০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অনিরাপদ ক্যাম্পাস বেরেই চলছে চুরি আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা

????????????????

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বারবার চুরির ভুক্তভোগী হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
আজ দুপুরে  কবি হেয়াদ মামুূদ ভবন থেকে আবারও চুরির শিকার হয়েছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী, সাংবাদিক  শরিফুল ইসলাম।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, একাডেমিক ভবন প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে মোটরসাইকেল বাই সাইকেল সহ অনেক চুরির ঘটনা ঘটেছে।  এতে চুরির শিকার হয়েছেন শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাসের সাংবাদিকরাও। শিক্ষার্থীদের জন্য যেন অনিরাপদ ক্যাম্পাস।

যাদের বাসা বা মেস দুরে তারা মুলত সঠিক সময়ে ক্লাসে আসার জন্য সাইকেল বা মোটরসাইকেল ব্যাবহার করে থাকেন। কিন্তু স্বায়িত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান এমন ঘটনা সবার জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে।
এদিকে ক্যাম্পাসে এখনো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সিসি ক্যামেরা লাগানোও সম্ভব হয়নি।তবে কি এরকম চলতেই থাকবে এ নিয়ে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন বিরুপ প্রতিক্রিয়া।

এ বিষয়ে সজীব বলেন, “আমরা ক্যাম্পাস থেকে দুরে থাকি। ক্লাসে সঠিক সময়ে পৌছানোর জন্য সাইকেল ব্যাবহার করি। বিশ্ববিদ্যালয়ে সিসি ক্যামেরা থাকার পরেও সাইকেল হারায় কেমনে? এ বিষয়ে প্রশাসনের কাছে আমার প্রশ্ন।”

এ বিষয়ে ্প্রক্টর বলেন, এর আগে মসজিদ থেকে চুরি হয়েছিল। আমরা সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করেছি। পুরো ক্যাম্পাস তো প্রটেকশন দেওয়া যায় না। তবে আমরা আরও সিসি ক্যামেরা আনার ব্যবস্থা করতেছি। আমরা সিসি ক্যামেরা জোরদার করতে পারলে নিরাপত্তা জোরদার করতে পারবো। আর আজ যে  সাইকেলটা হারিয়ে হারিয়েছে। সে ব্যাপারে আমরা ফুটেজটা দেখে এ ব্যাপারে অভিযোগ জানাবো।
জনপ্রিয় সংবাদ

অনিরাপদ ক্যাম্পাস বেরেই চলছে চুরি আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : ০৯:২৯:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বারবার চুরির ভুক্তভোগী হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
আজ দুপুরে  কবি হেয়াদ মামুূদ ভবন থেকে আবারও চুরির শিকার হয়েছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী, সাংবাদিক  শরিফুল ইসলাম।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, একাডেমিক ভবন প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে মোটরসাইকেল বাই সাইকেল সহ অনেক চুরির ঘটনা ঘটেছে।  এতে চুরির শিকার হয়েছেন শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাসের সাংবাদিকরাও। শিক্ষার্থীদের জন্য যেন অনিরাপদ ক্যাম্পাস।

যাদের বাসা বা মেস দুরে তারা মুলত সঠিক সময়ে ক্লাসে আসার জন্য সাইকেল বা মোটরসাইকেল ব্যাবহার করে থাকেন। কিন্তু স্বায়িত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান এমন ঘটনা সবার জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে।
এদিকে ক্যাম্পাসে এখনো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সিসি ক্যামেরা লাগানোও সম্ভব হয়নি।তবে কি এরকম চলতেই থাকবে এ নিয়ে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন বিরুপ প্রতিক্রিয়া।

এ বিষয়ে সজীব বলেন, “আমরা ক্যাম্পাস থেকে দুরে থাকি। ক্লাসে সঠিক সময়ে পৌছানোর জন্য সাইকেল ব্যাবহার করি। বিশ্ববিদ্যালয়ে সিসি ক্যামেরা থাকার পরেও সাইকেল হারায় কেমনে? এ বিষয়ে প্রশাসনের কাছে আমার প্রশ্ন।”

এ বিষয়ে ্প্রক্টর বলেন, এর আগে মসজিদ থেকে চুরি হয়েছিল। আমরা সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করেছি। পুরো ক্যাম্পাস তো প্রটেকশন দেওয়া যায় না। তবে আমরা আরও সিসি ক্যামেরা আনার ব্যবস্থা করতেছি। আমরা সিসি ক্যামেরা জোরদার করতে পারলে নিরাপত্তা জোরদার করতে পারবো। আর আজ যে  সাইকেলটা হারিয়ে হারিয়েছে। সে ব্যাপারে আমরা ফুটেজটা দেখে এ ব্যাপারে অভিযোগ জানাবো।