০২:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাহাড়ের কন্যা ছোট্রমনি কন্ঠের স্বর নবাগত বড় শিল্পী হতে চায়-মেখিং চো মারমা

পার্বত্য চট্রগ্রামের অপরুপ সৌন্দর্যময় পাহাড় ঘেরা লীলা ভূমি জেলা  বান্দরবানের অদূর পাহাড়ের বুকে  দূর্গম পিছিয়ে পড়া মারমা গ্রামের জন্মের কিশোরী হতদরিদ্রের পরিবারে কৃতিত্ব সন্তান মেখিংচো মারমা।  এ কিশোরী নবীন কন্ঠের শিল্পী  মেখিং চো মারমা ভবিষ্যৎ তে সকলে আর্শীবাদ দোয়াতে  বড় শিল্পী হতে চাই। সকলের সার্বিক  সহযোগীতায় হাত বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করছি। সে  বর্তমানে বন্দর পাবলিক হাই স্কুল  ৮ম শ্রেণি অধ্যয়রনত শির্ক্ষাথী।  তার বয়স ১৪ বছর, তার গ্রামের বাড়ি কুয়ালং ইউনিয়নের ক্যমলং পাড়া কৈশোরী শৈশব  জীবন কাটিয়েছে। এর পর পিতা মাতা অভাব অন্যতম আর্থিক সন্মুখিন হওয়ার ৪র্থ শ্রেণি পড়ুয়া অভিভাবকের সাথে চট্রগ্রাম শহরে চলে  আসেন এরপর ৪র্থ শ্রেণি হতে গানের সংগীত সাথে চর্চা করে। রবীন্দ্র সংগীত, মারমা গান, চাকমা গান বাংলা গান হিন্দি গানলাইভ সো করে  দেখা যায়। লেখাপড়া পাশাপাশি সে সময় পেলে বিভিন্ন কালচারাল প্রোগ্রামের ও লাইভ সো অংশগ্রহণ করে বলে জানান ,১৩ জানুয়ারি সরেজমিনে বাসভবনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত  কিশোরী নবাগত কণ্ঠে শিল্পী মেখিং চো মারমা কে তার প্রতিভা গানের সংগীত মাঝে কবে কখন কিভাবে,আসা হল স্বাক্ষাতকার গ্রহণ করা মধ্যে তাহার জীবনীয় তুলে ধরা  হয়েছে। তার পিতা ও মাতা গার্মেন্টস কর্মী হিসাবে কর্মরত চট্রগ্রাম । কিশোরী নবাগত পাহাড়ের কন্যা কণ্ঠে শিল্পী মেখিং চো মারমা পিতা বলেন,  আমাদের মেয়ে কোনদিন নিরাস হবে না, যত বাঁধা আসুক সামনের দিন গুলি বাঁধা পেরিয়ে সততা প্রচেষ্টা অধ্যবসায় জীবনের সফল বয়ে আনবে একদিন । তোমার মা  বাবা ও গুরুজন আর্শীবাদের অক্লান্ত ধৈর্য্য একদিন স্বার্থক হতে পারবে। সকলে ওনাকে যে, যেখানে থাকুক আর্থিক সহ টেকনিক্যাল সংগীত সাপোর্ট সহ অন্যান্য সহযোগিতায় জন্য  দেশে বিদেশি প্রবাসী ভাই বৃন্দ প্রতি অনুরোধ করছি । ভবিষ্যৎ তে সকলে হৃদয় ভরা ভালোবাসা আর্থিক সহযোগিতা পেলে ভালো মানের সংগীত ইনস্টিটিউট ভর্তি হতে পারলে  পার্বত্য চট্টগ্রামসহ বাংলাদেশের সুনাম বয়ে এনে দেবে তিনি জানান।  সে গানের ভূবনের হৃদয় ভরা গান পরিবেশনের মাঝে ছড়িয়ে স্রোতাদেরকে মন জয় করে প্রসারিত করতে চাই বলে মন্তব্য গণমাধ্যম কে স্বাক্ষাত কারে জানান। সে লেখা পড়া শত কষ্টে করে, সাধনাময় পাশাপাশি গানের মাঝে ভালোবেসে বেঁচে থাকতে চাই। সকলে বেশি বেশি সাপোর্ট কামনা করে ভবিষ্যৎ তে ল ক্ষ্য উদেশ্য পূরণ পৌছতে পারি। আমি খুব কষ্টের হতদরিদ্রের পরিবারের সন্তান মেখিং চো মারমা বলেন, লেখা পড়া পাশাপাশি পরিশ্রম অধ্যবসায় মধ্যে দিয়ে গানের সংগীত নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই। মা বাবা সামান্য বেতনে গার্মেন্টস কর্মী  হিসাবে লেখা পড়া ও সঙ্গীতের খরচ সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে  চালিয়ে যাচ্ছে,  তবুও প্রিয় সংগীত কে পিছুনা টানে  থামেনা চালিয়ে যাচ্ছে, মা বাবা লক্ষে উদেশ্য পূরণ করতে চাই।  শত কস্টের গানের কলি দিয়ে স্রোতাদেরকে মন জয় করে প্রসারিত করবে। প্রাণ প্রিয় আমার গানের শুভাকাংঙ্গী স্রোতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটে দেখতে আসবেন প্রায় ৫০০ বিদেশি সাংবাদিক-পর্যবেক্ষক: ইসি সচিব আখতার

