১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

একজন ক্যারিশম্যাটিক লিডার: আক্তার মাস্টার

জাতীয় নির্বাচন কবে হবে নিশ্চিত না হলেও সারাদেশের মানুষের মত গাজীপুর ৩ আসনের জনগণের মধ্যে আগ্রহের কমতি নেই। অন্যদিকে এই আসনে কে পাবেন ধানের শীষ প্রতীক তা নিয়ে এখনি কিছু বলা না গেলেও এলাকার সর্বোত্ব আলোচনা তুঙ্গে।    অন্যান্যদের মত বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে একজন হলেন জননেতা মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাস্টার। নতুন প্রজন্মের এই নেতা তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মাঝে মিশে গেছেন একজন ত্যাগী পরিশ্রমী জননেতা হিসেবে। এমন খবরই চারিদিকে চাওড় হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে তার ভক্ত-বৃন্দরা গাজীপুর তিন আসনের বিভিন্ন স্থানে পোষ্টার ব্যানারও লাগিয়েছেন। একই সাথে প্রচারণা চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে গাজীপুর ৩ আসনে যেই সব প্রার্থীদের নাম শোনা যাচ্ছে তাদের মধ্যে জনবান্ধব ও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাষ্টার। পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জননেতা আক্তারুল আলম মাষ্টার জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে তাঁর কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আলোচনা স্পষ্ট। এরই মধ্যে স্বচ্ছ নেতা ও তুখোড় বক্তা মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাষ্টার প্রতিদিন কর্মী ও সমর্থকদের সাথে নিয়ে গাজীপুর তিন আসনের প্রতিটি ইউনিয়ন ওয়ার্ডে গিয়ে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বিভিন্ন হাটবাজার বাজার ও চায়ের দোকানে গিয়ে সাধারণ ভোটারদের সাথে সালাম ও কুশল বিনিময় করে ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছেন। পাশাপাশি কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে কর্মিসভা করে সকলের কাছে সহযোগিতা ও দোয়া প্রার্থনা করছেন।
গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার টেংরা গ্রামে জন্মগ্রহন করেন মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাস্টার। তার পিতার নাম মরহুম হাজী মো: নুরুল ইসলাম শেখ। মাতা মোছা: আয়েশা বেগম। ১৯৭৫ সালে জন্মগ্রহণ করা তরুণ প্রজন্মের এই নেতা উচ্চ শিক্ষিত একজন মানুষ। তিনি প্রথম বিভাগে এম এ পাশ করেছেন।
শিক্ষাগত যোগ্যতা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব , স্পষ্ঠভাষী ও পরোপকারী হিসেবে গাজীপুর তিন আসনে অন্যান্য প্রার্থীদের চেয়ে জনবান্ধব নেতার পরিচয়ে এগিয়ে রয়েছেন মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাষ্টার এমন অভিমত তাঁর কর্মী ও সমর্থকদের। জেলা ও উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দদের সম্মতিতে এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের উৎসাহ পেয়ে তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদে অংশ নিচ্ছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা যায়। কর্মীবান্ধব এই নেতা এরই মধ্যে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে বিভিন্ন সভাসমাবেশে ভোট চেয়ে ওয়ার্ড থেকে ওয়ার্ড ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাষ্টারের কর্মী ও সমর্থকদের কাছ থেকে জানা যায়, তিনি শৈশব থেকেই জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতির সাথে সক্রিয়। ২০১৬ সালে তেলিহাটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে ব্যাপক ভোটে পাশ করলেও স্বৈরাচার হাসিনা সরকার জোর করে বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব, তেলিহাটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, তেলিহাটি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি এবং বর্তমানে গাজীপুর জেলা বিএনপির সদস্য পদে দায়িত্বরত আছেন। একজন শিক্ষক হিসেবে তিনি শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোট