০৪:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রাইমারী স্কুলের জায়গা নিজ দখলে রেখে পরিচয় দেয় আমি জমি দাতা

চাকরির নেয়ার স্বার্থে অনাবাদি জমিতে স্কুল স্থাপন করে প্রধান শিক্ষক হয়ে যায় আঃ হান্নান রতন। পরে দলিল করার সময় নিজের ছোট ভাইকে জমি দাতা করে করে দাতা বানিয়ে নেয় আঃ হান্নান রতন।
নেত্রকোনা বারহাট্টা উপজেলা গুমুরিয়া গ্রামের মৃত ইব্রাহিমের ছেলে আঃ হান্নান রতন এমন কাজটি করে বহালতবিয়তে আছে।
 বিদ্যালয়টি ১৯৮৭ সালে সরকারকে ৪০ শতাংশ জায়গা দেখিয়ে  প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৩ সালে প্রথম ধাপে জাতীয়করণ হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত কাঠামোগত কোন উন্নয়ন হয়নি। স্কুলটি রাস্তার সাথে হওয়ায় গত কয়েক বছর আগে দূর্ঘটনা এড়াতে রাস্তার উপর দেয়াল নির্মান করে স্কুল টিকে জেলখানায় পরিনত করেছে। বর্তমানে স্কুলের দখলে ১০ শতাংশের  চেয়েও কম জায়গা আছে। স্কুলের ৪০ শতাংশ  জায়গা থাকার পরও জায়গা উদ্ধারের কোন পদক্ষেপ নেয় নি স্কুলের প্রধান শিক্ষক আঃ হান্নান রতন।  কারন এই স্কুলের জমি দাতা তার ছোট ভাই আঃ মান্নান স্বপন।   স্কুলে প্রায় ৭ বছর যাবৎ কোন কমিটি নেই। প্রতিবছরের উন্নয়ন খাতের টাকা কোথায় যায় কেউ জানে না।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় এই স্কুলের ভূমি দাতা আঃ মান্নান স্বপন কয়েক বেশকিছু  দিন আগে স্কুলের জায়গা খনন করে পুকুর দিয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় নিজের পরিচয় দেয়ার সময় বলে আমি গুমুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪০ শতাংশ জায়গা দিয়েছি। কয়েকবার স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি পরিবর্তন হয়েছে। এর পরও জমি উদ্ধারে কেউ পদক্ষেপ নেয়নি।
গত ৪ বছর আগে গুমুরিয়া গ্রামের ফজল হকের ছেলে মুজিবুর রহমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, শিক্ষা অফিসার বরাবর জমি উদ্ধারের অভিযোগ দিয়েও কোন সমাধান পায়নি।
গুমুরিয়া গ্রামের চান মিয়া বলেন  স্কুলে জায়গা সংকলনের কারনে নতুন ছাত্র ছাত্রী ভর্তি হতে অনাগ্রহী। যে কয়েকজন ছাত্র আছে এরা আবার ক্লাসে আসে না। স্কুলের জমিতে আঃ মান্নান স্বপন পুকুর দিয়ে মাছ চাষ করছে। স্কুলের বাচ্চারা এই জেলখানায় আসতে চায় না। খেলার মাঠ না থাকলে ছোট ছোট শিশু গুলো মানসিক ভাবে আক্রান্ত হবে। সে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের  মাঠকে নিজের সম্পদে পরিণত করেছে।
বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার ববি বলেন এই ব্যপারে লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাইমারী স্কুলের জায়গা নিজ দখলে রেখে পরিচয় দেয় আমি জমি দাতা

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪
চাকরির নেয়ার স্বার্থে অনাবাদি জমিতে স্কুল স্থাপন করে প্রধান শিক্ষক হয়ে যায় আঃ হান্নান রতন। পরে দলিল করার সময় নিজের ছোট ভাইকে জমি দাতা করে করে দাতা বানিয়ে নেয় আঃ হান্নান রতন।
নেত্রকোনা বারহাট্টা উপজেলা গুমুরিয়া গ্রামের মৃত ইব্রাহিমের ছেলে আঃ হান্নান রতন এমন কাজটি করে বহালতবিয়তে আছে।
 বিদ্যালয়টি ১৯৮৭ সালে সরকারকে ৪০ শতাংশ জায়গা দেখিয়ে  প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৩ সালে প্রথম ধাপে জাতীয়করণ হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত কাঠামোগত কোন উন্নয়ন হয়নি। স্কুলটি রাস্তার সাথে হওয়ায় গত কয়েক বছর আগে দূর্ঘটনা এড়াতে রাস্তার উপর দেয়াল নির্মান করে স্কুল টিকে জেলখানায় পরিনত করেছে। বর্তমানে স্কুলের দখলে ১০ শতাংশের  চেয়েও কম জায়গা আছে। স্কুলের ৪০ শতাংশ  জায়গা থাকার পরও জায়গা উদ্ধারের কোন পদক্ষেপ নেয় নি স্কুলের প্রধান শিক্ষক আঃ হান্নান রতন।  কারন এই স্কুলের জমি দাতা তার ছোট ভাই আঃ মান্নান স্বপন।   স্কুলে প্রায় ৭ বছর যাবৎ কোন কমিটি নেই। প্রতিবছরের উন্নয়ন খাতের টাকা কোথায় যায় কেউ জানে না।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় এই স্কুলের ভূমি দাতা আঃ মান্নান স্বপন কয়েক বেশকিছু  দিন আগে স্কুলের জায়গা খনন করে পুকুর দিয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় নিজের পরিচয় দেয়ার সময় বলে আমি গুমুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪০ শতাংশ জায়গা দিয়েছি। কয়েকবার স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি পরিবর্তন হয়েছে। এর পরও জমি উদ্ধারে কেউ পদক্ষেপ নেয়নি।
গত ৪ বছর আগে গুমুরিয়া গ্রামের ফজল হকের ছেলে মুজিবুর রহমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, শিক্ষা অফিসার বরাবর জমি উদ্ধারের অভিযোগ দিয়েও কোন সমাধান পায়নি।
গুমুরিয়া গ্রামের চান মিয়া বলেন  স্কুলে জায়গা সংকলনের কারনে নতুন ছাত্র ছাত্রী ভর্তি হতে অনাগ্রহী। যে কয়েকজন ছাত্র আছে এরা আবার ক্লাসে আসে না। স্কুলের জমিতে আঃ মান্নান স্বপন পুকুর দিয়ে মাছ চাষ করছে। স্কুলের বাচ্চারা এই জেলখানায় আসতে চায় না। খেলার মাঠ না থাকলে ছোট ছোট শিশু গুলো মানসিক ভাবে আক্রান্ত হবে। সে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের  মাঠকে নিজের সম্পদে পরিণত করেছে।
বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার ববি বলেন এই ব্যপারে লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।