রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে লটকন চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। পরিত্যক্ত জমি ও বাঁশঝাড়ের ফাঁকা জায়গা কাজে লাগিয়ে কম খরচে এ ফলের চাষ করছেন তারা। রোগবালাই কম এবং বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় দিন দিন এ অঞ্চলে লটকন চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।
উপজেলার একবারপুর ও এনায়েতপুর আদিবাসী পাড়ায় ছায়াযুক্ত স্থানে গড়ে উঠেছে একাধিক লটকনের বাগান। গাছগুলো আকারে খুব বড় না হলেও থোকায় থোকায় ফলে ভরে উঠেছে। বর্তমানে এলাকায় নতুন নতুন লটকন বাগানও গড়ে উঠছে।
একবারপুর গ্রামের লটকন চাষি অভিজিৎ মণ্ডল জানান, প্রতি বছরই তাঁর গাছে প্রচুর লটকন ধরে। আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে ফল পাকে এবং বাড়ি থেকেই ক্রেতারা ফল কিনে নিয়ে যান। তাঁর বাগানে দুই জাতের লটকন গাছ রয়েছে। বর্তমানে ৬০টি গাছ থেকে চলতি মৌসুমে প্রায় দেড় লাখ টাকার লটকন বিক্রির আশা করছেন তিনি।
পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ বলেন, লটকন চাষের জন্য পীরগঞ্জের মাটি অত্যন্ত উপযোগী। একবার সঠিকভাবে গাছ রোপণ ও পরিচর্যা করলে প্রতিবছরই ফলন বাড়তে থাকে। এছাড়া ছায়াযুক্ত জায়গাতেও সহজেই এ ফলের বাগান গড়ে তোলা যায়।
তিনি আরও জানান, পীরগঞ্জের অনেক বাড়িতেই এখন লটকন গাছ রয়েছে এবং বাণিজ্যিকভাবে চাষে কৃষকদের আগ্রহ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। কৃষি বিভাগও এ ফলের চাষ সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
শু/সবা
রংপুর ব্যুরো: 





















