পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘গত ১৫ বছরে প্রতিটি বাজেট বাস্তবায়নের হার ৯২-৯৭ শতাংশ। বাজেটের আকার ১৫ বছরে সাড়ে ১১ গুণ বেড়েছে। মাথাপিছু আয় সাড়ে পাঁচ গুণ বেড়েছে। জিডিপির আকার প্রায় ছয় গুণ বেড়েছে। দারিদ্র্য সীমার নিচে থাকা জনগোষ্ঠী ছিল ৪১ শতাংশ। সেখান থেকে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশে নেমেছে। অতি দারিদ্র্যের হার ২২ শতাংশ ছিল, সেখান থেকে সাড়ে পাঁচ শতাংশে নেমেছে।’
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) রাত ৯টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ৬২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
আজকে সংসদে প্রায় আট লাখ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ হয়েছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিবার বাজেট পেশ করার পর আপনারা দেখবেন বিএনপির পক্ষ থেকে একটা সংবাদ সম্মেলন করা হয়, বলা হয় এই বাজেট গণবিরোধী, গরিব মারার বাজেট, এই বাজেটে কোনও উপকার হবে না। বিএনপিসহ কিছু গোষ্ঠী আছে, তারা চোখে ভালো কিছু দেখে না। প্রকৃতপক্ষে গত ১৫ বছরে প্রতিটা বাজেট বাস্তবায়নের হার ৯২ থেকে ৯৭ শতাংশ।’
তিনি বলেন, ‘যারা নিজেদের জ্ঞানী বলে মনে করেন, কোনও কিছুতে ভুল না ধরলে তিনি যে জ্ঞানী এটা তো বোঝানো যায় না। সেজন্য সবকিছুতে ভুল ধরা তাদের অভ্যাস। সেজন্য তারা বলেন, এই বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য নয়। সবকিছুতে না বলার যে অপসংস্কৃতি এটি দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির জন্য বাধা।’
বাজেট যদি গরিবের উপকারে না আসতো তাহলে দারিদ্র্য ও অতিদারিদ্র্য কমতো না উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ‘মানুষের আয় সাড়ে পাঁচ গুণ বেড়েছে ডলারের অংকে, টাকার অংকে আরও বেশি। এটি সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী ও তার নেতৃত্বাধীন সরকারের বাস্তবসম্মত বাজেট প্রণয়ন এবং সেই বাজেট বাস্তবায়নের কারণে।’
চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি সালাউদ্দিন মো. রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, সিডিএর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ, জেলা প্রশাসক আবুল বাশার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান ও মহানগর পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় প্রমুখ।























