০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পীরগাছায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কৈকুড়ি ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে একই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল শনিবার দুপুরে চৌধুরানী বাজারে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে মামলাটি প্রত্যাহার, বাদীকে গ্রেপ্তার এবং সাক্ষী হওয়া দুই নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

‘কৈকুড়ি ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা জানান, ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি সাইদুল ইসলাম এবং তার পোষ্য ভাই, কথিত দরবেশ জিল্লুর রহমানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ ও মামলা-
মোকদ্দমা চলছে।

সম্প্রতি সেই বিরোধের জেরে জিল্লুর রহমান সাইদুল ইসলামের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ছুরিকাঘাত করেন। এ ঘটনায় সাইদুল ইসলাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুন অর রশিদ বাবলু, সাধারণ সম্পাদক মুনছুর আলী মেম্বারসহ উপজেলা বিএনপি নেতাদের কাছে বিচার প্রার্থনা করেন, কিন্তু বিচার না পেয়ে উল্টো ৮ মে জিল্লুর রহমান আদালতে সাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ এনে মামলা করেন। মামলায় সাক্ষী করা হয় বিএনপির ওই দুই শীর্ষ নেতাকে।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, সাইদুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, ছাত্রদলের সাবেক জেলা সদস্য আয়নাল হক, কৈকুড়ি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সভাপতি জামাল উদ্দিন, ওয়ার্ড সভাপতি আতাউর রহমান আতা, সদস্য দলু মিয়া প্রমুখ।

সাইদুল ইসলাম বলেন, আমি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী ছিলাম। অল্প ভোটে হেরে যাওয়ার পর এখন সামনে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করতে চাচ্ছি। এজন্য আমার বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমি হামলার বিচার এবং মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি।

কৈকুড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুন অর রশিদ বাবলু বলেন, আমি যে মামলার সাক্ষী হয়েছি, সেটা আমার জানা নেই। সাক্ষ্য দেব কি না, সেটাও ঠিক করিনি। তার আগেই মানববন্ধন করা হলো।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙা বলেন, এটি মূলত পারিবারিক বিরোধ। আমাদের ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জানেন না তাদের মামলার সাক্ষী করা হয়েছে। তাই তারা কোথাও সাক্ষী দিতে যাবেন না।

জনপ্রিয় সংবাদ

পীরগাছায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০২:০০:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কৈকুড়ি ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে একই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল শনিবার দুপুরে চৌধুরানী বাজারে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে মামলাটি প্রত্যাহার, বাদীকে গ্রেপ্তার এবং সাক্ষী হওয়া দুই নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

‘কৈকুড়ি ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা জানান, ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি সাইদুল ইসলাম এবং তার পোষ্য ভাই, কথিত দরবেশ জিল্লুর রহমানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ ও মামলা-
মোকদ্দমা চলছে।

সম্প্রতি সেই বিরোধের জেরে জিল্লুর রহমান সাইদুল ইসলামের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ছুরিকাঘাত করেন। এ ঘটনায় সাইদুল ইসলাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুন অর রশিদ বাবলু, সাধারণ সম্পাদক মুনছুর আলী মেম্বারসহ উপজেলা বিএনপি নেতাদের কাছে বিচার প্রার্থনা করেন, কিন্তু বিচার না পেয়ে উল্টো ৮ মে জিল্লুর রহমান আদালতে সাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ এনে মামলা করেন। মামলায় সাক্ষী করা হয় বিএনপির ওই দুই শীর্ষ নেতাকে।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, সাইদুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, ছাত্রদলের সাবেক জেলা সদস্য আয়নাল হক, কৈকুড়ি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সভাপতি জামাল উদ্দিন, ওয়ার্ড সভাপতি আতাউর রহমান আতা, সদস্য দলু মিয়া প্রমুখ।

সাইদুল ইসলাম বলেন, আমি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী ছিলাম। অল্প ভোটে হেরে যাওয়ার পর এখন সামনে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করতে চাচ্ছি। এজন্য আমার বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমি হামলার বিচার এবং মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি।

কৈকুড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুন অর রশিদ বাবলু বলেন, আমি যে মামলার সাক্ষী হয়েছি, সেটা আমার জানা নেই। সাক্ষ্য দেব কি না, সেটাও ঠিক করিনি। তার আগেই মানববন্ধন করা হলো।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙা বলেন, এটি মূলত পারিবারিক বিরোধ। আমাদের ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জানেন না তাদের মামলার সাক্ষী করা হয়েছে। তাই তারা কোথাও সাক্ষী দিতে যাবেন না।