১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় ককটেল বিস্ফোরণ ও আ’ লীগ নেতাকে জখমে বিএনপির বাদশা-হেনাসহ ৮৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • সবুজ বাংলা
  • আপডেট সময় : ১০:৩৫:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩
  • 102
বগুড়া ব্যুরো
বগুড়ায় হরতালের দিনে ককটেল বিস্ফোরণ ও আওয়ামীলীগ নেতা জুয়েলকে জখম করায় জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা ও সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর তালুকদার হেনাসহ ৮৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।
জেলা আওয়ামী লীগে দপ্তর সম্পাদক আল রাজী জুয়েল বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় সোমবার রাতে এই মামলা করেন।
বিস্ফোরক আইনে মামলা হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইহান ওলিউল্লাহ। এ পর্যন্ত এ মামলায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি। গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
গত ২৯ অক্টোবর সারাদেশে বিএনপির ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল চলাকালে বগুড়ায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নাশকতা চালানো হয়।
সেদিন বিএনপির নেতাকর্মীদের ককটেল বিস্ফোরণে হওয়ার কথা জানিয়ে আল রাজি জুয়েল বলেন, মামলায় বগুড়া জেলা বিএনপির ৮৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে আরও অনেককে।
জনপ্রিয় সংবাদ

মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ক্যামিওতে রংপুরের দারুণ জয়

বগুড়ায় ককটেল বিস্ফোরণ ও আ’ লীগ নেতাকে জখমে বিএনপির বাদশা-হেনাসহ ৮৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ১০:৩৫:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩
বগুড়া ব্যুরো
বগুড়ায় হরতালের দিনে ককটেল বিস্ফোরণ ও আওয়ামীলীগ নেতা জুয়েলকে জখম করায় জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা ও সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর তালুকদার হেনাসহ ৮৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।
জেলা আওয়ামী লীগে দপ্তর সম্পাদক আল রাজী জুয়েল বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় সোমবার রাতে এই মামলা করেন।
বিস্ফোরক আইনে মামলা হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইহান ওলিউল্লাহ। এ পর্যন্ত এ মামলায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি। গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
গত ২৯ অক্টোবর সারাদেশে বিএনপির ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল চলাকালে বগুড়ায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নাশকতা চালানো হয়।
সেদিন বিএনপির নেতাকর্মীদের ককটেল বিস্ফোরণে হওয়ার কথা জানিয়ে আল রাজি জুয়েল বলেন, মামলায় বগুড়া জেলা বিএনপির ৮৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে আরও অনেককে।