গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৯ জুন) রাত ১০টার দিকে উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের জুনদহ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় প্রায় এক ঘণ্টা ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় পূর্ববিরোধের জেরে বিএনপির কিছু কর্মী বরিশাল ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের এক নেতাকে মারধর করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে উভয় পক্ষের নেতা-কর্মীরা জুনদহ বাজারে জড়ো হলে রাত ১০টার দিকে সংঘর্ষ শুরু হয়।
সংঘর্ষে পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুস সামাদসহ অন্তত আটজন আহত হন। আহতদের মধ্যে তিনজনকে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত আবদুস সামাদকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, সংঘর্ষ চলাকালে জুনদহ বাজারের কয়েকটি দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু আলা মওদুদ দাবি করেন, জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে উপজেলা সভাপতিসহ তিনজনকে গুরুতর আহত করেছেন।
অন্যদিকে পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির কর্মীরা প্রথমে শিবিরের এক নেতাকে মারধর করেন। পরে দলবল নিয়ে এসে জামায়াত ও শিবিরের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে জামায়াতের এক শুরা সদস্যসহ চার থেকে পাঁচজন আহত হয়েছেন।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারওয়ার আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শু/সবা
সবুজ বাংলা অনলাইন 





















