নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার জগদল আদিবাসী স্কুল ও কলেজে এনটিআরসিএ এর সুপারিশ প্রাপ্ত শিক্ষককে ৮ বছরে এমপিওভুক্ত না করার অভিযোগ উঠেছে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ১৪ অক্টোবর (সোমবার) শিক্ষা অফিসার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষক মো. ছারোয়ার হোসেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিক্ষক ১ম গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মনোবিজ্ঞান বিষয়ে সুপারিশ পাওয়ার পর ওই প্রতিষ্ঠানে গত ২০১৬ সালেরভ১ নভেম্বর যোগদান করে অদ্যাবধি পর্যন্ত কর্মরত রয়েছেন। অধ্যক্ষের কারনে দীর্ঘ দিন যাবৎ সে এম.পি.ও ভূক্ত হতে পারেননি। নিরুপায় হয়ে সে এমপিওভূক্তির জন্য আইনের আশ্রয় নিয়ে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন করেন। ওই প্রতিষ্ঠানে তার যোগদানের পর ২য় গণবিজ্ঞপ্তি হতে ৪র্থ গণবিজ্ঞপ্তি পর্যন্ত অনেকেই নিয়োগ পেয়ে এমপিওভূক্ত হলেও তার বিষয়ে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না। কিন্তু ৫ম গণবিজ্ঞন্তিতে সুপারিশপ্রাপ্তরাও এমপিওভূক্তির জন্য আবেদন চলমান রেখেছেন। বিধিবর্হিভুত ভাবে সর্বশেষ এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো অনুযায়ী ৫ জন ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীর স্থলে বর্তমানে ৯ জন এমপিও ভূক্ত এবং ৩ জন ৩য় শ্রেণির কর্মচারীর স্থলে ৪ জন এমপিওভূক্ত করেছেন। এছাড়াও কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদটি না থাকলেও ১ জনকে নিয়োগ দিয়ে এমপিওভুক্ত করার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
অভিযোগে তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানের মামলা থাকা অবস্থায় চলমান মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এমপিও আবেদন করলে তা গ্রহণ করা হয়না। কিন্তু মামালা তথ্য গোপন করে একের পর এক এমপিওভূক্তির আবেদন করে এমপিওভূক্তও হচ্ছেন। যা সম্পূর্ণ এমপিও নীতিমালা বর্হিভূত। অপর দিকে এনটিআরসিএ থেকে সুপারিশকৃত প্রার্থী হয়েও এমপিওভূক্তিতে কালক্ষেপন করছেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষক ছারোয়ার হোসেন বলেন, আমি এনটিআরসিএ থেকে প্রথম গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে ওই প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাই। তিনি আমার এমপিওভুক্তির জন্য অসহযোগিতা করায় তার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করি। সেই মামলার তথ্য গোপন করে তিনি অন্যদের এমপিওভুক্ত করার জন্য আবেদন করেছেন।
এবিষয়ে জানতে অধ্যক্ষ মুঠোফোনে কল দিলে সেটি বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা শিক্ষা অফিসার মোহা. মোবারুল হোসেন বলেন, এবিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।






















