নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার মাঠে মাঠে সবুজের মাঝে ফুটে আছে সরিষার হলুদ ফুল। শীতের হাওয়ায় ছরিয়ে সুবাস, মধু আহরণে ফুলে ফুলে বসেছে মৌমাছি। সেই সাথে সরিষার হলুদ ফুলে মনোমুগ্ধ হয়ে ছবি তুলছে শিশু কিশোর কিশোরী সহ বিভিন্ন বয়সী নারী পুরুষ যেন পহেলা বৈশাখে ন্যায় হলুদ শাড়ী পরার এক মহাআনন্দে। যতদুর চোখ যায় শুধু হলুদের সমাহার।
২০২৫-২০২৬ মৌশুমে বদলগাছী উপজেলার ৯ হাজার বিঘা জমিতে সরিষার চাষাবাদ হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকুল থাকলে কৃষকরা সরিষার বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছে। উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানাযায় সরিষা চাষাবাদের লক্ষ্য মাত্রা ছিল ২৭৬০ হেক্টর জমিতে। কিন্তÍ অর্জন হয়েছে ৩০০০ হাজার হেক্টর জমিতে। যথাসময়ে সরকারী পর্যায় থেকে কৃষকদের মাঝে বিনা মূল্যে সরিষার বীজসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরন করা হয়।
শুরুর দিকে সরিষা ক্ষেত্রে পোকামাকরের আক্রমণ দেখা দিয়েছিল। কিন্তু কৃষকদের নিবিড় পরিচর্যা এবং মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যথাযথ পরামর্শ ও অন্যান্য কারিগরি সহযোগিতায় তা প্রতিহত করা সম্ভব হয়। এখন কৃষকরা সরিষার বাম্পর ফলন আশা করছে। সবচেয়ে বেশী সরিষার আবাদ হয়েছে বদলগাছী সদর, মথুরাপুর, আধাইপুর, কোলা ও পাহাড়পুর ইউনিয়নে।
ঝাড়ঘরিয়া গ্রামের কৃষক শ্রী অনিল চন্দ্র ও খামার আক্কেলপুর গ্রামের আতাউর রহমানসহ কতিপয় কৃষক বলেন, এবার ফলন ভালো হবে। আর এতে করে কৃষকরা নায্য মুল্য পেয়ে লাভবান হবে। উপজেলা কৃষি অফিসার সাবাব ফাহান বলেন, তুলনামুলক উৎপাদনের কম খরচের কারণে আমন ও ইরি- বেরো আবাদের মধ্যবর্দী সময়ে সরিষা চাষ অধিক লাভজনক। চলতি মৌশুমে ৩ হাজার হেক্টর অর্থাৎ ৯ হাজার বিঘা জমিতে সারিষা চাষাবাদ হয়েছে।
সরিষার উল্লেখযোগ্য জাতগুলোর মধ্যে বারি সরিষা১৪, বারি সরিষা ১৮, বারি সরিষা ১৫, বিনা সরিষা ৯, ও বিনা ১১ অন্যতম। তিনি আরো জানান উপজেলায় ৯ হাজার বিঘা জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে এবং প্রতিতে বিঘা জমিতে ৭ থেকে ৮ মন করে ফলন হতে পারে। যাতে করে উপজেলায় ৬৩ হাজার থেকে ৭২ হাজার মন সরিষা পাওয়া যাবে।
শু/সবা





















