০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খাগড়াছড়ি-গুইমারার সহিংসতায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম জানিয়েছেন, গুইমারায় চলমান অবরোধ প্রত্যাহার করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় দ্রুতই ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হবে। তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের দাবি পূরণের জন্য অবরোধ প্রত্যাহার করা জরুরি।

সাম্প্রতিক সহিংসতা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক গুইমারায় ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শনকালে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্থদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক হতাহত ও সহিংসতার ঘটনায় দু:খ প্রকাশ করে পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি আশ্বাস দেন, ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনসহ অন্যান্য বিষয় দ্রুত সমাধান করা হবে। আন্দোলনকারীদের ৮টি দাবি-দাওয়ার মধ্যে ৭টি ইতিমধ্যেই প্রক্রিয়াধীন এবং আলোচনার টেবিলেই সমাধান হবে।

পরিদর্শনে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, পুলিশ সুপার মো: আরেফিন জুয়েলসহ উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, অবরোধ চলাকালে গত রবিবার গুইমারা উপজেলার রামসু বাজার ও আশপাশ এলাকায় সংঘর্ষে ৩ জন পাহাড়ি নিহত হয়েছেন। রামসু বাজারের দোকানপাট, বাড়িঘর ও অফিসে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে এবং সেখানে সেনা কর্মকর্তাসহ বহু পাহাড়ি ও বাঙালী আহত হয়েছেন।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ক্যামিওতে রংপুরের দারুণ জয়

খাগড়াছড়ি-গুইমারার সহিংসতায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

আপডেট সময় : ০৬:৫০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম জানিয়েছেন, গুইমারায় চলমান অবরোধ প্রত্যাহার করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় দ্রুতই ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হবে। তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের দাবি পূরণের জন্য অবরোধ প্রত্যাহার করা জরুরি।

সাম্প্রতিক সহিংসতা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক গুইমারায় ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শনকালে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্থদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক হতাহত ও সহিংসতার ঘটনায় দু:খ প্রকাশ করে পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি আশ্বাস দেন, ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনসহ অন্যান্য বিষয় দ্রুত সমাধান করা হবে। আন্দোলনকারীদের ৮টি দাবি-দাওয়ার মধ্যে ৭টি ইতিমধ্যেই প্রক্রিয়াধীন এবং আলোচনার টেবিলেই সমাধান হবে।

পরিদর্শনে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, পুলিশ সুপার মো: আরেফিন জুয়েলসহ উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, অবরোধ চলাকালে গত রবিবার গুইমারা উপজেলার রামসু বাজার ও আশপাশ এলাকায় সংঘর্ষে ৩ জন পাহাড়ি নিহত হয়েছেন। রামসু বাজারের দোকানপাট, বাড়িঘর ও অফিসে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে এবং সেখানে সেনা কর্মকর্তাসহ বহু পাহাড়ি ও বাঙালী আহত হয়েছেন।

এমআর/সবা