০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আজ রোকেয়া দিবস

নারী জাগরণের অগ্রদূত রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪২তম জন্ম ও ৯২তম
মৃত্যুবার্ষিকী আজ ৯ ডিসেম্বর সোমবার। নারী ও পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করার জন্য
বাঙালি নারী শিক্ষার অগ্রদূত এবং সমাজ সংস্কারক রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের অবদানকে
স্মরণ করতে আজ বেগম রোকেয়া দিবস পালন করা হবে। দিবসটি পালনে নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়
দেশের নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য নারীদের বেগম রোকেয়া পদক প্রদানসহ বিভিন্ন
কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আজ সকালে রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে প্রধান উপদেষ্টা
ড.ইউনুস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পদক প্রদান করবেন। নারী শিক্ষার প্রসারে
রোকেয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
মুহাম্মদ ইউনূস পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা উভয়েই বেগম রোকেয়া পদক
২০২৪ পেতে যাওয়া নারীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। এদিকে দিবসটি উপলক্ষ্যে রাজধানী ঢাকাসহ
সারা দেশে সরকারি, বেসরকারি ভাবে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমসহ
প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন থেকে প্রকাশ করা হয়েছে বিশেষ ক্রোড়পত্র, পোস্টার, বুকলেট।
রোকেয়ার জীবনগল্প
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১৮৮০ সালের এই দিনে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দের এক
নিভৃত পল্লীতে জন্মগ্রহণ করেন। সেই সময় মুসলিম সমাজে মেয়েদের লেখাপড়া শেখানোর
কোনো প্রচলন ছিল না। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও পরিবারের সবার অগোচরে বড় ভাইয়ের
কাছে উর্দু, বাংলা, আরবি ও ফারসি পড়া ও লেখা শেখেন তিনি। রোকেয়ার শিক্ষা লাভ ও মূল্যবোধ
গঠনে তার ভাই ও বড় বোন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছিলেন। পরবর্তীতে বিহারের ভাগলপুরে সৈয়দ
সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয়। স্বামীর উৎসাহে ও নিজের আগ্রহে তিনি লেখাপড়ার
প্রসার ঘটান। এই মহীয়সী নারী ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। রোকেয়া সাখাওয়াত
২০০৪ সালে বিবিসি বাংলার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জরিপে ষষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছিলেন।
তিনি প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে পরিচিত। তার
উল্লেখযোগ্য রচনা হলো-মতিচূর, সুলতানার স্বপ্ন, পদ্মরাগ, অবরোধবাসিনী।
রংপুরে তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্মস্থান রংপুরের মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দে আজ সোমবার
সকাল নয়টায় পু®পমাল্য অর্পণ, পতাকা উত্তোলন ও মেলার উদ্বোধন করা হবে। এরপর সকাল সাড়ে ১০
টায় বাংলা একাডেমি আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। পায়রাবন্দে বেগম রোকেয়া
স্মৃতিকেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রোকেয়ার অবরোধবাসিনী সামাজিক নকশার সেকাল-একাল
এই শিরোনামে প্রবন্ধ পাঠ করবেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রভাষক
সিরাজাম মুনিরা। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমের সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল
ফয়সাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
বিকাশ চন্দ্র বর্মণ। আলোচনায় অংশ নেবেন তারাগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এ. আই
এম. মুসা এবং রংপুর সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক মো. মোতাহার হোসেন
সুজন।একইদিন স্থানীয় মসজিদ, মন্দিরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার
আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়াও স্বেচ্ছায় রক্তদান ও রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা, আলোচনা সভা, প্রামাণ্য
চিত্র প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রয়েছে। কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে মঙ্গলবার পায়রাবন্দে
বিকাল থেকে আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন, কবিতা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা, নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ক
প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী, নাটিকা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রয়েছে। সমাপনী দিন বুধবার বিকাল
থেকে রয়েছে আলোচনা সভা, বিতর্ক প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার
পুরস্কার বিতরণ, পদক প্রদান ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এদিন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে
উপস্থিত থাকবেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো.শহিদুল ইসলাম। রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ
রবিউল ফয়সালের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ পুলিশের রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি
মো. আমিনুল ইসলাম, রংপুর সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর শামিমা আখতার, সরকারি বেগম
রোকেয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক (বাংলা) মোছা. শামিম আকতার। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন
মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র বর্মণ।
বেরোবিতে যা থাকছে
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) দিবসটি উপলক্ষ্যে সকাল সাড়ে ৯টায় জাতীয় পতাকা
উত্তোলন, রোকেয়ার প্রতিকৃতিতে পু®পস্তবক অর্পণ এবং সকাল পৌনে দশটায় শোভাযাত্রা বের
করা হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় শেখ রাসেল চত্ত্বরে আলোচনা সভা ও প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করা
হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী
(প্রতিমন্ত্রী মর্যাদা) প্রফেসর ড. এম. আমিনুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি থাকবেন বেরোবির
প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্য প্রফেসর ড. এম. লুৎফর রহমান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর গুলশান আরা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন

বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো.শওকাত আলী। এদিকে দিবসটি উপলক্ষ্যে রংপুর জেলার
বিভিন্ন স্থানে নারী সংগঠনগুলো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংস্থা ও সংগঠন থেকে নানা কর্মসূচি
গ্রহণ হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আজ রোকেয়া দিবস

