০২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন হারুন আর নেই

বেগমগঞ্জের দরবেশপুর আসলাম মিয়া বাড়ি নিবাসী বীর মুক্তি যোদ্ধা মহিউদ্দিন হারুন আজ বুধবার বিকেল ৪:২০ মিনিটে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।

মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন হারুন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং জেলার বিভিন্ন এলাকায় যুদ্ধে নেতৃত্ব প্রদান করেছিলেন। স্বাধীনতার পরও তিনি মুক্তিযোদ্ধা সমাজে সমাজসেবামূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

আগামীকাল বুধবার সকাল ১০ টায় নিজ বাড়িতে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পারিবারিক গোরস্তানে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে। জানাজার অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় মানুষজন ও পরিবারের সদস্যরা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন।

মহিউদ্দিন হারুন শুধু একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেই নয়, সমাজসেবার মাধ্যমে এলাকাবাসীর কাছে সুপরিচিত ছিলেন। তিনি অসংখ্য যুব ও শিক্ষার্থীর মধ্যে দেশপ্রেমের চেতনা জাগ্রত করেছিলেন। তার মৃত্যুতে বেগমগঞ্জ উপজেলা, নোয়াখালী জেলা এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান শোক প্রকাশ করেছে।

উল্লেখযোগ্য, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ছিলেন। স্থানীয় স্কুল ও কলেজে জাতীয় দিবস উদযাপন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতেন। স্থানীয়দের কাছে তিনি ছিলেন দক্ষ, দয়ালু ও অনুপ্রেরণাদায়ক ব্যক্তিত্ব।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মহিউদ্দিন হারুন দীর্ঘদিন ধরে নানা রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুর আগে তিনি পরিবারের সঙ্গে স্বাধীনতার সংগ্রামের গল্প ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছিলেন। পরিবার শোকাহত হলেও তাঁর আত্মত্যাগ ও অবদান চিরদিন স্মৃতিতে থাকবে।

তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক দল, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো। তারা জানান, মহিউদ্দিন হারুন একজন অমূল্য মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজসেবক ছিলেন, তাঁর মৃত্যু দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন হারুন আর নেই

আপডেট সময় : ১০:০৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

বেগমগঞ্জের দরবেশপুর আসলাম মিয়া বাড়ি নিবাসী বীর মুক্তি যোদ্ধা মহিউদ্দিন হারুন আজ বুধবার বিকেল ৪:২০ মিনিটে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।

মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন হারুন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং জেলার বিভিন্ন এলাকায় যুদ্ধে নেতৃত্ব প্রদান করেছিলেন। স্বাধীনতার পরও তিনি মুক্তিযোদ্ধা সমাজে সমাজসেবামূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

আগামীকাল বুধবার সকাল ১০ টায় নিজ বাড়িতে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পারিবারিক গোরস্তানে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে। জানাজার অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় মানুষজন ও পরিবারের সদস্যরা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন।

মহিউদ্দিন হারুন শুধু একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেই নয়, সমাজসেবার মাধ্যমে এলাকাবাসীর কাছে সুপরিচিত ছিলেন। তিনি অসংখ্য যুব ও শিক্ষার্থীর মধ্যে দেশপ্রেমের চেতনা জাগ্রত করেছিলেন। তার মৃত্যুতে বেগমগঞ্জ উপজেলা, নোয়াখালী জেলা এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান শোক প্রকাশ করেছে।

উল্লেখযোগ্য, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ছিলেন। স্থানীয় স্কুল ও কলেজে জাতীয় দিবস উদযাপন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতেন। স্থানীয়দের কাছে তিনি ছিলেন দক্ষ, দয়ালু ও অনুপ্রেরণাদায়ক ব্যক্তিত্ব।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মহিউদ্দিন হারুন দীর্ঘদিন ধরে নানা রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুর আগে তিনি পরিবারের সঙ্গে স্বাধীনতার সংগ্রামের গল্প ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছিলেন। পরিবার শোকাহত হলেও তাঁর আত্মত্যাগ ও অবদান চিরদিন স্মৃতিতে থাকবে।

তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক দল, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো। তারা জানান, মহিউদ্দিন হারুন একজন অমূল্য মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজসেবক ছিলেন, তাঁর মৃত্যু দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

এমআর/সবা