০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সিলেটের তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রামে অভিযান

বাকলিয়ার ফ্ল্যাটে দেশি-বিদেশি জালনোটের ‘গোডাউন’ উদ্ঘাটন

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানা এলাকার একটি ভাড়া ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকার দেশি-বিদেশি জালনোট উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। এ সময় তানজিম (২০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে বহদ্দারহাটের নুরনগর হাউজিং সোসাইটির একটি বিল্ডিংয়ের ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে এসব জাল টাকা উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, সিলেটে র‌্যাবের একটি দলের অভিযানে জাল টাকাসহ একজনকে আটক করা হয়েছিল। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গ্রেপ্তার যুবক তানজিম বলেন, “টাকাগুলো শুটিংয়ের কাজে ব্যবহারের জন্য ছাপানো হয়েছে। আন্দরকিল্লার অঙ্কুর প্রিন্টার্স নামের একটি ছাপাখানায় প্রতি বান্ডেল ৩০ টাকায় ছাপিয়ে আমি ৬০০ টাকায় বিক্রি করতাম। যেহেতু অনুমতি ছাড়া এসব ছাপানো হয়েছে, তাই একে জাল টাকা বলা যেতে পারে।”

এ বিষয়ে র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশে সরকার কাউকেই কোনো ধরনের টাকা ছাপানোর অনুমতি দেয়নি। আমরা এখান থেকে সত্যিকারের জাল দেশি-বিদেশি নোট উদ্ধার করেছি। অনলাইনের মাধ্যমে এসব টাকার লেনদেন হতো।”

তিনি আরও জানান, জাল টাকার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে অঙ্কুর প্রিন্টার্সের দুইজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে পুরো চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ক্যামিওতে রংপুরের দারুণ জয়

সিলেটের তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রামে অভিযান

বাকলিয়ার ফ্ল্যাটে দেশি-বিদেশি জালনোটের ‘গোডাউন’ উদ্ঘাটন

আপডেট সময় : ০৮:৪৩:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানা এলাকার একটি ভাড়া ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকার দেশি-বিদেশি জালনোট উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। এ সময় তানজিম (২০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে বহদ্দারহাটের নুরনগর হাউজিং সোসাইটির একটি বিল্ডিংয়ের ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে এসব জাল টাকা উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, সিলেটে র‌্যাবের একটি দলের অভিযানে জাল টাকাসহ একজনকে আটক করা হয়েছিল। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গ্রেপ্তার যুবক তানজিম বলেন, “টাকাগুলো শুটিংয়ের কাজে ব্যবহারের জন্য ছাপানো হয়েছে। আন্দরকিল্লার অঙ্কুর প্রিন্টার্স নামের একটি ছাপাখানায় প্রতি বান্ডেল ৩০ টাকায় ছাপিয়ে আমি ৬০০ টাকায় বিক্রি করতাম। যেহেতু অনুমতি ছাড়া এসব ছাপানো হয়েছে, তাই একে জাল টাকা বলা যেতে পারে।”

এ বিষয়ে র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশে সরকার কাউকেই কোনো ধরনের টাকা ছাপানোর অনুমতি দেয়নি। আমরা এখান থেকে সত্যিকারের জাল দেশি-বিদেশি নোট উদ্ধার করেছি। অনলাইনের মাধ্যমে এসব টাকার লেনদেন হতো।”

তিনি আরও জানান, জাল টাকার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে অঙ্কুর প্রিন্টার্সের দুইজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে পুরো চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

এমআর/সবা