শ্রীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি, একই সংগঠনের গাজীপুর জেলা শাখার সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া সভাপতি, টেংরা বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। আজীবন দাতা সদস্য, টেংরা আলহাজ নওয়াব আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও সাইটালিয়া দাখিল মাদ্রাসা। সদস্য শ্রীপুর নবারুন ক্লাব। বর্তমানে তিনি শিক্ষকদের সংগঠন বাংলাদেশ সহকারী শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রিয় কমিটির আহবায়কের দায়িত্বে রয়েছেন।
বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে থাকা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি নেতা মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাস্টারের নামে প্রায় দুই ডজনের মত রাজনৈতিক মামলা হয়েছিল। এসকল  মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাবরণও করেছেন তিনি। কারানির্যাতিত এই নেতা বিএনপি ঘোষিত প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে স্থানীয় থেকে জাতীয় পর্যায়ে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছেন। জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে ত্যাগী এই নেতা গাজীপুর ৩ আসনের বিএনপির প্রতিটি সাংগঠনিক ইউনিট কমিটির নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মন জয় করে চলছেন। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের ভাষ্যমতে জননেতা তারেক রহমান জননন্দিত নেতা জনাব আক্তারুল আলম মাষ্টারকে দলীয় মনোনয়ন দিবেন। তাদের প্রত্যাশা, গাজীপুর-৩ আসন শ্রীপুরের বিএনপি তথা সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্পন্দনকে সম্মান করবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।
আক্তারুল আলম মাষ্টার সম্পর্কে একাধিক নেতাকর্মীদের ভাষ্যমতে কিছু কিছু মানুষ এ পৃথিবীতে জন্ম নেন সমাজকে আলোকিত করার জন্য, যাদের সততা, মানবতা, চারিত্রিক দৃঢ়তা ও ত্যাগের আদর্শ ফুলের সুবাসে সমাজ নামক বাগানকে সুরভিত করে, তেমনি একজন আদর্শ ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাষ্টার। বর্তমান সময়ের প্রবাহে একজন নিখাদ মানুষের কথা ভাবতে গেলে অসহায় বোধ করি। কথা ও কাজে, আচার ও ভূষণে, বিনয় ও চারিত্রিক দৃঢ়তায়, আদর্শে ও নীতিতে, কঠিন সত্যির মুখোমুখিতে নির্ভীক একজন সোনার মানুষ আক্তারুল আলম মাষ্টার।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পথ পরিক্রমায় বিভিন্ন ভূমিকায় তাঁর পথচলা। প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি অনন্যসাধারণ। একজন সফল রাজনীতিবিদ হিসেবে আওয়ামী বিরোধী আন্দোলনে সম্মুখে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন। বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা তারেক রহমানের আস্থাভাজন তিনি নিজস্ব প্রজ্ঞা ও দক্ষতায় একজন নীতিবান রাজনৈতিক নেতা। যিনি রাজনীতি করেছেন দেশের জন্য, এলাকার জন্য কিন্তু জাগতিক জীবনের লোভ বা মোহ তথা অর্থ ক্ষমতা থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন সযত্নে। শহীদ জিয়ার প্রতি তাঁর ভক্তি শ্রদ্ধা বিশ্বাস ও আনুগত্য ছিল অপরিসীম, এক্ষেত্রে তিনি ছিলেন আপোষহীন। তবে বিরোধীদের প্রতি তাঁর সহনশীলতা ছিল প্রবাদপ্রতিম। এটাই তাঁর চারিত্রিক মাধুর্য।
রাজনীতি ও সমাজসেবাকে তিনি সমানভাবে গুরুত্ব দিতেন। রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি যেমন দেশের একজন সুসংগঠক তেমনি দুঃখী মানুষের প্রতি তাঁর অনুভূতি সুগভীর। রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নির্দিষ্ট আদর্শ ও নেতৃত্বের প্রতি অকুণ্ঠ আস্থা ও আনুগত্য যে কোনো মানুষের ব্যক্তিগত নীতি, মানসিক স্বচ্ছতা ও চারিত্রিক দৃঢ়তার মাত্রার পরিচায়ক। নানা উত্থান-পতন, বিপর্যয় এবং দুঃসময়ের মধ্যে ও নিজের দলের নেতা ও দলের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। একজন সত্যিকারের মানুষ গড়ার কারিগর। আদর্শ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে এক এগারোর পরবর্তী সময়ে গাজীপুরের রাজনীতি ও সামাজিক -সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত না আক্তারুল আলম মাষ্টার।
