ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে কৃষক দল মহানগর উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রুবিনা আক্তার রুবা। বিশেষ করে ঢাকা-১৬, ১৭ ও ১৮ আসনকে কেন্দ্র করে তার সম্ভাব্য মনোনয়ন নিয়ে দলের অঙ্গসংগঠনে তৎপর আলোচনা চলছে।
বর্তমানে তিনি জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা রুবিনা আক্তার রুবা শৈশব থেকেই জিয়াউর রহমান-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত ছিলেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা শেষ করে তিনি আইন পেশায় যুক্ত হন এবং আদালতের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাদের আইনি সহায়তায় সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।
২০১৫ সালে নিহার হোসেন ফারুক অ্যাসোসিয়েটস-এ সহকারী আইনজীবী হিসেবে যোগদানের পর তিনি বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের পক্ষে একাধিক মামলায় লড়াই করেছেন। উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, হাসান জাফির তুহিন, শহীদুল ইসলাম বাবুল, আশজাদুল আরিশ ডল, রাজীব আহসান, হাবিবুর রশীদ হাবিব, আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, বজলুল করীম চৌধুরী আবেদ, আনিছুর রহমান তালুকদার খোকন এবং শফিকুর রহমান মিঠু।
ছাত্রজীবনে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ক্যাম্পাসভিত্তিক ছাত্রদলের রাজনীতি-তে সক্রিয় ছিলেন। পরবর্তীতে কৃষক দল মহানগর উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে অংশগ্রহণ করেছেন।
আইন পেশা ও রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সক্রিয়। ২০১৪ সালে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে নিজের অর্থায়নে ‘নুহান নুম নুরানী ফোরকানিয়া মাদ্রাসা’ প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এটি হাফেজিয়া শাখায় উন্নীত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। প্রতি বছর শতাধিক শিশু-কিশোর এখানে বিনামূল্যে কোরআন শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে।
দলীয় সূত্র জানায়, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, আইনি দক্ষতা এবং তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ককে সামনে রেখে রুবিনা আক্তার রুবা সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। মনোনয়ন পেলে তিনি সংসদে নারীর অধিকার, আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক চর্চা জোরদার করার অঙ্গীকার করেছেন।
এখন শুধু দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা। তবে আইন ও রাজনীতির সমন্বয়ে তার সক্রিয় উপস্থিতি ইতোমধ্যেই তাকে আলোচনার কেন্দ্রে এনেছে।
শু/সবা
সবুজ বাংলা অনলাইন 























