ভারতকে ‘নোংরা জায়গা’ বলায় সমালোচনায় ট্রাম্প, কড়া প্রতিক্রিয়া দিল নয়াদিল্লি » দৈনিক সবুজ বাংলা
০৪:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতকে ‘নোংরা জায়গা’ বলায় সমালোচনায় ট্রাম্প, কড়া প্রতিক্রিয়া দিল নয়াদিল্লি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতকে ‘নোংরা জায়গা’ হিসেবে উল্লেখ করায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তার এ মন্তব্যের জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত, যা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ভারত ও চীনকে লক্ষ্য করে বলেন, “একজন শিশু এখানে তাৎক্ষণিকভাবে নাগরিক হয়ে যায়। এরপর তারা চীন ও ভারতসহ অন্যান্য নোংরা জায়গা থেকে পুরো পরিবারকে নিয়ে আসে।” তার এই বক্তব্যকে বর্ণবাদী ও কুরুচিপূর্ণ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা।

ট্রাম্পের মন্তব্যের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জসওয়াল বলেন, “এ ধরনের মন্তব্য স্পষ্টতই তথ্যহীন, অনুপযুক্ত এবং কুরুচিপূর্ণ। এটি কোনোভাবেই ভারত–মার্কিন সম্পর্কের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে না।” তিনি আরও বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির সম্পর্ক কিছুটা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এর পেছনে অতীতের কিছু রাজনৈতিক অবস্থানও ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে, গত বছরের ভারত–পাকিস্তান উত্তেজনা নিয়ে মধ্যস্থতার দাবি করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, যা সরাসরি স্বীকার করেনি ভারত। এরপর থেকেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ট্রাম্পের সম্পর্ক শীতল হয়ে ওঠার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই মন্তব্য শুধু দুই দেশের সম্পর্কেই প্রভাব ফেলতে পারে না, বরং বৈশ্বিক পর্যায়ে রাজনৈতিক ভাষার ব্যবহার নিয়েও নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

জঁ-পল সার্ত্রের ‘ম সঁ স্কাপটুর’’ অবলম্বনে ‘চেম্বার অব বিয়িং’ উৎসবে বধ্যভূমি’র বিশেষ প্রদর্শনী

ভারতকে ‘নোংরা জায়গা’ বলায় সমালোচনায় ট্রাম্প, কড়া প্রতিক্রিয়া দিল নয়াদিল্লি

আপডেট সময় : ০৫:১৮:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতকে ‘নোংরা জায়গা’ হিসেবে উল্লেখ করায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তার এ মন্তব্যের জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত, যা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ভারত ও চীনকে লক্ষ্য করে বলেন, “একজন শিশু এখানে তাৎক্ষণিকভাবে নাগরিক হয়ে যায়। এরপর তারা চীন ও ভারতসহ অন্যান্য নোংরা জায়গা থেকে পুরো পরিবারকে নিয়ে আসে।” তার এই বক্তব্যকে বর্ণবাদী ও কুরুচিপূর্ণ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা।

ট্রাম্পের মন্তব্যের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জসওয়াল বলেন, “এ ধরনের মন্তব্য স্পষ্টতই তথ্যহীন, অনুপযুক্ত এবং কুরুচিপূর্ণ। এটি কোনোভাবেই ভারত–মার্কিন সম্পর্কের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে না।” তিনি আরও বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির সম্পর্ক কিছুটা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এর পেছনে অতীতের কিছু রাজনৈতিক অবস্থানও ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে, গত বছরের ভারত–পাকিস্তান উত্তেজনা নিয়ে মধ্যস্থতার দাবি করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, যা সরাসরি স্বীকার করেনি ভারত। এরপর থেকেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ট্রাম্পের সম্পর্ক শীতল হয়ে ওঠার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই মন্তব্য শুধু দুই দেশের সম্পর্কেই প্রভাব ফেলতে পারে না, বরং বৈশ্বিক পর্যায়ে রাজনৈতিক ভাষার ব্যবহার নিয়েও নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

শু/সবা