মানুষ হিসেবে তিনি একবাক্যে অতুলনীয়। বিনয়ী তবে স্পষ্ট বক্তা তথা সত্য উচ্চারণে সাহসী। যুক্তিসমৃদ্ধ মনোগ্রাহী ভঙ্গিতে অল্প সময়ে যথাযথ বক্তব্য প্রদানে তিনি এক অসাধারণ বক্তা। সবার সম্মান বা শ্রদ্ধার পাত্র হতে হলে সাধনার প্রয়োজন। মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাষ্টার একজন ক্যারিশম্যাটিক মানুষ। নিয়মানুবর্তিতা তাঁর বিশেষ গুণ। শুদ্ধ জীবনাচরণে, নৈতিকতায়, ভাষণের পাণ্ডিত্যে মনে হয় তিনি যেন বিবেকের কণ্ঠস্বর। মানুষকে বড়ো করে দেখা এ তাঁর বিশেষ গুণ।
তাঁর বিশাল ব্যক্তিত্বের কাছে গেলে মনে হয় এক বটবৃক্ষের ছায়া। সাহিত্য, শিল্প, দর্শন, বিজ্ঞান, মানবতাবাদ যেন তাঁর চরিত্রে মিলেমিশে একাকার। অভিজাত নম্রতায় তিনি এই শহরের অভিন্ন প্রাণ ।
মানুষ গড়ার কাড়িগর, সমাজসেবক, সংস্কৃতিমনা, গাজীপুর ৩ এর সর্বজন শ্রদ্ধেয় বরেণ্য ব্যক্তিত্ব। স্পষ্টভাষি যার বক্তব্য অন্তরে গেঁথে যায়। সুন্দর উপস্থাপনা, শব্দ চয়ন সব মিলে অনন্য একজন বক্তা।  স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য মতে আক্তারুল আলম মাষ্টার ক্যারিশম্যাটিক লিডার। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেতা তারেক রহমান গাজীপুর ৩- আসনে মনোনয়ন দিবেন বলে তাদের বিশ্বাস। কেননা গাজীপুর তিন আসনে এরকম নেতার বড়ই অভাব। দেশের প্রয়োজনে খুব বেশী দরকার একজন আক্তারুল আলম মাষ্টার এবং তুল্যমান বহুজন শ্রদ্ধেয় আক্তারুল আলম মাষ্টারের।
তিনি বলেন, আমার রাজনীতি শহীদ জিয়ার আদর্শের রাজনীতি। আমি রাজনীতি করি আপোষহীন নেত্রী মেডাম খালেদা জিয়া ও জননেতা তারেক রহমানের। আমার নেতা যদি আমাকে কাজ করার সুযোগ দেয় সেক্ষেত্রে জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাবো ইনশাল্লাহ।
জনপ্রিয় সংবাদ

একজন ক্যারিশম্যাটিক লিডার: আক্তার মাস্টার

আপডেট সময় : ০১:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪
জাতীয় নির্বাচন কবে হবে নিশ্চিত না হলেও সারাদেশের মানুষের মত গাজীপুর ৩ আসনের জনগণের মধ্যে আগ্রহের কমতি নেই। অন্যদিকে এই আসনে কে পাবেন ধানের শীষ প্রতীক তা নিয়ে এখনি কিছু বলা না গেলেও এলাকার সর্বোত্ব আলোচনা তুঙ্গে।    অন্যান্যদের মত বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে একজন হলেন জননেতা মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাস্টার। নতুন প্রজন্মের এই নেতা তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মাঝে মিশে গেছেন একজন ত্যাগী পরিশ্রমী জননেতা হিসেবে। এমন খবরই চারিদিকে চাওড় হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে তার ভক্ত-বৃন্দরা গাজীপুর তিন আসনের বিভিন্ন স্থানে পোষ্টার ব্যানারও লাগিয়েছেন। একই সাথে প্রচারণা চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে গাজীপুর ৩ আসনে যেই সব প্রার্থীদের নাম শোনা যাচ্ছে তাদের মধ্যে জনবান্ধব ও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাষ্টার। পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জননেতা আক্তারুল আলম মাষ্টার জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে তাঁর কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আলোচনা স্পষ্ট। এরই মধ্যে স্বচ্ছ নেতা ও তুখোড় বক্তা মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাষ্টার প্রতিদিন কর্মী ও সমর্থকদের সাথে নিয়ে গাজীপুর তিন আসনের প্রতিটি ইউনিয়ন ওয়ার্ডে গিয়ে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বিভিন্ন হাটবাজার বাজার ও চায়ের দোকানে গিয়ে সাধারণ ভোটারদের সাথে সালাম ও কুশল বিনিময় করে ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছেন। পাশাপাশি কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে কর্মিসভা করে সকলের কাছে সহযোগিতা ও দোয়া প্রার্থনা করছেন।
গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার টেংরা গ্রামে জন্মগ্রহন করেন মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাস্টার। তার পিতার নাম মরহুম হাজী মো: নুরুল ইসলাম শেখ। মাতা মোছা: আয়েশা বেগম। ১৯৭৫ সালে জন্মগ্রহণ করা তরুণ প্রজন্মের এই নেতা উচ্চ শিক্ষিত একজন মানুষ। তিনি প্রথম বিভাগে এম এ পাশ করেছেন।
শিক্ষাগত যোগ্যতা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব , স্পষ্ঠভাষী ও পরোপকারী হিসেবে গাজীপুর তিন আসনে অন্যান্য প্রার্থীদের চেয়ে জনবান্ধব নেতার পরিচয়ে এগিয়ে রয়েছেন মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাষ্টার এমন অভিমত তাঁর কর্মী ও সমর্থকদের। জেলা ও উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দদের সম্মতিতে এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের উৎসাহ পেয়ে তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদে অংশ নিচ্ছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা যায়। কর্মীবান্ধব এই নেতা এরই মধ্যে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে বিভিন্ন সভাসমাবেশে ভোট চেয়ে ওয়ার্ড থেকে ওয়ার্ড ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাষ্টারের কর্মী ও সমর্থকদের কাছ থেকে জানা যায়, তিনি শৈশব থেকেই জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতির সাথে সক্রিয়। ২০১৬ সালে তেলিহাটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে ব্যাপক ভোটে পাশ করলেও স্বৈরাচার হাসিনা সরকার জোর করে বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব, তেলিহাটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, তেলিহাটি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি এবং বর্তমানে গাজীপুর জেলা বিএনপির সদস্য পদে দায়িত্বরত আছেন। একজন শিক্ষক হিসেবে তিনি শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোট শ্রীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি, একই সংগঠনের গাজীপুর জেলা শাখার সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া সভাপতি, টেংরা বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। আজীবন দাতা সদস্য, টেংরা আলহাজ নওয়াব আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও সাইটালিয়া দাখিল মাদ্রাসা। সদস্য শ্রীপুর নবারুন ক্লাব। বর্তমানে তিনি শিক্ষকদের সংগঠন বাংলাদেশ সহকারী শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রিয় কমিটির আহবায়কের দায়িত্বে রয়েছেন।
বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে থাকা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি নেতা মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাস্টারের নামে প্রায় দুই ডজনের মত রাজনৈতিক মামলা হয়েছিল। এসকল  মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাবরণও করেছেন তিনি। কারানির্যাতিত এই নেতা বিএনপি ঘোষিত প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে স্থানীয় থেকে জাতীয় পর্যায়ে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছেন। জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে ত্যাগী এই নেতা গাজীপুর ৩ আসনের বিএনপির প্রতিটি সাংগঠনিক ইউনিট কমিটির নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মন জয় করে চলছেন। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের ভাষ্যমতে জননেতা তারেক রহমান জননন্দিত নেতা জনাব আক্তারুল আলম মাষ্টারকে দলীয় মনোনয়ন দিবেন। তাদের প্রত্যাশা, গাজীপুর-৩ আসন শ্রীপুরের বিএনপি তথা সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্পন্দনকে সম্মান করবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।
