১০:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় শব্দ সচেতনতা মূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

Oplus_131072

“শব্দদূষন নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্ব মূলক প্রকল্প” এর আওতায় পরিবহন চালক-শ্রমিকদের নিয়ে শব্দ সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। বগুড়া পরিবেশ অধিদপ্তর এর আয়োজনে বৃহস্পতিবার ৫ ডিসেম্বর সকাল ১১ টায় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
পরিচালক (উপসচিব) আহসান হাবীব এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জন ডা. শফিউল আজম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সুমন রঞ্জন সরকার।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শব্দদূষনের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে উপস্থিত গাড়ি চালকদের সচেতন করতে এবং গাড়ি চালানোর সময় একান্ত প্রয়োজন ব্যতীত হর্ন/বাঁশি বাজালে মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা মূলক একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শনী করা হয়।
শব্দদুষন সম্পর্কে অনুষ্ঠানের মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, সিনিয়র কেমিস্ট ইব্রাহিম হোসেন।
বক্তারা বলেন, আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি শব্দদুষনের ক্ষেত্র হলো, সড়ক/মহাসড়কে গাড়ির হর্ন বাজানো, প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে চালকদের অপ্রয়োজনীয় ঘন ঘন হর্ন না বাজাতে উদ্বুদ্ধ করেন এবং নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্ন বাজালে শাস্তির বিধান সম্পর্কেও অবহিত করেন। শব্দ দূষনের কারনে পরিবেশের মারাত্বক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে এবং মানুষের বধির হওয়া সহ ৩০ টির অধিক রোগে আক্রান্ত হয়, তাই শব্দ দুষন নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালর নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক
ডাঃ আহসান হাবীব আপন বলেন, আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ডেসিবলের শব্দের কারনে মানুষের কানের হেয়ার সেল গুলো নষ্ট হয়ে যায় এবং নার্ভ সিস্টেমের ক্ষতি হয়, এমনকি মানুষ বধির পর্যন্ত হতে পারে, এমনকি একপর্যায়ে মৃত্যুও হতে পারে, তাই‌ শব্দ দূষন কমাতে আমাদের সচেতন হতে হবে।
অনুষ্ঠানে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, “শব্দ দূষনের কারনে সর্বোচ্চ ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে গাড়ি চালক ও ট্রাফিক পুলিশের উপর, কারন অতিরিক্ত হর্ন বাজালে মানুষের মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, এমনকি মায়ের পেটের বাচ্চাটা অতিরিক্ত শব্দের কারনে বিরক্তবোধ করে। তাই আইন মেনে হাইড্রলিক হর্ন বর্জন করতে হবে।
উক্ত কর্মশালা সকাল ১১ টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১ টায় শেষ হয়, এসময় পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের কর্মীবৃন্দ, সমাজকর্মী, সাংবাদিক সহ শতাধিক গাড়ি চালক এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহন করেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ায় শব্দ সচেতনতা মূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০১:৩৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৪
“শব্দদূষন নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্ব মূলক প্রকল্প” এর আওতায় পরিবহন চালক-শ্রমিকদের নিয়ে শব্দ সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। বগুড়া পরিবেশ অধিদপ্তর এর আয়োজনে বৃহস্পতিবার ৫ ডিসেম্বর সকাল ১১ টায় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
পরিচালক (উপসচিব) আহসান হাবীব এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জন ডা. শফিউল আজম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সুমন রঞ্জন সরকার।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শব্দদূষনের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে উপস্থিত গাড়ি চালকদের সচেতন করতে এবং গাড়ি চালানোর সময় একান্ত প্রয়োজন ব্যতীত হর্ন/বাঁশি বাজালে মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা মূলক একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শনী করা হয়।
শব্দদুষন সম্পর্কে অনুষ্ঠানের মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, সিনিয়র কেমিস্ট ইব্রাহিম হোসেন।
বক্তারা বলেন, আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি শব্দদুষনের ক্ষেত্র হলো, সড়ক/মহাসড়কে গাড়ির হর্ন বাজানো, প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে চালকদের অপ্রয়োজনীয় ঘন ঘন হর্ন না বাজাতে উদ্বুদ্ধ করেন এবং নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্ন বাজালে শাস্তির বিধান সম্পর্কেও অবহিত করেন। শব্দ দূষনের কারনে পরিবেশের মারাত্বক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে এবং মানুষের বধির হওয়া সহ ৩০ টির অধিক রোগে আক্রান্ত হয়, তাই শব্দ দুষন নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালর নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক
ডাঃ আহসান হাবীব আপন বলেন, আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ডেসিবলের শব্দের কারনে মানুষের কানের হেয়ার সেল গুলো নষ্ট হয়ে যায় এবং নার্ভ সিস্টেমের ক্ষতি হয়, এমনকি মানুষ বধির পর্যন্ত হতে পারে, এমনকি একপর্যায়ে মৃত্যুও হতে পারে, তাই‌ শব্দ দূষন কমাতে আমাদের সচেতন হতে হবে।
অনুষ্ঠানে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, “শব্দ দূষনের কারনে সর্বোচ্চ ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে গাড়ি চালক ও ট্রাফিক পুলিশের উপর, কারন অতিরিক্ত হর্ন বাজালে মানুষের মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, এমনকি মায়ের পেটের বাচ্চাটা অতিরিক্ত শব্দের কারনে বিরক্তবোধ করে। তাই আইন মেনে হাইড্রলিক হর্ন বর্জন করতে হবে।
উক্ত কর্মশালা সকাল ১১ টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১ টায় শেষ হয়, এসময় পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের কর্মীবৃন্দ, সমাজকর্মী, সাংবাদিক সহ শতাধিক গাড়ি চালক এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহন করেন।