০৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সদরপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের উপর হামলা

ফরিদপুরের সদরপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকাল ৯ টার দিকে সদর ইউনিয়নের সাড়ে সাত রশি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার শিকার হওয়া মোসাঃ মিতুল বিশ্বাস সদরপুর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।

এজাহারের মাধ্যমে জানা যায়, জমি জমার সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে সৈয়দা আফরোজা লোটাস, মোঃ হাসান, সৈয়দা নাজমুন নাহার পিকুল, মোঃ ফারদিন বিশ্বাসসহ আরো ৩০ জনের একটি দল সৈয়দ বাড়িতে আসে। আলোচনার এক পর্যায়ে সৈয়দা আফরোজা লোটাসের হুকুমে তার কেরারটেকার হাসান মোসাঃ মিতুল বিশ্বাসকে মারধর শুরু করে । তাকে মারতে শুরু করলে তার ছোট ভাই আশিকুর রহমান (সিটু বিশ্বাস) তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে কেয়ারটেকার হাসান আশিকুর রহমানকে হত্যার উদ্দেশ্যে ছুরি মারে। উক্ত ছুরিকাঘাতে আশিকুর রহমানের বাম চোখের কোণে এবং ডান পায়ের উরুর পেছনে লাগে। যার ফলে গুরুতর ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফরিদপুর হাসপাতালে প্রেরণ করেন এবং বর্তমানে সে ফরিদপুরে চিকিৎসাধীন আছে।

মিতুল বিশ্বাসের বড় ভাই মূহাম্মদ আলী আজগর বিশ্বাস এই ঘটনা থামাতে গেলে সৈয়দা আফরোজা লোটাস ও তার দলের ১০/১৫ জন লোক তাকে পায়ের নিচে ফেলে আহত করেন। গুরুতর আঘাতের কারণে তিনিও সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।

এ ঘটনায় আইনের সঠিক বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগী মোসাঃ মিতুল বিশ্বাস।

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে ধানের শীষের পক্ষে সিএনজি শ্রমিক দলের আলোচনা সভা

সদরপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের উপর হামলা

আপডেট সময় : ০১:৫০:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

ফরিদপুরের সদরপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকাল ৯ টার দিকে সদর ইউনিয়নের সাড়ে সাত রশি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার শিকার হওয়া মোসাঃ মিতুল বিশ্বাস সদরপুর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।

এজাহারের মাধ্যমে জানা যায়, জমি জমার সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে সৈয়দা আফরোজা লোটাস, মোঃ হাসান, সৈয়দা নাজমুন নাহার পিকুল, মোঃ ফারদিন বিশ্বাসসহ আরো ৩০ জনের একটি দল সৈয়দ বাড়িতে আসে। আলোচনার এক পর্যায়ে সৈয়দা আফরোজা লোটাসের হুকুমে তার কেরারটেকার হাসান মোসাঃ মিতুল বিশ্বাসকে মারধর শুরু করে । তাকে মারতে শুরু করলে তার ছোট ভাই আশিকুর রহমান (সিটু বিশ্বাস) তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে কেয়ারটেকার হাসান আশিকুর রহমানকে হত্যার উদ্দেশ্যে ছুরি মারে। উক্ত ছুরিকাঘাতে আশিকুর রহমানের বাম চোখের কোণে এবং ডান পায়ের উরুর পেছনে লাগে। যার ফলে গুরুতর ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফরিদপুর হাসপাতালে প্রেরণ করেন এবং বর্তমানে সে ফরিদপুরে চিকিৎসাধীন আছে।

মিতুল বিশ্বাসের বড় ভাই মূহাম্মদ আলী আজগর বিশ্বাস এই ঘটনা থামাতে গেলে সৈয়দা আফরোজা লোটাস ও তার দলের ১০/১৫ জন লোক তাকে পায়ের নিচে ফেলে আহত করেন। গুরুতর আঘাতের কারণে তিনিও সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।

এ ঘটনায় আইনের সঠিক বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগী মোসাঃ মিতুল বিশ্বাস।