১১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ড্রেনেজ লাইনে লিকেজ

শিশুদের স্কুলে যেতে হয় ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি ডিঙ্গিয়ে

ফরিদগঞ্জ পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক দিয়ে প্রতিদিন দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা পানি মাড়িয়ে স্কুলে যেতে হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। ড্রেনেজ লাইনের লিকেজ থেকে পানি সড়কে গড়িয়ে পড়ায় সৃষ্টি হয়েছে চরম ভোগান্তির। সেই সঙ্গে বেড়েছে মশা-মাছির উপদ্রব, দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ফরিদগঞ্জ বালিকা দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের সড়কে জমে আছে পচা পানি ও ময়লা। সেই পানি পেরিয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করছে শিক্ষার্থীরা। দুর্গন্ধ এতটাই তীব্র যে শ্রেণিকক্ষেও এর প্রভাব পড়ছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান পাটওয়ারী বলেন, ‘বিদ্যালয়টি ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও বরাবরই উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। বারবার অভিযোগ দেওয়ার পরও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।’
এ বিষয়ে উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এখানে আগত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন রোগবালাই দেখা দিচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হলেও সুফল মেলেনি।’
ফরিদগঞ্জ পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া বলেন, ‘আমি সদ্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। বিষয়টি অবগত হয়েছি, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
স্থানীয়রা অবিলম্বে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
এমআর/সব

জনপ্রিয় সংবাদ

ড্রেনেজ লাইনে লিকেজ

শিশুদের স্কুলে যেতে হয় ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি ডিঙ্গিয়ে

আপডেট সময় : ০৬:৩০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

ফরিদগঞ্জ পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক দিয়ে প্রতিদিন দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা পানি মাড়িয়ে স্কুলে যেতে হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। ড্রেনেজ লাইনের লিকেজ থেকে পানি সড়কে গড়িয়ে পড়ায় সৃষ্টি হয়েছে চরম ভোগান্তির। সেই সঙ্গে বেড়েছে মশা-মাছির উপদ্রব, দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ফরিদগঞ্জ বালিকা দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের সড়কে জমে আছে পচা পানি ও ময়লা। সেই পানি পেরিয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করছে শিক্ষার্থীরা। দুর্গন্ধ এতটাই তীব্র যে শ্রেণিকক্ষেও এর প্রভাব পড়ছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান পাটওয়ারী বলেন, ‘বিদ্যালয়টি ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও বরাবরই উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। বারবার অভিযোগ দেওয়ার পরও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।’
এ বিষয়ে উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এখানে আগত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন রোগবালাই দেখা দিচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হলেও সুফল মেলেনি।’
ফরিদগঞ্জ পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া বলেন, ‘আমি সদ্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। বিষয়টি অবগত হয়েছি, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
স্থানীয়রা অবিলম্বে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
এমআর/সব