আক্তারুল আলম মাষ্টার সম্পর্কে একাধিক নেতাকর্মীদের ভাষ্যমতে কিছু কিছু মানুষ এ পৃথিবীতে জন্ম নেন সমাজকে আলোকিত করার জন্য, যাদের সততা, মানবতা, চারিত্রিক দৃঢ়তা ও ত্যাগের আদর্শ ফুলের সুবাসে সমাজ নামক বাগানকে সুরভিত করে, তেমনি একজন আদর্শ ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাষ্টার। বর্তমান সময়ের প্রবাহে একজন নিখাদ মানুষের কথা ভাবতে গেলে অসহায় বোধ করি। কথা ও কাজে, আচার ও ভূষণে, বিনয় ও চারিত্রিক দৃঢ়তায়, আদর্শে ও নীতিতে, কঠিন সত্যির মুখোমুখিতে নির্ভীক একজন সোনার মানুষ আক্তারুল আলম মাষ্টার।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পথ পরিক্রমায় বিভিন্ন ভূমিকায় তাঁর পথচলা। প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি অনন্যসাধারণ। একজন সফল রাজনীতিবিদ হিসেবে আওয়ামী বিরোধী আন্দোলনে সম্মুখে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন। বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা তারেক রহমানের আস্থাভাজন তিনি নিজস্ব প্রজ্ঞা ও দক্ষতায় একজন নীতিবান রাজনৈতিক নেতা। যিনি রাজনীতি করেছেন দেশের জন্য, এলাকার জন্য কিন্তু জাগতিক জীবনের লোভ বা মোহ তথা অর্থ ক্ষমতা থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন সযত্নে। শহীদ জিয়ার প্রতি তাঁর ভক্তি শ্রদ্ধা বিশ্বাস ও আনুগত্য ছিল অপরিসীম, এক্ষেত্রে তিনি ছিলেন আপোষহীন। তবে বিরোধীদের প্রতি তাঁর সহনশীলতা ছিল প্রবাদপ্রতিম। এটাই তাঁর চারিত্রিক মাধুর্য।
রাজনীতি ও সমাজসেবাকে তিনি সমানভাবে গুরুত্ব দিতেন। রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি যেমন দেশের একজন সুসংগঠক তেমনি দুঃখী মানুষের প্রতি তাঁর অনুভূতি সুগভীর। রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নির্দিষ্ট আদর্শ ও নেতৃত্বের প্রতি অকুণ্ঠ আস্থা ও আনুগত্য যে কোনো মানুষের ব্যক্তিগত নীতি, মানসিক স্বচ্ছতা ও চারিত্রিক দৃঢ়তার মাত্রার পরিচায়ক। নানা উত্থান-পতন, বিপর্যয় এবং দুঃসময়ের মধ্যে ও নিজের দলের নেতা ও দলের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। একজন সত্যিকারের মানুষ গড়ার কারিগর। আদর্শ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে এক এগারোর পরবর্তী সময়ে গাজীপুরের রাজনীতি ও সামাজিক -সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত না আক্তারুল আলম মাষ্টার।
মানুষ হিসেবে তিনি একবাক্যে অতুলনীয়। বিনয়ী তবে স্পষ্ট বক্তা তথা সত্য উচ্চারণে সাহসী। যুক্তিসমৃদ্ধ মনোগ্রাহী ভঙ্গিতে অল্প সময়ে যথাযথ বক্তব্য প্রদানে তিনি এক অসাধারণ বক্তা। সবার সম্মান বা শ্রদ্ধার পাত্র হতে হলে সাধনার প্রয়োজন। মুহাম্মদ আক্তারুল আলম মাষ্টার একজন ক্যারিশম্যাটিক মানুষ। নিয়মানুবর্তিতা তাঁর বিশেষ গুণ। শুদ্ধ জীবনাচরণে, নৈতিকতায়, ভাষণের পাণ্ডিত্যে মনে হয় তিনি যেন বিবেকের কণ্ঠস্বর। মানুষকে বড়ো করে দেখা এ তাঁর বিশেষ গুণ।
তাঁর বিশাল ব্যক্তিত্বের কাছে গেলে মনে হয় এক বটবৃক্ষের ছায়া। সাহিত্য, শিল্প, দর্শন, বিজ্ঞান, মানবতাবাদ যেন তাঁর চরিত্রে মিলেমিশে একাকার। অভিজাত নম্রতায় তিনি এই শহরের অভিন্ন প্রাণ ।
মানুষ গড়ার কাড়িগর, সমাজসেবক, সংস্কৃতিমনা, গাজীপুর ৩ এর সর্বজন শ্রদ্ধেয় বরেণ্য ব্যক্তিত্ব। স্পষ্টভাষি যার বক্তব্য অন্তরে গেঁথে যায়। সুন্দর উপস্থাপনা, শব্দ চয়ন সব মিলে অনন্য একজন বক্তা।  স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য মতে আক্তারুল আলম মাষ্টার ক্যারিশম্যাটিক লিডার। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেতা তারেক রহমান গাজীপুর ৩- আসনে মনোনয়ন দিবেন বলে তাদের বিশ্বাস। কেননা গাজীপুর তিন আসনে এরকম নেতার বড়ই অভাব। দেশের প্রয়োজনে খুব বেশী দরকার একজন আক্তারুল আলম মাষ্টার এবং তুল্যমান বহুজন শ্রদ্ধেয় আক্তারুল আলম মাষ্টারের।
তিনি বলেন, আমার রাজনীতি শহীদ জিয়ার আদর্শের রাজনীতি। আমি রাজনীতি করি আপোষহীন নেত্রী মেডাম খালেদা জিয়া ও জননেতা তারেক রহমানের। আমার নেতা যদি আমাকে কাজ করার সুযোগ দেয় সেক্ষেত্রে জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাবো ইনশাল্লাহ।