পাহাড়ের কন্যা ছোট্রমনি কন্ঠের স্বর নবাগত বড় শিল্পী হতে চায়-মেখিং চো মারমা

আপডেট সময় : ০২:২৭:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫

পার্বত্য চট্রগ্রামের অপরুপ সৌন্দর্যময় পাহাড় ঘেরা লীলা ভূমি জেলা  বান্দরবানের অদূর পাহাড়ের বুকে  দূর্গম পিছিয়ে পড়া মারমা গ্রামের জন্মের কিশোরী হতদরিদ্রের পরিবারে কৃতিত্ব সন্তান মেখিংচো মারমা।  এ কিশোরী নবীন কন্ঠের শিল্পী  মেখিং চো মারমা ভবিষ্যৎ তে সকলে আর্শীবাদ দোয়াতে  বড় শিল্পী হতে চাই। সকলের সার্বিক  সহযোগীতায় হাত বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করছি। সে  বর্তমানে বন্দর পাবলিক হাই স্কুল  ৮ম শ্রেণি অধ্যয়রনত শির্ক্ষাথী।  তার বয়স ১৪ বছর, তার গ্রামের বাড়ি কুয়ালং ইউনিয়নের ক্যমলং পাড়া কৈশোরী শৈশব  জীবন কাটিয়েছে। এর পর পিতা মাতা অভাব অন্যতম আর্থিক সন্মুখিন হওয়ার ৪র্থ শ্রেণি পড়ুয়া অভিভাবকের সাথে চট্রগ্রাম শহরে চলে  আসেন এরপর ৪র্থ শ্রেণি হতে গানের সংগীত সাথে চর্চা করে। রবীন্দ্র সংগীত, মারমা গান, চাকমা গান বাংলা গান হিন্দি গানলাইভ সো করে  দেখা যায়। লেখাপড়া পাশাপাশি সে সময় পেলে বিভিন্ন কালচারাল প্রোগ্রামের ও লাইভ সো অংশগ্রহণ করে বলে জানান ,১৩ জানুয়ারি সরেজমিনে বাসভবনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত  কিশোরী নবাগত কণ্ঠে শিল্পী মেখিং চো মারমা কে তার প্রতিভা গানের সংগীত মাঝে কবে কখন কিভাবে,আসা হল স্বাক্ষাতকার গ্রহণ করা মধ্যে তাহার জীবনীয় তুলে ধরা  হয়েছে। তার পিতা ও মাতা গার্মেন্টস কর্মী হিসাবে কর্মরত চট্রগ্রাম । কিশোরী নবাগত পাহাড়ের কন্যা কণ্ঠে শিল্পী মেখিং চো মারমা পিতা বলেন,  আমাদের মেয়ে কোনদিন নিরাস হবে না, যত বাঁধা আসুক সামনের দিন গুলি বাঁধা পেরিয়ে সততা প্রচেষ্টা অধ্যবসায় জীবনের সফল বয়ে আনবে একদিন । তোমার মা  বাবা ও গুরুজন আর্শীবাদের অক্লান্ত ধৈর্য্য একদিন স্বার্থক হতে পারবে। সকলে ওনাকে যে, যেখানে থাকুক আর্থিক সহ টেকনিক্যাল সংগীত সাপোর্ট সহ অন্যান্য সহযোগিতায় জন্য  দেশে বিদেশি প্রবাসী ভাই বৃন্দ প্রতি অনুরোধ করছি । ভবিষ্যৎ তে সকলে হৃদয় ভরা ভালোবাসা আর্থিক সহযোগিতা পেলে ভালো মানের সংগীত ইনস্টিটিউট ভর্তি হতে পারলে  পার্বত্য চট্টগ্রামসহ বাংলাদেশের সুনাম বয়ে এনে দেবে তিনি জানান।  সে গানের ভূবনের হৃদয় ভরা গান পরিবেশনের মাঝে ছড়িয়ে স্রোতাদেরকে মন জয় করে প্রসারিত করতে চাই বলে মন্তব্য গণমাধ্যম কে স্বাক্ষাত কারে জানান। সে লেখা পড়া শত কষ্টে করে, সাধনাময় পাশাপাশি গানের মাঝে ভালোবেসে বেঁচে থাকতে চাই। সকলে বেশি বেশি সাপোর্ট কামনা করে ভবিষ্যৎ তে ল ক্ষ্য উদেশ্য পূরণ পৌছতে পারি। আমি খুব কষ্টের হতদরিদ্রের পরিবারের সন্তান মেখিং চো মারমা বলেন, লেখা পড়া পাশাপাশি পরিশ্রম অধ্যবসায় মধ্যে দিয়ে গানের সংগীত নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই। মা বাবা সামান্য বেতনে গার্মেন্টস কর্মী  হিসাবে লেখা পড়া ও সঙ্গীতের খরচ সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে  চালিয়ে যাচ্ছে,  তবুও প্রিয় সংগীত কে পিছুনা টানে  থামেনা চালিয়ে যাচ্ছে, মা বাবা লক্ষে উদেশ্য পূরণ করতে চাই।  শত কস্টের গানের কলি দিয়ে স্রোতাদেরকে মন জয় করে প্রসারিত করবে। প্রাণ প্রিয় আমার গানের শুভাকাংঙ্গী স্রোতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।