ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। ইসলামাবাদ-এ আলোচনার প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হলেও, একই সঙ্গে বিভিন্ন পক্ষের অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-সহ ইসরায়েল-এর অনেক রাজনীতিক চান এই আলোচনা ব্যর্থ হোক। তাদের মতে, আলোচনা সফল হলে ইরান ও লেবানন—দুই ক্ষেত্রেই সামরিক পদক্ষেপ সীমিত হয়ে যেতে পারে।
বর্তমানে ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর মধ্যস্থতায় যুদ্ধ সাময়িকভাবে থেমে থাকলেও বিশ্লেষকদের মতে, এটি ইসরায়েলের জন্য খুব অনুকূল পরিস্থিতি নয়। কারণ তারা দুই ফ্রন্টেই কৌশলগত সুবিধা ধরে রাখতে চায়।
এদিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ হিজবুল্লাহর প্রধান নাঈম কাসেম-কে হুমকি দিয়ে বলেছেন, তাকে ‘চড়া মূল্য’ দিতে হবে। একই সঙ্গে লেবানন সরকারকে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, পাকিস্তান আলোচনার আয়োজন সফল করতে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। বিশ্লেষক নিলোফার আফ্রিদি কাজি জানিয়েছেন, দুই দেশের প্রতিনিধিদের আলোচনার টেবিলে আনতে দিন-রাত কাজ করছে ইসলামাবাদ। শহরের বিভিন্ন অংশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে লকডাউন চলছে।
তবে এখনও স্পষ্ট নয়, আলোচনা কবে শুরু হবে বা আদৌ হবে কি না। ওয়াশিংটন ও তেহরান-এর বক্তব্য দিন দিন কঠোর হয়ে ওঠায় অনিশ্চয়তা বাড়ছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আলোচনা শুরু না হলে তা স্থগিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সব মিলিয়ে, কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও পরিস্থিতি অত্যন্ত স্পর্শকাতর অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো সময় তা নতুন মোড় নিতে পারে।
শু/সবা
























