০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ জানুয়ারী ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জুলাই শহীদ দিবসের দিনে বেরোবির দেওয়ালে দেওয়ালে জয় বাংলা লেখা

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) জুলাই শহীদ দিবসের দিনে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ভবনের দেওয়ালে, যাত্রী ছাউনিতে লেখা হয়েছে ‘জয় বাংলা’। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে থেকে বুধবার (১৬জুলাই) সকাল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের , একাডেমিক ভবন,যাত্রী ছাউনি, লাইব্রেরী ও বিভিন্ন ভবনের দেয়ালে দেয়ালে এই স্লোগান দেখা যায়।এছাড়াও শেখ হাসিনা ফিরবে এই রকম লেখাও দেওয়ালে দেখা যায়। তবে প্রশাসন দেখার পর পরেই লেখাগুলি মুছে কে বা কারা করেছে এটা এখনো জানা যায় নি।প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে যে সিসিফুটেজ দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতের কোনো এক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অজ্ঞাত কে বা কারা লাল রঙের স্প্রে দিয়ে দেয়ালে দেয়ালে বড় বড় অক্ষরে ‘জয় বাংলা’শেখ হাসিনা আসবেই লিখে যান। সকাল হলে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে দেয়ালজুড়ে এই লেখা দেখতে পান।
শিক্ষার্থীরা জানান,নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগ,ছাত্রলীগের দোষর রা রক্তে রঞ্জিত শহীদের ক্যাম্পাসে তাদের অবস্থান আমাদের জন্য ভয়ভীতির কারন।সেই ২৪ এর ১৬জুলাই তারা ক্যাম্পাস ছেড়েছে আবার সেই ২৫ এর ১৬ জুলাইয়ে তাদের এই লেখা আমাদের কে বড় হতাশ করেছে।
বেরোবি শিক্ষার্থী রিফাত হোসেন রাফি বলেন, আসলে, ক্যান্সারের মতোই বিষয়টি। যেমন ক্যান্সারের প্রথম স্টেজেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়, তেমনি ক্যাম্পাসে “জয় বাংলা” এবং ফ্যাসিস্ট হাসিনার প্রত্যাবর্তনের শ্লোগানও কোনোভাবেই হালকাভাবে নেওয়া যায় না। এই অপচেষ্টা প্রথম ধাপেই দমন করতে না পারলে সামনে আমাদের সবার জন্য ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করছে।
 এ বিষয়ে বেরোবি শাখার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক শামসুর রহমান সুমন বলেন, আমরা বারবার আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী সংগঠনকে সম্পুর্ন নিষিদ্ধ করে শাস্তির আওতায় আনার কথা বলছি কিন্তু অন্তবর্তীকালীন সরকার বিষয়টি বারবর পাশ কাটিয়ে গিয়েছে, আজ একই সাথে গোপালগঞ্জ এ যা হচ্ছে ঠিক তারই পরিকল্পনা হিসেবে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়ালে দেয়ালে তারা ভয়ংকর রূপে ফিরে আসার বার্তা দিচ্ছে। আমরা স্পষ্ট বলতে চাই এই ধৃষ্টতা যে বা যারাই দেখিয়েছে তাদের প্রত্যেকে সি সি টিভি ফুটেজ দেখে দ্রুত গ্রেফতার করার দাবি জানাই। আমরা আবু সাঈদের সহযোদ্ধারা এখনো ঘুমাইনি আমাদের জুলাই এখনো চলছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও বহিরাঙ্গন পরিচালক ড মো ফেরদৌস রহমান বলেন,আমরা ভিডিও ফুটেজ দেখি। ফুটেজ দেখে আইডেন্টিফাই এর চেষ্টা করব।তারপর ব্যবস্থা নিব।অবশ্যই তারা একটি নিষিদ্ধ সংগঠন। তাদের শাস্তির ব্যবস্থা হবে। আমরা আজকে আইসিটি সেন্টার থেকে ভিডিওটা কালেক্ট করব । এরপর যথা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

সোনারগাঁয়ে আল হাবিব ইন্টা.ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মাঝে বই বিতরণ

জুলাই শহীদ দিবসের দিনে বেরোবির দেওয়ালে দেওয়ালে জয় বাংলা লেখা

আপডেট সময় : ১২:০০:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) জুলাই শহীদ দিবসের দিনে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ভবনের দেওয়ালে, যাত্রী ছাউনিতে লেখা হয়েছে ