০৫:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাটহাজারীতে টানা বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, জনদুর্ভোগ চরমে

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় কয়েকদিনের টানা বর্ষণে উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, কৃষক ও দিনমজুর শ্রেণির জনগণ।
উপজেলার ধলই, গুমানমর্দ্দন, ফরহাদাবাদ ও মির্জাপুর ইউনিয়নের নিচু এলাকায় বৃষ্টির পানি জমে সৃষ্টি হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা। পানিতে তলিয়ে গেছে অনেক কাঁচা ও পাকা সড়ক, বিঘ্নিত হচ্ছে যান চলাচল। কোথাও কোথাও সড়কে সৃষ্টি হয়েছে গর্ত, যা জনসাধারণের চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

টানা বৃষ্টিতে কৃষকরাও পড়েছেন বিপাকে। গত বছরের মতো এবারও বীজতলা রক্ষা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন তারা। ছিপাতলীর কৃষক সিরাজুল ইসলাম বলেন, “টানা বৃষ্টিতে রাস্তা-ঘাট ডুবে গেছে, চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। আরেকটু বেশি বৃষ্টি হলে ঘরে পানি ঢুকে পড়তে পারে, বন্যারও আশঙ্কা করছি।”
উঁচু জমির সংকটের কারণে অনেকে আগাম বীজতলা তৈরি করেও তা রক্ষা করতে পারছেন না। এদিকে মাঠে থাকা কুমড়া, শসা, পটল, মরিচসহ বিভিন্ন মৌসুমি সবজি পানিতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, ফলে কৃষকদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
অন্যদিকে দিনমজুর, রিকশাচালক ও খেটে খাওয়া মানুষের অবস্থা আরও করুণ। প্রতিদিনের মতো কাজে বের হলেও অধিকাংশই কাজ না পেয়ে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। স্থানীয়রা বলছেন, বৃষ্টিপাত যদি আরও দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা

জনপ্রিয় সংবাদ

হাটহাজারীতে টানা বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, জনদুর্ভোগ চরমে

আপডেট সময় : ০৮:৩৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় কয়েকদিনের টানা বর্ষণে উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, কৃষক ও দিনমজুর শ্রেণির জনগণ।
উপজেলার ধলই, গুমানমর্দ্দন, ফরহাদাবাদ ও মির্জাপুর ইউনিয়নের নিচু এলাকায় বৃষ্টির পানি জমে সৃষ্টি হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা। পানিতে তলিয়ে গেছে অনেক কাঁচা ও পাকা সড়ক, বিঘ্নিত হচ্ছে যান চলাচল। কোথাও কোথাও সড়কে সৃষ্টি হয়েছে গর্ত, যা জনসাধারণের চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

টানা বৃষ্টিতে কৃষকরাও পড়েছেন বিপাকে। গত বছরের মতো এবারও বীজতলা রক্ষা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন তারা। ছিপাতলীর কৃষক সিরাজুল ইসলাম বলেন, “টানা বৃষ্টিতে রাস্তা-ঘাট ডুবে গেছে, চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। আরেকটু বেশি বৃষ্টি হলে ঘরে পানি ঢুকে পড়তে পারে, বন্যারও আশঙ্কা করছি।”
উঁচু জমির সংকটের কারণে অনেকে আগাম বীজতলা তৈরি করেও তা রক্ষা করতে পারছেন না। এদিকে মাঠে থাকা কুমড়া, শসা, পটল, মরিচসহ বিভিন্ন মৌসুমি সবজি পানিতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, ফলে কৃষকদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
অন্যদিকে দিনমজুর, রিকশাচালক ও খেটে খাওয়া মানুষের অবস্থা আরও করুণ। প্রতিদিনের মতো কাজে বের হলেও অধিকাংশই কাজ না পেয়ে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। স্থানীয়রা বলছেন, বৃষ্টিপাত যদি আরও দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা