০৪:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গজারিয়ায় জায়গা সংক্রান্ত বিরোধে প্রভাবশালী দ্বারা জেলে পরিবার নির্যাতিত

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় বাড়ির সীমানা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মোঃ সহিদ হোসেনের পরিবারের উপর মারধরসহ রান্নাঘর ও শৌচাগার ভাঙ্গাচুর করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

 

সোমবার বিকেলে এ বিষয়ে মো সহিদ হোসেন বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে দেখা যায় একি দিন আনুমানিক দুপুর ১ টার সময় ফারুক (৩৫) ইব্রাহিম (৪৫) ও নাসির উদ্দীন মেম্বার (৬৫) সীমানা নিয়ে পূর্ব শত্রুর জেরে বাদীর রান্নার কাজে ব্যবহৃত রান্নাঘর, শোচাগার ভাঙ্গচুর করে।

 

বিষয়টি সম্পর্কে মো. সহিদ হোসেন বলেন আমাদের ঘর ভাঙ্গচুর করা, অকথ্য ভাষায় গালাগালি করার বিষয়ে গজারিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করে বাসায় এসে দেখি আমার স্ত্রী আয়শা আক্তার চাকরি থেকে বাসায় আশার পরপরই নাসির এর পরিবার আমার স্ত্রীকে একা পেয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে কিল,ঘুসি,লাথি সহ চুলে টেনে নিলাফুলা জখম করে,তাদের আঘাতে আমার স্ত্রী আয়শা আক্তার অজ্ঞান হয়ে যায়।আমি থানা থেকে এসে দেখি আশেপাশের মানুষ আমার স্ত্রীকে মাথায় পানি ঢেলে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করতেছে।পরে আমিও আমার স্ত্রীকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছি।

 

সহিদ মিয়ার স্ত্রী আয়শা আক্তার বলেন,আমরা গরীব মানুষ, আমার স্বামী মাছ ধরে,আমি কোম্পানিতে কাজ করি একটা ভাঙাচুরা ঘরে থাকি।আজ বাসায় কি হয়েছে আমি জানিনা, ভোর সকালে রান্না করে আমি কোম্পানিতে কাজে চলে যাই।সন্ধ্যার একটু আগে আমি কাজ থেকে বাসায় আসার পর বাড়িতে এসে ফারুক,ইব্রাহিম,সহ তাদের মহিলারা আমাকে হঠাৎ এসে এলোপাথারি মারধর শুরু করে।ওরা প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীরাও ওদের কিছু বলে না।ওরা আঃলীগের আমলেও আমাদের নির্যাতন করেছে,এখনও করতেছে।

 

এ বিষয়ে নাসির উদ্দিন বলেন,সহিদ বলেছে ভেঙে ফেলতে তাই আমার ছেলে রান্না ঘর ভেঙে ছিল।তাছাড়া সহিদের বৌ কাজ থেকে এসেছেই খারাপ ভাষায় গালাগালি করতেছে,আমার ছেলে ফারুক  বলতে গেছে গালাগালি করিয়েন না,মহিলা আমার ছেলে ফারুকের লুঙ্গি  টেনে ছিড়ে ফেলে পরে আমার বড় ছেলে ইব্রাহিম তাকে নিয়ে আসতে গেলে তার লুঙ্গি ও টান দিয়ে খুলে ফেলে।আমার ছেলেরা মারধর করেনি।তাছাড়া আমরাই সহিদের নিকট জায়গা পাবো।

 

স্থানীয় মেম্বার নাসিম মিয়া জানান,বিষয়টি সীমানা সংক্রান্ত,তবে আজ যা হয়েছে এটা মোটেও কাম্য নয়।

 

জানা যায়,সহিদের স্ত্রী আয়শা আক্তার এখনও গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

 

গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানায়,অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তের জন্য ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গজারিয়ায় জায়গা সংক্রান্ত বিরোধে প্রভাবশালী দ্বারা জেলে পরিবার নির্যাতিত

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় বাড়ির সীমানা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মোঃ সহিদ হোসেনের পরিবারের উপর মারধরসহ রান্নাঘর ও শৌচাগার ভাঙ্গাচুর করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

 

সোমবার বিকেলে এ বিষয়ে মো সহিদ হোসেন বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে দেখা যায় একি দিন আনুমানিক দুপুর ১ টার সময় ফারুক (৩৫) ইব্রাহিম (৪৫) ও নাসির উদ্দীন মেম্বার (৬৫) সীমানা নিয়ে পূর্ব শত্রুর জেরে বাদীর রান্নার কাজে ব্যবহৃত রান্নাঘর, শোচাগার ভাঙ্গচুর করে।

 

বিষয়টি সম্পর্কে মো. সহিদ হোসেন বলেন আমাদের ঘর ভাঙ্গচুর করা, অকথ্য ভাষায় গালাগালি করার বিষয়ে গজারিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করে বাসায় এসে দেখি আমার স্ত্রী আয়শা আক্তার চাকরি থেকে বাসায় আশার পরপরই নাসির এর পরিবার আমার স্ত্রীকে একা পেয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে কিল,ঘুসি,লাথি সহ চুলে টেনে নিলাফুলা জখম করে,তাদের আঘাতে আমার স্ত্রী আয়শা আক্তার অজ্ঞান হয়ে যায়।আমি থানা থেকে এসে দেখি আশেপাশের মানুষ আমার স্ত্রীকে মাথায় পানি ঢেলে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করতেছে।পরে আমিও আমার স্ত্রীকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছি।

 

সহিদ মিয়ার স্ত্রী আয়শা আক্তার বলেন,আমরা গরীব মানুষ, আমার স্বামী মাছ ধরে,আমি কোম্পানিতে কাজ করি একটা ভাঙাচুরা ঘরে থাকি।আজ বাসায় কি হয়েছে আমি জানিনা, ভোর সকালে রান্না করে আমি কোম্পানিতে কাজে চলে যাই।সন্ধ্যার একটু আগে আমি কাজ থেকে বাসায় আসার পর বাড়িতে এসে ফারুক,ইব্রাহিম,সহ তাদের মহিলারা আমাকে হঠাৎ এসে এলোপাথারি মারধর শুরু করে।ওরা প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীরাও ওদের কিছু বলে না।ওরা আঃলীগের আমলেও আমাদের নির্যাতন করেছে,এখনও করতেছে।

 

এ বিষয়ে নাসির উদ্দিন বলেন,সহিদ বলেছে ভেঙে ফেলতে তাই আমার ছেলে রান্না ঘর ভেঙে ছিল।তাছাড়া সহিদের বৌ কাজ থেকে এসেছেই খারাপ ভাষায় গালাগালি করতেছে,আমার ছেলে ফারুক  বলতে গেছে গালাগালি করিয়েন না,মহিলা আমার ছেলে ফারুকের লুঙ্গি  টেনে ছিড়ে ফেলে পরে আমার বড় ছেলে ইব্রাহিম তাকে নিয়ে আসতে গেলে তার লুঙ্গি ও টান দিয়ে খুলে ফেলে।আমার ছেলেরা মারধর করেনি।তাছাড়া আমরাই সহিদের নিকট জায়গা পাবো।

 

স্থানীয় মেম্বার নাসিম মিয়া জানান,বিষয়টি সীমানা সংক্রান্ত,তবে আজ যা হয়েছে এটা মোটেও কাম্য নয়।

 

জানা যায়,সহিদের স্ত্রী আয়শা আক্তার এখনও গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

 

গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানায়,অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তের জন্য ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।