০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়’ নাম পুনর্বহালের দাবিতে বেরোবিতে সংবাদ সম্মেলন

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) নাম পরিবর্তন করে প্রতিষ্ঠাকালীন ‘রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়’ নাম পুনর্বহালের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন বেরোবির বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।
 সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে সংবাদ সম্মেলন করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বেরোবে শিক্ষার্থীরা।
 সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা জানান,রংপুরের মানুষের দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল ছিল ‘রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়’। ২০০৮ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার রংপুর বিশ্ববিদ্যালয় নামে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছিল। পরে শেখ হাসিনা নিজেকে প্রতিষ্ঠাতা দাবি করতে ২০০৯ সালে এ বিশ্ববিদ্যালয়টির নামফলক ও নাম পরিবর্তন করে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) করেন। অথচ, বেগম রোকেয়া সরকারি কলেজ নামে নগরীতে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে, যা ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত। এছাড়া বেগম রোকেয়ার নামে পায়রাবন্দে একটি সরকারি কলেজ, একটি হাইস্কুল ও নগরীতে একটি বালিকা বিদ্যালয়ও রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পুনর্বহাল এবং শেখ হাসিনার নামে প্রতিষ্ঠিত একটি হলের নাম পরিবর্তন করে বেগম রোকেয়া হল করার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
ছাত্র আন্দোলনের বেরোবি প্রতিনিধি মোঃশামসুর রহমান সুমন বলেন“পরিবর্তন নয় চাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন ‘রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়’নামটির পুনর্বহাল”। বিগত সরকার আমলের ফ্যাসিস্ট নীতি ছিল গনবিরোধী ও জনতার মনোবাঞ্ছাকে উপেক্ষা করার নীতি। সেই নীতির একটুও এদিক-সেদিক হয়নি রংপুরের মানুষ তথা আমাদের রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের সময়ে। রংপুরের মানুষের দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল ছিলো ‘রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়’ বর্তমানে (বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়,রংপুর) একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সেই অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করে। বিভাগীয় শহরে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় ‘রংপুর বিশ^বিদ্যালয়’ নামটি যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে। কিন্তু তৎকালীন ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন,নামফলক ও নিজেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা দাবি করতে সম্পুর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বিশ্ববিদ্যালের নাম পরিবর্তন করে মহীয়সী নারী “বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের” নামটি নামমাত্র ব্যবহার করে, যার কোন যৌক্তিকতা সেসময় ছিলোনা বরং বেগম রোকেয়ার নামে বিশেষায়ীত কোন বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা যেত। কেননা রংপুর শহরে (অথাৎ ৫কি.মি. এর মধ্যে)ইতোমধ্যে আরেকটি জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠান (বেগম রোকেয়া সরকারি মহিলা কলেজ) যা আমাদের প্রতিষ্ঠানের সমমান (স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর) রয়েছে যেটি বেগম রোকেয়া কে ধারণ করে অর্ধ শতকেরও বেশি সময় ধরে নারীদের উচ্চ শিক্ষায় অবদান রেখে চলছে। যা ১৯৬৩ সালে মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়ার নামে প্রতিষ্ঠিত ও তার প্রতিকৃতিও রয়েছে সেখানে। ফলস্রুতিতে একই নামের পাশাপাশি দুটি সমমানের প্রতিষ্ঠান হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা পরিচয়দানে অস্বস্তিতে ভোগা শুরু করে। ফ্যাসিস্ট সরকার (ফ্যাসিজমের দুরদর্শিতা ও রাজনৈতিক চাতুরতার) সাথে পরিবর্তিত নাম মহীয়সী রোকেয়ার নামে করেন যাতে নাম পরিবর্তন নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করলে নারী বিদ্বেষীসহ নানান ট্যাগ লাগিয়ে সহজে কন্ঠরোধ করা যায়। আওয়ামী স্বৈরাচারের শাসনামলেও এই বিশ^বিদ্যালয়ের নাম পুনর্বহাল এর দাবি উঠলে তখন নানান ট্যাগ দিয়ে শিক্ষার্থী,শিক্ষক,কর্মকর্তা,কর্মচারীদের দমিয়ে রাখা হয়।
তিনি আরও বলেন,২০১৭ সালের ৯ সেপ্টেম্বর তৎকালীন আওয়ামলীগ সরকার তথা শেখ হাসিনা যখন রংপুরে একটি “রংপুর বিশ^বিদ্যালয়” নামে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় অনুমদনের সিদ্ধান্ত নেয় তখন পুনরায় বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী,শিক্ষক ও কর্মকর্তাগণ বাঁধা প্রদান করে,পরে আন্দলনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে গণস্বাক্ষর আয়োজন করে উক্ত (রংপুর বিশ^বিদ্যালয়) নাম ব্যবহারের বিপক্ষে পরে ছাত্রদের কঠোর আন্দলনের মুখে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বাধ্য হয় বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও সরকার। রংপুরের পাবলিক বিশ^বিদ্যালয়টি সেই অঞ্চলের নামে প্রতিষ্ঠা পেলেও আওয়ামীলীগ সেটি অত্যান্ত সুচাতুরতার সহিত পরিবর্তন করে। বিগত আওয়ামী স্বৈরাচার সরকারের সময়ে বড় বৈষম্যর শিকার উত্তরের বাতিঘর খ্যাত এই বিশ^বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে ‘রংপুর বিশ^বিদ্যালয়’ বরাদ্দ পায় দুইশো কোটি টাকা। এরপর ১৫ বছর আওয়ামী শাসনামলে নতুন কোনো বরাদ্দ পায়নি বিশ^বিদ্যালয়টি সেসময় শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের বিশেষ প্রকল্পে যে তিনটি অবকাঠামো (শেখ হাসিনা হল,স্বাধীনতা স্মারক,ড.ওয়াজেদ মিয়া রিচার্চ ইনিস্টিটিউট) বরাদ্দ পেয়েছিলো তা দূর্নীতির দায়ে জর্জরিত যা বর্তমান আংশিক কাজ হয়ে থেমে পড়ে আছে বছরের পর বছর। এমনকি প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে বিশ^বিদ্যালয়টিতে ৮ টি অনুষদ এবং ৪৪ টি ডিপার্টমেন্ট থাকার কথা থাকলেও তা আজও আলোর মুখ দেখেনি, প্রতিষ্ঠার ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও আবাসন,পরিবহন সংকট তীব্র।
এ বিষয়ে উপাচার্য ড. শওকাত আলী জানান,
এ বিষয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা কে অবগত করা হয়েছে
তিনি বিষয়টাকে পজেটিভলি দেখলেন অবশ্যই নাম পরিবর্তন হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরাও চাই নাম পরিবর্তন হোক।
জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়’ নাম পুনর্বহালের দাবিতে বেরোবিতে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০২:৩১:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) নাম পরিবর্তন করে প্রতিষ্ঠাকালীন ‘রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়’ নাম পুনর্বহালের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন বেরোবির বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।
 সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে সংবাদ সম্মেলন করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বেরোবে শিক্ষার্থীরা।
 সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা জানান,রংপুরের মানুষের দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল ছিল ‘রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়’। ২০০৮ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার রংপুর বিশ্ববিদ্যালয় নামে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছিল। পরে শেখ হাসিনা নিজেকে প্রতিষ্ঠাতা দাবি করতে ২০০৯ সালে এ বিশ্ববিদ্যালয়টির নামফলক ও নাম পরিবর্তন করে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) করেন। অথচ, বেগম রোকেয়া সরকারি কলেজ নামে নগরীতে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে, যা ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত। এছাড়া বেগম রোকেয়ার নামে পায়রাবন্দে একটি সরকারি কলেজ, একটি হাইস্কুল ও নগরীতে একটি বালিকা বিদ্যালয়ও রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পুনর্বহাল এবং শেখ হাসিনার নামে প্রতিষ্ঠিত একটি হলের নাম পরিবর্তন করে বেগম রোকেয়া হল করার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
