০৫:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামালপুর কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

জামালপুর জেলা কারাগারে মো.রফিকুল ইসলাম (৪১) নামে এক কয়েদীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তিনি চেক জালিয়াতির মামলায় জেল হাজতে ছিলেন।

রবিবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ৯ টার দিকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়। জেল সুপার আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত রফিকুল ইসলাম জেলার মেলান্দহ উপজেলার ফুলকোচা ইউনিয়নের পূর্ব রেখিরপাড় এলাকার আজিম উদ্দিন মোল্লার ছেলে। তিনি চেক জালিয়াতির মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। গত ১ জানুয়ারী জেলহাজতে আসেন তিনি।

কারাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, কয়েদি রফিকুল ইসলাম ডায়েবেটিস ও কিডনী রোগে ভোগছিলেন। সকাল সাড়ে সাত টার খাবারের আগে তিনি ইন্সুলিন নেওয়ার সময় অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। পরে তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

এ প্রসঙ্গে জেলসুপার আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘সকালে যথারীতি জেলখানা পরিদর্শন করা হয়। তিনি ফজরের নামাজ শেষে খাবারের আগে ইন্সুলিন নেওয়ার সময় অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। তিনি দীর্ঘদিন থেকে ডায়েবেটিস ও কিডনী রোগে ভোগছিলেন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মারা যায়।

উল্লেখ্য, মো.রফিকুল ইসলামকে চেক জালিয়াতির মামলায় বিজ্ঞ আদালত ১০ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছিলন। এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা অর্থদন্ডেরও আদেশ দেওয়া হয়েছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুর কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৬:০৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫

জামালপুর জেলা কারাগারে মো.রফিকুল ইসলাম (৪১) নামে এক কয়েদীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তিনি চেক জালিয়াতির মামলায় জেল হাজতে ছিলেন।

রবিবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ৯ টার দিকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়। জেল সুপার আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত রফিকুল ইসলাম জেলার মেলান্দহ উপজেলার ফুলকোচা ইউনিয়নের পূর্ব রেখিরপাড় এলাকার আজিম উদ্দিন মোল্লার ছেলে। তিনি চেক জালিয়াতির মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। গত ১ জানুয়ারী জেলহাজতে আসেন তিনি।

কারাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, কয়েদি রফিকুল ইসলাম ডায়েবেটিস ও কিডনী রোগে ভোগছিলেন। সকাল সাড়ে সাত টার খাবারের আগে তিনি ইন্সুলিন নেওয়ার সময় অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। পরে তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

এ প্রসঙ্গে জেলসুপার আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘সকালে যথারীতি জেলখানা পরিদর্শন করা হয়। তিনি ফজরের নামাজ শেষে খাবারের আগে ইন্সুলিন নেওয়ার সময় অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। তিনি দীর্ঘদিন থেকে ডায়েবেটিস ও কিডনী রোগে ভোগছিলেন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মারা যায়।

উল্লেখ্য, মো.রফিকুল ইসলামকে চেক জালিয়াতির মামলায় বিজ্ঞ আদালত ১০ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছিলন। এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা অর্থদন্ডেরও আদেশ দেওয়া হয়েছিল।