যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটির ননীফল নার্সারির মালিক খন্দকার কবীর হোসেনের নামে মিথ্যা মামলার অভিযোগ উঠেছে। অর্থ তছরুপের ঘটনায় ধরা পড়ার পর তারই প্রতিষ্ঠানের সাবেক মার্কেটিং অফিসার সাব্বির খান মামলাটি করেন। খন্দকার কবীরের দাবি, মামলায় মনগড়া কল্পকাহিনী সাজানো হয়েছে। সাব্বিরের প্রতি মাসে বেতনের টাকা উত্তোলনের শীর্টও তার কাছে সংরক্ষিত আছে।
গত ২৭ অক্টোবর আদালতে দায়ের করা
মামলায় ঝিনাইদহ মহেশপুরের মালাধরপুর গ্রামের মোতালেব খানের ছেলে সাব্বির উল্লেখ করেছেন, চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা মল্লিকপাড়ার মেসার্স ননীফল ইউনানী ঔষধালয়ের মার্কেটিং অফিসার পদে কর্মরত ছিলেন। ননীফল ইউনানী ঔষধালয়ের মালিক কবিরকে ১ লাখ টাকা জামানত দিয়ে তিনি ২০২২ সালের ১ আগস্ট চাকরি নেন। চুক্তি অনুযায়ী সাব্বিরের মাসিক বেতন ছিল ২৫ হাজার টাকা। কয়েক মাস বেতন ঠিকমত দিয়ে গত ৯ মাস নানা অজুহাতে তাকে বেতন না দিয়ে ঘোরাতে থাকে কবির হোসেন। সাব্বির পরে জানতে পারে মেসার্স ননীফল ইউনানী ঔষধালয়ের তৈরী ওষুধ ভেজাল ও নকল। বিবেকের তাড়নায় ও ঠিকমত বেতন না দেয়ায় চলতি বছরের ২২ সেপ্টেম্বর সাবিবর হোসেন স্বেচ্ছায় চাকরি থেকে অব্যহতি নেন। তার কাছে বকেয়া বেতনের ২ লাখ ২৫ হাজার ও জামানতের ১ লাখসহ সাড়ে ৩ লাখ টাকা পাওনা হয়। পাওনা টাকা চাইলে কবির হোসেন না দিয়ে ঘোরাতে থাকে। গত ২৫ অক্টোবর সাবিবর হোসেন পাওনা টাকা চাইতে কবির হোসেনের বাড়িতে যান। এ সময় বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে কবির হোসেন সাব্বিরকে বেদম মারপিট করে গুরুতর আহত করে।
এদিকে খন্দকার কবীর হোসেন জানিয়েছেন, তার প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য কোন কর্মকর্তা-কর্মচারীর জামানত দিতে হয়না। সাব্বির খানের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা জামানত নেয়া হয়নি। চাকরিতে যোগদানের পর থেকে প্রতি মাসে সাব্বির বেতনের টাকা উত্তোলন করেছেন। প্রমাণ হিসেবে তার স্বাক্ষরিত বেতন শীর্টের কপি সংরক্ষিত আছে। খন্দকার কবীর জানান, সাব্বির গোপনে তার ব্যবসার টাকা তছরুপ করেছেন। বিষয়টি জেনে ফেলার কারণে সাব্বির মিথ্যা কল্পকাহিনি সাজিয়ে তার নামে আদালতে মিথ্যা মামলা করেছেন। সঠিক তদন্ত করলেই সত্যতা বেরিয়ে আসবে। কবীর হোসেন আরও জানান, ননীফল ঔষধালয়ের ভেজাল ও নকল ওষুধ তৈরি করা হয়না। ব্যবসায়ীক সুনাম নষ্ট করার জন্য সাব্বির মিথ্যাচার করছেন।





















