১০:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে ২০ গ্রামে ঈদুল আজহা উদযাপিত

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে জামালপুরের ইসলামপুর, সরিষাবাড়ী ও মাদারগঞ্জ উপজেলার ২০টি গ্রামে পবিত্র ঈদুল আজহা পালন করছেন।
৬ জুন (শুক্রবার) সৌদির সঙ্গে মিল রেখে তারা ঈদ উদযাপন করছেন। নামাজ শেষে পশুও কোরবানি করবেন।
আজ শুক্রবার (৬ জুন) সৌদির তারিখ অনুযায়ী ১০ জিলহজ ১৪৪৬ হিজরি। সেই অনুযায়ী আজ এই ২০ গ্রামের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জুমার নামাজও আদায় করেন।
জানা গেছে, ইসলামপুর উপজেলার নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের রামভদ্রা, রায়েরপাড়া, পশ্চিম নোয়ারপাড়া, সাপধরী ইউনিয়নের পশ্চিম মন্ডলপাড়া, উত্তর সাপধরী, দক্ষিণ সাপধরী এবং সরিষাবাড়ী উপজেলার বলারদিয়া, বাউসী, সাতপোয়া, পঞ্চপীর, সাঞ্চারপাড়, পাখাডুবি, বনগ্রাম, বালিয়া, হোসনাবাদ, পাটাবুগা, পুঠিয়ারপাড়, বগারপাড়, কামারপাড়া ও কুমারপুর, মাদারগঞ্জের লোটাবর কাজিয়াবাড়ী এই ২০টি গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুসরণ করে ধর্মীয় উৎসব পালন করা হয়।
এই গ্রামের মুসলমানরা বিশ্বাস করেন, পবিত্র হজ্ব, আরাফার দিন এবং ঈদুল আজহার মধ্যে যে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে, তা যথাযথভাবে মান্য করতে হলে সৌদির তারিখ অনুসরণ করাই উত্তম। তাই সৌদি আরবে চাঁদ দেখা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা জিলহজ্ব মাসের তারিখ হিসাব করতে শুরু করেন এবং ঈদুল আজহার দিন নির্ধারণ করেন।
এই ২০ গ্রামের বাইরে জামালপুর জেলার অধিকাংশ মানুষ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ঈদ উদযাপন করে থাকেন। এমআর/সব

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে ২০ গ্রামে ঈদুল আজহা উদযাপিত

আপডেট সময় : ০৭:২৭:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জুন ২০২৫

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে জামালপুরের ইসলামপুর, সরিষাবাড়ী ও মাদারগঞ্জ উপজেলার ২০টি গ্রামে পবিত্র ঈদুল আজহা পালন করছেন।
৬ জুন (শুক্রবার) সৌদির সঙ্গে মিল রেখে তারা ঈদ উদযাপন করছেন। নামাজ শেষে পশুও কোরবানি করবেন।
আজ শুক্রবার (৬ জুন) সৌদির তারিখ অনুযায়ী ১০ জিলহজ ১৪৪৬ হিজরি। সেই অনুযায়ী আজ এই ২০ গ্রামের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জুমার নামাজও আদায় করেন।
জানা গেছে, ইসলামপুর উপজেলার নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের রামভদ্রা, রায়েরপাড়া, পশ্চিম নোয়ারপাড়া, সাপধরী ইউনিয়নের পশ্চিম মন্ডলপাড়া, উত্তর সাপধরী, দক্ষিণ সাপধরী এবং সরিষাবাড়ী উপজেলার বলারদিয়া, বাউসী, সাতপোয়া, পঞ্চপীর, সাঞ্চারপাড়, পাখাডুবি, বনগ্রাম, বালিয়া, হোসনাবাদ, পাটাবুগা, পুঠিয়ারপাড়, বগারপাড়, কামারপাড়া ও কুমারপুর, মাদারগঞ্জের লোটাবর কাজিয়াবাড়ী এই ২০টি গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুসরণ করে ধর্মীয় উৎসব পালন করা হয়।
এই গ্রামের মুসলমানরা বিশ্বাস করেন, পবিত্র হজ্ব, আরাফার দিন এবং ঈদুল আজহার মধ্যে যে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে, তা যথাযথভাবে মান্য করতে হলে সৌদির তারিখ অনুসরণ করাই উত্তম। তাই সৌদি আরবে চাঁদ দেখা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা জিলহজ্ব মাসের তারিখ হিসাব করতে শুরু করেন এবং ঈদুল আজহার দিন নির্ধারণ করেন।
এই ২০ গ্রামের বাইরে জামালপুর জেলার অধিকাংশ মানুষ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ঈদ উদযাপন করে থাকেন। এমআর/সব