১০:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তিতুমীর কলেজে শান্তিপূর্ণভাবে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন 

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধীনে তিতুমীর কলেজ কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা নিরাপদ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পেরে সন্তুষ্টি জানিয়েছেন। আজ ২২ আগস্ট শুক্রবার, রাজধানীর তিতুমীর কলেজে বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল থেকেই কলেজ ক্যাম্পাসে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ঢল নামে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রের প্রবেশের আগে ও পরে শিক্ষার্থী সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবী দলের স্থাপিত সহায়তা বুথ থেকে বিভিন্ন সহযোগিতা পাচ্ছেন। এসব বুথে বিনামূল্যে কলম, পেন্সিল, পানীয় জল, বসার নির্দেশনা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে স্বস্তি অনুভব করেছেন। সহায়তা বুথ পরিচালনাকারী গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ সংগঠনের প্রতিনিধি সাকাওয়াদ হোসেন বলেন, “অনেক শিক্ষার্থী একদিন আগে বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে পৌঁছায়। তাদের জন্য রাতে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সকালে আমাদের বোর্ড থেকে খাবার, পানি, স্যালাইন, কলমসহ প্রাথমিক চিকিৎসার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি ভবন ব্যবহারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তাও প্রদান করা হয়েছে।” আদিবাসী ছাত্রসংগঠন প্রতিনিধি থোয়াইসিছিং মারমা জানান, “পাহাড় ও সমতল থেকে প্রতিবছর অনেক আদিবাসী শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আসে। তাদের অনেকে নতুন ক্যাম্পাসের সঙ্গে পরিচিত নয়। তাই আমরা তাদের জন্য খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতার ব্যবস্থা করেছি।” পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রীন ভয়েসের বুথ পরিচালনাকারী সাকিব বলেন, “প্রতিবছর বিভিন্ন জায়গা থেকে হাজার হাজার শিক্ষার্থী আসে। তাদের মধ্যে অনেকেই ক্যাম্পাসের সঙ্গে পরিচিত নয়। সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল ভবন চিনতে না পারা। আমরা সেই শিক্ষার্থীদের সহায়তা করেছি।” ভর্তি পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে তিতুমীর কলেজ কর্তৃপক্ষ বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে। কলেজ প্রাঙ্গণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং পরীক্ষার্থীদের নির্বিঘ্ন প্রবেশের জন্য আলাদা গেটও নির্ধারণ করা হয়েছে। পরীক্ষার অভিজ্ঞতা জানাতে চাইলে পরীক্ষার্থী অংহ্লা মারমা বলেন, “প্রথমে ক্যাম্পাসে এসে ভয় লাগছিল। তবে শিক্ষার্থীদের সহায়তা পেয়ে ভয় অনেকটাই কমে গেছে। আমাদের নানা বিষয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে, যার ফলে আমরা সুন্দরভাবে পরীক্ষা দিতে পেরেছি। প্রশ্নপত্রও অতিমাত্রায় কঠিন ছিল না, আবার সহজও ছিল না।”

এসএস/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

তিতুমীর কলেজে শান্তিপূর্ণভাবে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন 

আপডেট সময় : ০৭:৫১:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধীনে তিতুমীর কলেজ কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা নিরাপদ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পেরে সন্তুষ্টি জানিয়েছেন। আজ ২২ আগস্ট শুক্রবার, রাজধানীর তিতুমীর কলেজে বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল থেকেই কলেজ ক্যাম্পাসে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ঢল নামে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রের প্রবেশের আগে ও পরে শিক্ষার্থী সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবী দলের স্থাপিত সহায়তা বুথ থেকে বিভিন্ন সহযোগিতা পাচ্ছেন। এসব বুথে বিনামূল্যে কলম, পেন্সিল, পানীয় জল, বসার নির্দেশনা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে স্বস্তি অনুভব করেছেন। সহায়তা বুথ পরিচালনাকারী গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ সংগঠনের প্রতিনিধি সাকাওয়াদ হোসেন বলেন, “অনেক শিক্ষার্থী একদিন আগে বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে পৌঁছায়। তাদের জন্য রাতে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সকালে আমাদের বোর্ড থেকে খাবার, পানি, স্যালাইন, কলমসহ প্রাথমিক চিকিৎসার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি ভবন ব্যবহারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তাও প্রদান করা হয়েছে।” আদিবাসী ছাত্রসংগঠন প্রতিনিধি থোয়াইসিছিং মারমা জানান, “পাহাড় ও সমতল থেকে প্রতিবছর অনেক আদিবাসী শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আসে। তাদের অনেকে নতুন ক্যাম্পাসের সঙ্গে পরিচিত নয়। তাই আমরা তাদের জন্য খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতার ব্যবস্থা করেছি।” পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রীন ভয়েসের বুথ পরিচালনাকারী সাকিব বলেন, “প্রতিবছর বিভিন্ন জায়গা থেকে হাজার হাজার শিক্ষার্থী আসে। তাদের মধ্যে অনেকেই ক্যাম্পাসের সঙ্গে পরিচিত নয়। সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল ভবন চিনতে না পারা। আমরা সেই শিক্ষার্থীদের সহায়তা করেছি।” ভর্তি পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে তিতুমীর কলেজ কর্তৃপক্ষ বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে। কলেজ প্রাঙ্গণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং পরীক্ষার্থীদের নির্বিঘ্ন প্রবেশের জন্য আলাদা গেটও নির্ধারণ করা হয়েছে। পরীক্ষার অভিজ্ঞতা জানাতে চাইলে পরীক্ষার্থী অংহ্লা মারমা বলেন, “প্রথমে ক্যাম্পাসে এসে ভয় লাগছিল। তবে শিক্ষার্থীদের সহায়তা পেয়ে ভয় অনেকটাই কমে গেছে। আমাদের নানা বিষয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে, যার ফলে আমরা সুন্দরভাবে পরীক্ষা দিতে পেরেছি। প্রশ্নপত্রও অতিমাত্রায় কঠিন ছিল না, আবার সহজও ছিল না।”

এসএস/সবা