১০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফরিদগঞ্জে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ইয়াসিন হোসেন সোহান (২৫) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছে। ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার ভাটিয়ালপুর গ্রামে শনিবার (১৭ মে) রাতে এ ঘটনা ঘটে। মৃত ইয়াসিন হোসেন সোহান ওই গ্রামের মো. জসিম উদ্দিন ও হালিমা দম্পতির বড় ছেলে। খবর পেয়ে তাদের বসতঘর থেকে মৃতের মরদেহ উদ্ধার করে রবিবার (১৮ মে) চাঁদপুরে মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
মৃতের পরিবারের বরাত দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মো. গোফরান মিয়া বলেন, ইয়াসিন হোসেন সোহান তাদের ৪ ভাই-বোনের মধ্য বড়। তার বাবা অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। গত কয়েক মাস পূর্বে তার মায়ের শরীরে ক্যান্সার শনাক্ত হয়। চিকিৎসার খরচ মেটাতে আর্থিক অনাটনে ভুগতে থাকে তারা। শনিবার বিকেলে সে নিজেদের রুমের দরজা আটকে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ৯টা নাগাদ দরজা না খোলাতে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ডাকাডাকি করতে থাকে। এক পর্যায়ে দরজা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে দেখে সিলিং ফ্যানের সাথে গামছা দিয়ে ফাস দেওয়াবস্থায় ঝুলে আছে ইয়াসিন।
এর আগে ইয়াসিন হোসেন সোহান নামে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। পোস্টে লেখেন: আমার মা-বাবা হয়তো আমাকে কোনোদিনও ক্ষমা করবে না। কীভাবে ক্ষমা করবে বলেন! আমি যে তাদের স্বার্থপর ছেলে। আমার যায়গায় যদি একটা মেয়ে জন্মাইত তাইলেই হয়তো তাদের এই দুর্দিন দেখতে হইতো না।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদগঞ্জ থানার এসআই মো. মাহবুব আলম বলেন, সোহানের মরদেহ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে সে পরিবারের সাথে অভিমান করে আত্মহত্যা করতে পারে। এ ঘটনায় আইনানুুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এমআর/সব

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদগঞ্জে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ইয়াসিন হোসেন সোহান (২৫) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছে। ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার ভাটিয়ালপুর গ্রামে শনিবার (১৭ মে) রাতে এ ঘটনা ঘটে। মৃত ইয়াসিন হোসেন সোহান ওই গ্রামের মো. জসিম উদ্দিন ও হালিমা দম্পতির বড় ছেলে। খবর পেয়ে তাদের বসতঘর থেকে মৃতের মরদেহ উদ্ধার করে রবিবার (১৮ মে) চাঁদপুরে মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
মৃতের পরিবারের বরাত দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মো. গোফরান মিয়া বলেন, ইয়াসিন হোসেন সোহান তাদের ৪ ভাই-বোনের মধ্য বড়। তার বাবা অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। গত কয়েক মাস পূর্বে তার মায়ের শরীরে ক্যান্সার শনাক্ত হয়। চিকিৎসার খরচ মেটাতে আর্থিক অনাটনে ভুগতে থাকে তারা। শনিবার বিকেলে সে নিজেদের রুমের দরজা আটকে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ৯টা নাগাদ দরজা না খোলাতে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ডাকাডাকি করতে থাকে। এক পর্যায়ে দরজা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে দেখে সিলিং ফ্যানের সাথে গামছা দিয়ে ফাস দেওয়াবস্থায় ঝুলে আছে ইয়াসিন।
এর আগে ইয়াসিন হোসেন সোহান নামে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। পোস্টে লেখেন: আমার মা-বাবা হয়তো আমাকে কোনোদিনও ক্ষমা করবে না। কীভাবে ক্ষমা করবে বলেন! আমি যে তাদের স্বার্থপর ছেলে। আমার যায়গায় যদি একটা মেয়ে জন্মাইত তাইলেই হয়তো তাদের এই দুর্দিন দেখতে হইতো না।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদগঞ্জ থানার এসআই মো. মাহবুব আলম বলেন, সোহানের মরদেহ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে সে পরিবারের সাথে অভিমান করে আত্মহত্যা করতে পারে। এ ঘটনায় আইনানুুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এমআর/সব