১২:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাউনিয়ায় স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিকের বাড়ীতে অবস্থান

স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে দুদিন ধরে অবস্থান করছেন এক প্রেমিকা। ওই কিশোরীকে বাড়িতে দেখে প্রেমিকসহ পরিবারের লোকজন ঘরে তালা লাগিয়ে সটকে পড়েছে। গত বুধবার সকালে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের আটানী গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। প্রেমিক যুবকের বাড়ির বারান্দায় প্রেমিকা বসে আছে। উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের তালুকশাহবাজ আটানী গ্রামের জহুরুল হকের ছেলে প্রেমিক স্বাধীন মিয়ার বাড়িতে স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে অবস্থানরত প্রেমিকা একাকী বারান্দাতে বসে রাত কাটিয়েছে। ওই কিশোরী বলেন, ঈদুল ফিতরের তিন দিন পর আমাকে নিয়ে প্রেমিক স্বাধীন ঢাকায় পালিয়ে যান। সেখানে একসঙ্গে ২৬ দিন অবস্থান করার পর উভয় পরিবারের ফোন পেয়ে আমরা বাবার বাড়িতে ফিরে আসি। ১৩ মে তিস্তায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে আমাদের ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক বিয়ে করা হয়। ওই কিশোরীর ভাই কামরুল ইসলাম বলেন, আমাদের অজান্তে বোনের সঙ্গে আমার শ্যালকের প্রেমের স¤পর্ক গড়ে ওঠে। তারা দুজন পালিয়ে ঢাকায় গিয়ে ২৬ দিন অবস্থান করার পর গ্রামে ফিরে এসে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বিয়ে করে। এ বিয়ের বিষয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে কথা হয় যে, কুরবানির ঈদের পরের দিন বসে মীমাংসা করা হবে। কিন্তু তারা কোনো সাড়া না দেওয়ায় আমার বোন স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে শ্যালক স্বাধীন মিয়ার বাড়িতে বুধবার থেকে অবস্থান করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কাউনিয়ায় স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিকের বাড়ীতে অবস্থান

আপডেট সময় : ০৯:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে দুদিন ধরে অবস্থান করছেন এক প্রেমিকা। ওই কিশোরীকে বাড়িতে দেখে প্রেমিকসহ পরিবারের লোকজন ঘরে তালা লাগিয়ে সটকে পড়েছে। গত বুধবার সকালে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের আটানী গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। প্রেমিক যুবকের বাড়ির বারান্দায় প্রেমিকা বসে আছে। উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের তালুকশাহবাজ আটানী গ্রামের জহুরুল হকের ছেলে প্রেমিক স্বাধীন মিয়ার বাড়িতে স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে অবস্থানরত প্রেমিকা একাকী বারান্দাতে বসে রাত কাটিয়েছে। ওই কিশোরী বলেন, ঈদুল ফিতরের তিন দিন পর আমাকে নিয়ে প্রেমিক স্বাধীন ঢাকায় পালিয়ে যান। সেখানে একসঙ্গে ২৬ দিন অবস্থান করার পর উভয় পরিবারের ফোন পেয়ে আমরা বাবার বাড়িতে ফিরে আসি। ১৩ মে তিস্তায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে আমাদের ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক বিয়ে করা হয়। ওই কিশোরীর ভাই কামরুল ইসলাম বলেন, আমাদের অজান্তে বোনের সঙ্গে আমার শ্যালকের প্রেমের স¤পর্ক গড়ে ওঠে। তারা দুজন পালিয়ে ঢাকায় গিয়ে ২৬ দিন অবস্থান করার পর গ্রামে ফিরে এসে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বিয়ে করে। এ বিয়ের বিষয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে কথা হয় যে, কুরবানির ঈদের পরের দিন বসে মীমাংসা করা হবে। কিন্তু তারা কোনো সাড়া না দেওয়ায় আমার বোন স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে শ্যালক স্বাধীন মিয়ার বাড়িতে বুধবার থেকে অবস্থান করছে।