কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদে প্রায় ২১বছর পরে
ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে করে নৌ যাত্রীদের আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।
শনিবার ২১ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে আট টার দিকে ১৮ জন যাত্রী নিয়ে রৌমারী থেকে রওনা দেয় নৌকাটি। চিলমারী- রৌমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের মাঝ পথে দুইশ বিঘা নামক নির্জন স্থানে নৌকাটি ডাকাতির শিকার হয়। এসময় যাত্রীদের নিকট থেকে মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থসহ প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
জানাযায়,কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ধরলা সেতুর পূর্বপাড়ে ফজলুল করীম (রহ.) জামিয়া ইসলামিয়া মাদরাসা প্রাঙ্গণে ৩ দিনব্যাপী ইজতেমার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেই উপলক্ষে রৌমারীর চরমোনাই অনুসারী ইজতেমার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। চিলমারী উপজেলার নদীর মাঝ পথে দুইশ বিঘা নামক নির্জন স্থানে প্রায় ২০ থেকে ২২ জন মুখোশধারী একদল ডাকাত নৌকায় অতর্কিত হামলা চালায়।এসময় তারা নৌকার যাত্রীদে মারধর করে মোবাইল ফোন গুলো নিয়ে পানিতে ফেলে দেয়। পরে সবার কাছে থাকা নগদ টাকা ও দামি জিনিস পত্র নিয়ে চলে যায়। এঘটনায় নৌকায় থাকা বেশির ভাগ যাত্রী মারধরের শিকার হয়ে অসুস্থ হয়। তবে নৌকাতে থাকা উপজেলার পুরারচর গ্রামের ময়েজ উদ্দিন নামের এক ব্যবসায়ী কাছে থাকা ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে যায় বলে জানা গেছে । তবে সব মিলে প্রায় ৩ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
নৌকার মাঝি আবু তালেব বলেন, আমরা রৌমারী থেকে ইজতেমার উদ্দেশ্যে রওনা দেই। হঠাৎ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ২২ জনের মতো ডাকাতের দল এসে আমাদের নানা প্রকার ভয়ভীতি দেখায় ও মারধর করে। ভয়ে যা বলছে তাই শুনতে বাধ্য হয়েছি আমরা। তিনি আরও বলেন,এর আগে ২০০২-২০০৩সালের পর পুনরায় ডাকাতির ঘটনা ঘটল।
ব্যবসায়ী ময়েজ উদ্দিন জানান, একদল ডাকাত নৌকার কাছে এসে অতর্কিত মারধর চালায়। বলে যার কাছে যা আছে দিয়ে দেও ঝামেলা করলে নদীতে ফেলে দিবো। পরে আমার কাছে থাকা এক লক্ষ ৮০হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন জীবনের ভয়ে দিয়ে দেই। তবে নৌ ডাকাতির শুনে অনেকের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।
রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান জানান, ডাকাতির ঘটনা শুনেছি তবে ঘটনাটি আমার এরিয়ার মধ্যে নয় তাই কিছু করা সম্ভব হয়নি।




