ছাত্র আন্দোলনের বেরোবি প্রতিনিধি মোঃশামসুর রহমান সুমন বলেন“পরিবর্তন নয় চাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন ‘রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়’নামটির পুনর্বহাল”। বিগত সরকার আমলের ফ্যাসিস্ট নীতি ছিল গনবিরোধী ও জনতার মনোবাঞ্ছাকে উপেক্ষা করার নীতি। সেই নীতির একটুও এদিক-সেদিক হয়নি রংপুরের মানুষ তথা আমাদের রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের সময়ে। রংপুরের মানুষের দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল ছিলো ‘রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়’ বর্তমানে (বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়,রংপুর) একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সেই অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করে। বিভাগীয় শহরে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় ‘রংপুর বিশ^বিদ্যালয়’ নামটি যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে। কিন্তু তৎকালীন ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন,নামফলক ও নিজেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা দাবি করতে সম্পুর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বিশ্ববিদ্যালের নাম পরিবর্তন করে মহীয়সী নারী “বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের” নামটি নামমাত্র ব্যবহার করে, যার কোন যৌক্তিকতা সেসময় ছিলোনা বরং বেগম রোকেয়ার নামে বিশেষায়ীত কোন বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা যেত। কেননা রংপুর শহরে (অথাৎ ৫কি.মি. এর মধ্যে)ইতোমধ্যে আরেকটি জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠান (বেগম রোকেয়া সরকারি মহিলা কলেজ) যা আমাদের প্রতিষ্ঠানের সমমান (স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর) রয়েছে যেটি বেগম রোকেয়া কে ধারণ করে অর্ধ শতকেরও বেশি সময় ধরে নারীদের উচ্চ শিক্ষায় অবদান রেখে চলছে। যা ১৯৬৩ সালে মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়ার নামে প্রতিষ্ঠিত ও তার প্রতিকৃতিও রয়েছে সেখানে। ফলস্রুতিতে একই নামের পাশাপাশি দুটি সমমানের প্রতিষ্ঠান হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা পরিচয়দানে অস্বস্তিতে ভোগা শুরু করে। ফ্যাসিস্ট সরকার (ফ্যাসিজমের দুরদর্শিতা ও রাজনৈতিক চাতুরতার) সাথে পরিবর্তিত নাম মহীয়সী রোকেয়ার নামে করেন যাতে নাম পরিবর্তন নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করলে নারী বিদ্বেষীসহ নানান ট্যাগ লাগিয়ে সহজে কন্ঠরোধ করা যায়। আওয়ামী স্বৈরাচারের শাসনামলেও এই বিশ^বিদ্যালয়ের নাম পুনর্বহাল এর দাবি উঠলে তখন নানান ট্যাগ দিয়ে শিক্ষার্থী,শিক্ষক,কর্মকর্তা,কর্মচারীদের দমিয়ে রাখা হয়।
তিনি আরও বলেন,২০১৭ সালের ৯ সেপ্টেম্বর তৎকালীন আওয়ামলীগ সরকার তথা শেখ হাসিনা যখন রংপুরে একটি “রংপুর বিশ^বিদ্যালয়” নামে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় অনুমদনের সিদ্ধান্ত নেয় তখন পুনরায় বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী,শিক্ষক ও কর্মকর্তাগণ বাঁধা প্রদান করে,পরে আন্দলনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে গণস্বাক্ষর আয়োজন করে উক্ত (রংপুর বিশ^বিদ্যালয়) নাম ব্যবহারের বিপক্ষে পরে ছাত্রদের কঠোর আন্দলনের মুখে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বাধ্য হয় বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও সরকার। রংপুরের পাবলিক বিশ^বিদ্যালয়টি সেই অঞ্চলের নামে প্রতিষ্ঠা পেলেও আওয়ামীলীগ সেটি অত্যান্ত সুচাতুরতার সহিত পরিবর্তন করে। বিগত আওয়ামী স্বৈরাচার সরকারের সময়ে বড় বৈষম্যর শিকার উত্তরের বাতিঘর খ্যাত এই বিশ^বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে ‘রংপুর বিশ^বিদ্যালয়’ বরাদ্দ পায় দুইশো কোটি টাকা। এরপর ১৫ বছর আওয়ামী শাসনামলে নতুন কোনো বরাদ্দ পায়নি বিশ^বিদ্যালয়টি সেসময় শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের বিশেষ প্রকল্পে যে তিনটি অবকাঠামো (শেখ হাসিনা হল,স্বাধীনতা স্মারক,ড.ওয়াজেদ মিয়া রিচার্চ ইনিস্টিটিউট) বরাদ্দ পেয়েছিলো তা দূর্নীতির দায়ে জর্জরিত যা বর্তমান আংশিক কাজ হয়ে থেমে পড়ে আছে বছরের পর বছর। এমনকি প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে বিশ^বিদ্যালয়টিতে ৮ টি অনুষদ এবং ৪৪ টি ডিপার্টমেন্ট থাকার কথা থাকলেও তা আজও আলোর মুখ দেখেনি, প্রতিষ্ঠার ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও আবাসন,পরিবহন সংকট তীব্র।
এ বিষয়ে উপাচার্য ড. শওকাত আলী জানান,
এ বিষয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা কে অবগত করা হয়েছে
তিনি বিষয়টাকে পজেটিভলি দেখলেন অবশ্যই নাম পরিবর্তন হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরাও চাই নাম পরিবর্তন হোক।