১২:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সোনারগাঁয়ে লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনে কাজের দরপত্র নিয়ে দুর্নীতি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনে কাজের দরপত্র নিয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক একেএম আজাদ সরকার ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী হানিফ আহমেদের যোগসাজসে এ দুর্নীতি হচ্ছে বলে স্থানীয় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মালিকরা দাবী করেন। তাদের দাবী উপ-পরিচালক ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে নিজেদের মনগড়াভাবে কাজের সিডিউল তৈরী ও বিক্রয় করছেন বলে জানা গেছে। তবে এ অভিযোগের আংশিক সত্যতা স্বীকার করেছেন এ দুই কর্মকর্তা।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আগামী ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ইং মাসব্যাপী লোক ও কারুশিল্প মেলা ও  লোকজ উৎসবকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন কাজের জন্য দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী গত ২১নভেম্বর থেকে কাজের সিডিউল বিক্রির কথা। বিজ্ঞপ্তি দেখে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মালিকরা ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে নানা অজুহাতে একের পর এক সিডিউল বিক্রির সময় দিতে থাকে। অবশেষে নানা নাটকীয়তার পর গত ২ ডিসেম্বর থেকে কাজের রেট কোড ছাড়াই সিডিউল বিক্রি শুরু করেন। নিজেদের পছন্দের একটি চক্রকে কাজ পাইয়ে দিতেই উপ-পরিচালক ও উপ-সহকারী প্রকৌশলীর যোগসাজসে এ প্রক্রিয়ায় সিডিউল তৈরী করেছেন বলে একাধিকসূত্র থেকে জানা গেছে। এনিয়ে ওই চক্রের সদস্যদের সাথে ফাউন্ডেশনের এ দুই দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা একাধিক সভা করেছেন বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মালিক জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঠিকাদারী কাজ করে আসছেন। ইতিপূর্বে ফাউন্ডেশনের অভ্যন্তরেও ঠিকাদারী কাজ করেছেন। তবে রেট কোড ছাড়া তিনি সিডিউল বিক্রি করতে দেখেননি। রেট কোড ছাড়া বিক্রি করার বৈধ্যতা থাকলেও ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ গোপনে কাজের রেট কোড পছন্দের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে দিলে অন্য সকল ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মালিকগন বঞ্চিত হবেন। এজন্য রেট কোড দিয়ে দিলে আমার মনে হয় স্বচ্ছ হতো।
এ  ব্যাপারে ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক একেএম আজাদ সরকার ও উপসহকারী প্রকৌশলী হানিফ আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা দেরিতে সিডিউল বিক্রি করার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে কোনো অনিয়ম হয়নি বলে দাবি করেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সোনারগাঁয়ে লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনে কাজের দরপত্র নিয়ে দুর্নীতি

আপডেট সময় : ০১:০৮:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনে কাজের দরপত্র নিয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক একেএম আজাদ সরকার ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী হানিফ আহমেদের যোগসাজসে এ দুর্নীতি হচ্ছে বলে স্থানীয় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মালিকরা দাবী করেন। তাদের দাবী উপ-পরিচালক ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে নিজেদের মনগড়াভাবে কাজের সিডিউল তৈরী ও বিক্রয় করছেন বলে জানা গেছে। তবে এ অভিযোগের আংশিক সত্যতা স্বীকার করেছেন এ দুই কর্মকর্তা।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আগামী ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ইং মাসব্যাপী লোক ও কারুশিল্প মেলা ও  লোকজ উৎসবকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন কাজের জন্য দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী গত ২১নভেম্বর থেকে কাজের সিডিউল বিক্রির কথা। বিজ্ঞপ্তি দেখে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মালিকরা ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে নানা অজুহাতে একের পর এক সিডিউল বিক্রির সময় দিতে থাকে। অবশেষে নানা নাটকীয়তার পর গত ২ ডিসেম্বর থেকে কাজের রেট কোড ছাড়াই সিডিউল বিক্রি শুরু করেন। নিজেদের পছন্দের একটি চক্রকে কাজ পাইয়ে দিতেই উপ-পরিচালক ও উপ-সহকারী প্রকৌশলীর যোগসাজসে এ প্রক্রিয়ায় সিডিউল তৈরী করেছেন বলে একাধিকসূত্র থেকে জানা গেছে। এনিয়ে ওই চক্রের সদস্যদের সাথে ফাউন্ডেশনের এ দুই দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা একাধিক সভা করেছেন বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মালিক জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঠিকাদারী কাজ করে আসছেন। ইতিপূর্বে ফাউন্ডেশনের অভ্যন্তরেও ঠিকাদারী কাজ করেছেন। তবে রেট কোড ছাড়া তিনি সিডিউল বিক্রি করতে দেখেননি। রেট কোড ছাড়া বিক্রি করার বৈধ্যতা থাকলেও ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ গোপনে কাজের রেট কোড পছন্দের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে দিলে অন্য সকল ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মালিকগন বঞ্চিত হবেন। এজন্য রেট কোড দিয়ে দিলে আমার মনে হয় স্বচ্ছ হতো।
এ  ব্যাপারে ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক একেএম আজাদ সরকার ও উপসহকারী প্রকৌশলী হানিফ আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা দেরিতে সিডিউল বিক্রি করার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে কোনো অনিয়ম হয়নি বলে দাবি করেন।