কুড়িগ্রামের চিলমারীতে রংপুর বিভাগের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো আব্দুল খালেকের কুশপুত্তলিকা দাহ করে নবগঠিত উপজেলা আহবায়ক কৃষকদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে পদ বঞ্চিত নেতা কমীরা।
গত ১৪ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তা বাদী কৃষকদলের কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহবায়ক রিপন রহমান ও সদস্য সচিব রুকুজ্জামান খন্দকার ( জি.এস) স্বাক্ষরিত মো. লৎফুল হায়দার লিপ্টনকে আহবায়ক ও আবু হানিফা সাদ্দামকে সদস্য সচিব করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের ৩১ সদস্য বিশিষ্ঠ উপজেলা আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেন। এই কমিটিতে আওয়ামী লীগ দোসরদের অন্তর্ভুক্ত, স্বজন-প্রীতি ও একতরফা কৃষকদল কমিটি বাতিলের প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে থানাহাট ইউনিয়নের মাটিকাটা মোড় থেকে সাবেক কৃষকদলের নেতাকর্মীরাদের বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিল টি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে এসে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপির রংপুর বিভাগের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেকের কুশপুত্তলিকা দাহ করে এবং নবগঠিত চিলমারী উপজেলা কৃষকদলের কমিটিকে প্রত্যাখ্যান করে রাখেন উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সাধারন সম্পাদক মজিবুর রহমান, কৃষক দলের নেতা সিরাজুল ইসলাম আপন, সাজেদুর রহমান সুজা, থানাহাট ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি আতাউর রহমান ফুলমিয়া, সাধারণ সম্পাদক সাজু মিয়া প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন, ১৪ নভেম্বর কুড়িগ্রাম জেলা কৃষকদলের আওতাধীন চিলমারী উপজেলার কৃষকদলের আহবায়ক নবগঠিত কমিটি অনুমোদন করেন জেলা কৃষক দলের আহবায়ক ও সদস্য সচিব, এমনতা অবস্থায় চিলমারী উপজেলা কৃষকদলের পূর্ব কমিটির নেতৃবৃন্দ বিভ্রান্তে রয়েছে, কোনরকম প্রেস বিজ্ঞপ্তি-তে কমিটি বিলুপ্ত না করেই আওয়ামী লীগ দোসরদের অন্তর্ভুক্ত, স্বজন-প্রীতি ও একতরফা কমিটি প্রকাশ করেছে জেলা কৃষক দল। তারা আরও বলেন, চিলমারী উপজেলা কৃষক দল নেতৃবৃন্দ, এই অসংগঠনিক, স্বজন-প্রীতি ও একতরফা আওয়ামী লীগ দোসরদের কমিটিকে প্রত্যাখ্যান করছি।
নবগঠিত উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক মো. লৎফুল হায়দার লিপ্টন বলেন,এই কমিটিতে বিএনপির পরিক্ষিত নেতা কমীরাই রয়েছে। যারা আজ কমিটির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে তারাই আসলে আওয়ামী লীগের দোসর।






















