০১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নান্দাইলে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া,আহত ২০

ময়মনসিংহের নান্দাইলে দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দু’পক্ষের ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুরে উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের কানুরামপুর সিএনজি ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,দুটি পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের পূর্ববিরোধের জেরে একজন অটোরিকশা চালককে মারধরের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে এক পর্যায়ে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ।
খবর পেয়ে নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তার নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি দল, দিবাকালীন টহলে থাকা ফোর্স ও সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট জাহিদের নেতৃত্বাধীন টহল টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বতর্মানে ওই এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- ময়মনসিংহ জেলা মটরযান কর্মচারী সমিতি নান্দাইলের কানুরামপুর পরিবহন পরিচালনা রোডে ২৯ সদস্য বিশিষ্ট্য কমিটি অনুমোদন দেন ময়মনসিংহ জেলা মটরযান কর্মচারী সমিতি সভাপতি নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী গত ১১ জুন কমিটি অনুমোদন দেন। এ কমিটি ঘোষণার পর থেকে দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে দু’গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়।
দত্তপুর গ্রামের আনোয়ারুল ইসলাম বলেন- অটো চালকে মারধর করতেছিল মানিক আর সমুন সেটার প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমার উপরে হামলা করেছে। আজকেও তারা দলবল নিয়ে আক্রমণ করেছে।
উত্তরপালাহার গ্রামের সজল মিয়া বলেন- আমার এলাকার ছোট ভাইদের কে ইসলাম মারধর করছে আমি গিয়ে জিজ্ঞেস করলে আমাকেও গলায় ধরে। মটরযান কর্মচারী সমিতির কমিটি ঘোষণার পর থেকেই তারা এমন শুরু করেছে।
নান্দাইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়জুর রহমান বলেন- ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ঘটনা স্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়নি বলে জানিয়েছেন ওসি মো. আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন,এর আগে,গত ঈদুল ফিতরের সময় একই বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগে ৯ জনের বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছিল। বতর্মানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

নান্দাইলে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া,আহত ২০

আপডেট সময় : ০৮:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫
ময়মনসিংহের নান্দাইলে দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দু’পক্ষের ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুরে উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের কানুরামপুর সিএনজি ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,দুটি পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের পূর্ববিরোধের জেরে একজন অটোরিকশা চালককে মারধরের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে এক পর্যায়ে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ।
খবর পেয়ে নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তার নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি দল, দিবাকালীন টহলে থাকা ফোর্স ও সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট জাহিদের নেতৃত্বাধীন টহল টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বতর্মানে ওই এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- ময়মনসিংহ জেলা মটরযান কর্মচারী সমিতি নান্দাইলের কানুরামপুর পরিবহন পরিচালনা রোডে ২৯ সদস্য বিশিষ্ট্য কমিটি অনুমোদন দেন ময়মনসিংহ জেলা মটরযান কর্মচারী সমিতি সভাপতি নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী গত ১১ জুন কমিটি অনুমোদন দেন। এ কমিটি ঘোষণার পর থেকে দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে দু’গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়।
দত্তপুর গ্রামের আনোয়ারুল ইসলাম বলেন- অটো চালকে মারধর করতেছিল মানিক আর সমুন সেটার প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমার উপরে হামলা করেছে। আজকেও তারা দলবল নিয়ে আক্রমণ করেছে।
উত্তরপালাহার গ্রামের সজল মিয়া বলেন- আমার এলাকার ছোট ভাইদের কে ইসলাম মারধর করছে আমি গিয়ে জিজ্ঞেস করলে আমাকেও গলায় ধরে। মটরযান কর্মচারী সমিতির কমিটি ঘোষণার পর থেকেই তারা এমন শুরু করেছে।
নান্দাইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়জুর রহমান বলেন- ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ঘটনা স্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়নি বলে জানিয়েছেন ওসি মো. আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন,এর আগে,গত ঈদুল ফিতরের সময় একই বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগে ৯ জনের বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছিল। বতর্মানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।