ওমান সাগরে মার্কিন জাহাজে ইরানের ড্রোন হামলা, উত্তেজনা বৃদ্ধি » দৈনিক সবুজ বাংলা
০৮:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওমান সাগরে মার্কিন জাহাজে ইরানের ড্রোন হামলা, উত্তেজনা বৃদ্ধি

ছবি: সংগৃহীত

ওমান সাগরে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক জাহাজ লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। সোমবার (২০ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে তাসনিম নিউজ এজেন্সি

ইরানি সূত্র অনুযায়ী, এর আগে ইরানের পতাকাবাহী একটি জাহাজ জব্দ করে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় মার্কিন নৌবাহিনী। এর জবাব হিসেবেই এই ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে বিবিসি জানিয়েছে, হামলায় মার্কিন সামরিক জাহাজটির কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর এখনো পাওয়া যায়নি।

জাহাজ জব্দের পর ইরানের সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট খাতাম আল-আনবিয়া সতর্ক করে বলেছিল, এই পদক্ষেপ যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন এবং এর কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, টানা ৪০ দিনের সংঘাতের পর গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শুরু হয়, যা আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা।

যুদ্ধবিরতির মধ্যে ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ-এ দুই দেশের প্রতিনিধিরা বৈঠকে বসেছিল। প্রায় ২১ ঘণ্টার আলোচনা হলেও কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো যায়নি।

এরপর ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, তিনি আবারও আলোচনার জন্য প্রতিনিধিদল পাঠাবেন। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান শর্ত না মানলে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

তবে সাম্প্রতিক জাহাজ জব্দের ঘটনার পর নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনা অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইসলামাবাদে পরবর্তী আলোচনায় ইরান কোনো প্রতিনিধি পাঠাবে না।

শু/সবা
জনপ্রিয় সংবাদ

সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত

ওমান সাগরে মার্কিন জাহাজে ইরানের ড্রোন হামলা, উত্তেজনা বৃদ্ধি

আপডেট সময় : ০৩:২২:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ওমান সাগরে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক জাহাজ লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। সোমবার (২০ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে তাসনিম নিউজ এজেন্সি

ইরানি সূত্র অনুযায়ী, এর আগে ইরানের পতাকাবাহী একটি জাহাজ জব্দ করে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় মার্কিন নৌবাহিনী। এর জবাব হিসেবেই এই ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে বিবিসি জানিয়েছে, হামলায় মার্কিন সামরিক জাহাজটির কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর এখনো পাওয়া যায়নি।

জাহাজ জব্দের পর ইরানের সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট খাতাম আল-আনবিয়া সতর্ক করে বলেছিল, এই পদক্ষেপ যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন এবং এর কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, টানা ৪০ দিনের সংঘাতের পর গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শুরু হয়, যা আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা।

যুদ্ধবিরতির মধ্যে ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ-এ দুই দেশের প্রতিনিধিরা বৈঠকে বসেছিল। প্রায় ২১ ঘণ্টার আলোচনা হলেও কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো যায়নি।

এরপর ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, তিনি আবারও আলোচনার জন্য প্রতিনিধিদল পাঠাবেন। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান শর্ত না মানলে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

তবে সাম্প্রতিক জাহাজ জব্দের ঘটনার পর নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনা অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইসলামাবাদে পরবর্তী আলোচনায় ইরান কোনো প্রতিনিধি পাঠাবে না।

শু/সবা