আপডেট সময় : ১১:৩৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪

নারী জাগরণের অগ্রদূত রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪২তম জন্ম ও ৯২তম
মৃত্যুবার্ষিকী আজ ৯ ডিসেম্বর সোমবার। নারী ও পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করার জন্য
বাঙালি নারী শিক্ষার অগ্রদূত এবং সমাজ সংস্কারক রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের অবদানকে
স্মরণ করতে আজ বেগম রোকেয়া দিবস পালন করা হবে। দিবসটি পালনে নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়
দেশের নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য নারীদের বেগম রোকেয়া পদক প্রদানসহ বিভিন্ন
কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আজ সকালে রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে প্রধান উপদেষ্টা
ড.ইউনুস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পদক প্রদান করবেন। নারী শিক্ষার প্রসারে
রোকেয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
মুহাম্মদ ইউনূস পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা উভয়েই বেগম রোকেয়া পদক
২০২৪ পেতে যাওয়া নারীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। এদিকে দিবসটি উপলক্ষ্যে রাজধানী ঢাকাসহ
সারা দেশে সরকারি, বেসরকারি ভাবে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমসহ
প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন থেকে প্রকাশ করা হয়েছে বিশেষ ক্রোড়পত্র, পোস্টার, বুকলেট।
রোকেয়ার জীবনগল্প
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১৮৮০ সালের এই দিনে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দের এক
নিভৃত পল্লীতে জন্মগ্রহণ করেন। সেই সময় মুসলিম সমাজে মেয়েদের লেখাপড়া শেখানোর
কোনো প্রচলন ছিল না। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও পরিবারের সবার অগোচরে বড় ভাইয়ের
কাছে উর্দু, বাংলা, আরবি ও ফারসি পড়া ও লেখা শেখেন তিনি। রোকেয়ার শিক্ষা লাভ ও মূল্যবোধ
গঠনে তার ভাই ও বড় বোন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছিলেন। পরবর্তীতে বিহারের ভাগলপুরে সৈয়দ
সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয়। স্বামীর উৎসাহে ও নিজের আগ্রহে তিনি লেখাপড়ার
প্রসার ঘটান। এই মহীয়সী নারী ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। রোকেয়া সাখাওয়াত
২০০৪ সালে বিবিসি বাংলার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জরিপে ষষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছিলেন।
তিনি প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে পরিচিত। তার
উল্লেখযোগ্য রচনা হলো-মতিচূর, সুলতানার স্বপ্ন, পদ্মরাগ, অবরোধবাসিনী।
রংপুরে তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্মস্থান রংপুরের মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দে আজ সোমবার
সকাল নয়টায় পু®পমাল্য অর্পণ, পতাকা উত্তোলন ও মেলার উদ্বোধন করা হবে। এরপর সকাল সাড়ে ১০
টায় বাংলা একাডেমি আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। পায়রাবন্দে বেগম রোকেয়া
স্মৃতিকেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রোকেয়ার অবরোধবাসিনী সামাজিক নকশার সেকাল-একাল
এই শিরোনামে প্রবন্ধ পাঠ করবেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রভাষক
সিরাজাম মুনিরা। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমের সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল
ফয়সাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
বিকাশ চন্দ্র বর্মণ। আলোচনায় অংশ নেবেন তারাগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এ. আই
এম. মুসা এবং রংপুর সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক মো. মোতাহার হোসেন
সুজন।একইদিন স্থানীয় মসজিদ, মন্দিরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার
আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়াও স্বেচ্ছায় রক্তদান ও রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা, আলোচনা সভা, প্রামাণ্য
চিত্র প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রয়েছে। কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে মঙ্গলবার পায়রাবন্দে
বিকাল থেকে আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন, কবিতা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা, নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ক
প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী, নাটিকা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রয়েছে। সমাপনী দিন বুধবার বিকাল
থেকে রয়েছে আলোচনা সভা, বিতর্ক প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার
পুরস্কার বিতরণ, পদক প্রদান ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এদিন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে
উপস্থিত থাকবেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো.শহিদুল ইসলাম। রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ
রবিউল ফয়সালের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ পুলিশের রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি
মো. আমিনুল ইসলাম, রংপুর সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর শামিমা আখতার, সরকারি বেগম
রোকেয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক (বাংলা) মোছা. শামিম আকতার। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন
মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র বর্মণ।
বেরোবিতে যা থাকছে
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) দিবসটি উপলক্ষ্যে সকাল সাড়ে ৯টায় জাতীয় পতাকা
উত্তোলন, রোকেয়ার প্রতিকৃতিতে পু®পস্তবক অর্পণ এবং সকাল পৌনে দশটায় শোভাযাত্রা বের
করা হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় শেখ রাসেল চত্ত্বরে আলোচনা সভা ও প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করা
হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী
(প্রতিমন্ত্রী মর্যাদা) প্রফেসর ড. এম. আমিনুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি থাকবেন বেরোবির
প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্য প্রফেসর ড. এম. লুৎফর রহমান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর গুলশান আরা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন

বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো.শওকাত আলী। এদিকে দিবসটি উপলক্ষ্যে রংপুর জেলার
বিভিন্ন স্থানে নারী সংগঠনগুলো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংস্থা ও সংগঠন থেকে নানা কর্মসূচি
গ্রহণ হয়েছে।