানাম নগরীর অভ্যন্তরে বৈদ্যুতিক তারসহ বিভিন্ন তার অপসারণ ও প্রয়োজনীয় অন্য বিষয়গুলোর সমস্যা নিরসনে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে নতুন রূপে দেখা যাবে ঐতিহাসিক এ নগরটিকে।