কক্সবাজারের রামুতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি বড় বোমা পাওয়া গেছে। রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের লট উখিয়ারঘোনা তচ্ছাখালী এলাকায় বোমাটি পাওয়া যায়। মূলত এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবিস্ফোরিত বোমা। যা নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করা হবে।
শনিবার রাতে রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, রামুতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি বড় বোমা পাওয়া গেছে। মূলত বোমাটি একটি পুকুরে ছিল। যা ১০ বছর আগে স্থানীয় কেউ পুকুর থেকে তুলে পাড়ে রেখেছিল। এই বোমাটিতে গেলো ১০ বছর ধরে স্থানীয়রা কাপড় ধোঁয়ার কাজও করেছে।
মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, স্থানীয় এক সচেতন নাগরিক বোমার বিষয়টি পুলিশকে জানালে শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। এরপর বোমাটি নিরাপদ স্থানে রেখে চারপাশে সংরক্ষিত করার পাশাপাশি নজরদারিতে রাখা হয়েছে। পরে বিষয়টি সেনাবাহিনীকে অবহিত করা হয়। সেনাবাহিনীও ঘটনাস্থলে যায় এবং বোমাটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
এরপর গত বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে রামুর ইতিহাস গবেষক আইনজীবী শিরূপন বড়ুয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বোমা সদৃশ বস্তুটির দুটি ছবি শেয়ার করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই বস্তুটিকে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের অবিস্ফোরিত বোমা বলে দাবী করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
শিরূপন বড়ুয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি শেয়ার করে লেখেন- ‘২য় বিশ্বযুদ্ধের বোমা! এই বোমাটার উপর নাকি অনেকদিন যাবত মানুষ কাপড়কাচার কাজ করত! এটাতে এক্সপ্লোসিভ আছে কিনা পরীক্ষা করা দরকার। না থাকলে সংরক্ষণ করা উচিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মারক হিসেবে। এটাও তো রামুর ইতিহাসের অংশ।’
ইতিহাস গবেষক আইনজীবী শিরূপন বড়ুয়া জানিয়েছেন, বোমা সদৃশ বস্তুটির বিষয় তিনি অনেক আগেই জেনেছিলেন। নিজের আগ্রহ থেকে বৃহষ্পতিবার তিনি এবং শিক্ষক সুমথ বড়ুয়া সেটি দেখতে গিয়েছিলেন। তাঁর ধারনা হয়তো এটি জাপানের তৈরী এবং বর্তমানে এটি নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়দের মতো তিনিও এটি দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের অবিস্ফোরিত বোমা বলে ধারনা করেছেন। বস্তুটির আকার প্রস্ত গাসের সিলিন্ডারের মতো এবং দৈর্ঘ্য আরও বেশী।
এদিকে বোমা সদৃশ বস্তুটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে, সাধারণ মানুষের মাঝে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
শু/সবা




















