১১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লা’য় গ্রাম্য সালিশে প্রতিপক্ষের হামলা’য় ৫ জন আহত

কুমিল্লা লালমাই উপজেলার ভূলইন উত্তর ইউনিয়নের বড়তুলা আনন্দ বাজার এলাকায় গ্রাম্য সালিশে ডেকে নিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের এবিএম ওমর ফারুক সুমনের উপস্থিতিতে সন্ত্রাসী হামলা’র অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলা’য় বেশ কয়েকজন আহতসহ গুরুতর আহত হন একজন।
রবিবার (১ ডিসেম্বর) বিকালে লালমাই থানাধীন বড়তুলা আনন্দপুর বাজারস্থ প্রকাশ্যে এই হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫/১১/২০২৪ইং দুপুর আনুমানিক ১টা’য় চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগমোহনপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের পুত্র ইকবাল হোসেন শামিম(৩৩) ও তাহার ভগ্নিপতি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার দক্ষিণ কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত. সফিকুর রহমানের পুত্র সোলেমান(৩৫) এ দুই ব্যক্তিকে অপহরণ করিয়া লালমাই উপজেলাস্থ চন্দ্রপুর নারানিয়া গ্রামের মৃত.রব্বান আলীর পুত্র রুহুল আমিনের বসত ঘরে আটক করিয়া রেখে সন্ত্রাসীরা মুক্তিপণ দাবি করেন। সে সময় ভিকটিম শামিম ও সোলেমান সুকৌশল অবলম্বন করিয়া তাহাদের ফোন থেকে ৯৯৯ নাম্বারে কল করিলে ঘটনাস্থল রুহুল আমিনের ঘর হইতে লালমাই থানার পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় দুই ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। অত্র ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভূলইন উত্তর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের এবিএম ওমর ফারুক সুমন অদ্য ১/১২/২০২৪ইং ভিকটিম এবং অপহরণ করার মূল হোতা চন্দ্রপুর নারানিয়া গ্রামের মৃত.রব্বান আলীর পুত্র রুহুল আমিনের গ্রাম্য সালিশ করার উদ্দেশ্যে বড়তুলা আনন্দ বাজারে ৩ঘটিকায় উপস্থিত থাকার পরামর্শ দেন। সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ওমর ফারুক সুমনের অনুরোধে ভিকটিম ইকবাল হোসেন শামিম(৩৩) ও সোলেমান ঘটনাস্থলে পৌছা মাত্রই লালমাই থানাধীণ চন্দ্রপুর নারানিয়া গ্রামের সাবেক মেম্বার দেলোয়ার হোসেন, রুহুল আমিন,মোহন,কামাল,শাহিন ও লক্ষীপুর গ্রামের মীর হোসেন,জামাল,হারুন মিয়াসহ অজ্ঞাত ২০/২৫জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ভিকটিম সোলেমান,ইকবাল হোসেন শামীমের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলার সময় আহতদের আর্তচিৎকারে গ্রামের বিভিন্ন স্থান হইতে লোকজন এসে আহতদের উদ্ধার করে থাকে। এতে ধসোলেমান গুরুতর আহত হয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এছাড়াও ভিকটিমের আরো ৪জন ব্যক্তি আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লালমাই থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ইকবাল হোসেন শামীম। লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শাহ আলম বলেন- লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত প্রক্রিয়াধীন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হইবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লা’য় গ্রাম্য সালিশে প্রতিপক্ষের হামলা’য় ৫ জন আহত

আপডেট সময় : ০৩:৫৯:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪
কুমিল্লা লালমাই উপজেলার ভূলইন উত্তর ইউনিয়নের বড়তুলা আনন্দ বাজার এলাকায় গ্রাম্য সালিশে ডেকে নিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের এবিএম ওমর ফারুক সুমনের উপস্থিতিতে সন্ত্রাসী হামলা’র অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলা’য় বেশ কয়েকজন আহতসহ গুরুতর আহত হন একজন।
রবিবার (১ ডিসেম্বর) বিকালে লালমাই থানাধীন বড়তুলা আনন্দপুর বাজারস্থ প্রকাশ্যে এই হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫/১১/২০২৪ইং দুপুর আনুমানিক ১টা’য় চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগমোহনপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের পুত্র ইকবাল হোসেন শামিম(৩৩) ও তাহার ভগ্নিপতি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার দক্ষিণ কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত. সফিকুর রহমানের পুত্র সোলেমান(৩৫) এ দুই ব্যক্তিকে অপহরণ করিয়া লালমাই উপজেলাস্থ চন্দ্রপুর নারানিয়া গ্রামের মৃত.রব্বান আলীর পুত্র রুহুল আমিনের বসত ঘরে আটক করিয়া রেখে সন্ত্রাসীরা মুক্তিপণ দাবি করেন। সে সময় ভিকটিম শামিম ও সোলেমান সুকৌশল অবলম্বন করিয়া তাহাদের ফোন থেকে ৯৯৯ নাম্বারে কল করিলে ঘটনাস্থল রুহুল আমিনের ঘর হইতে লালমাই থানার পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় দুই ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। অত্র ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভূলইন উত্তর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের এবিএম ওমর ফারুক সুমন অদ্য ১/১২/২০২৪ইং ভিকটিম এবং অপহরণ করার মূল হোতা চন্দ্রপুর নারানিয়া গ্রামের মৃত.রব্বান আলীর পুত্র রুহুল আমিনের গ্রাম্য সালিশ করার উদ্দেশ্যে বড়তুলা আনন্দ বাজারে ৩ঘটিকায় উপস্থিত থাকার পরামর্শ দেন। সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ওমর ফারুক সুমনের অনুরোধে ভিকটিম ইকবাল হোসেন শামিম(৩৩) ও সোলেমান ঘটনাস্থলে পৌছা মাত্রই লালমাই থানাধীণ চন্দ্রপুর নারানিয়া গ্রামের সাবেক মেম্বার দেলোয়ার হোসেন, রুহুল আমিন,মোহন,কামাল,শাহিন ও লক্ষীপুর গ্রামের মীর হোসেন,জামাল,হারুন মিয়াসহ অজ্ঞাত ২০/২৫জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ভিকটিম সোলেমান,ইকবাল হোসেন শামীমের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলার সময় আহতদের আর্তচিৎকারে গ্রামের বিভিন্ন স্থান হইতে লোকজন এসে আহতদের উদ্ধার করে থাকে। এতে ধসোলেমান গুরুতর আহত হয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এছাড়াও ভিকটিমের আরো ৪জন ব্যক্তি আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লালমাই থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ইকবাল হোসেন শামীম। লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শাহ আলম বলেন- লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত প্রক্রিয়াধীন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হইবে।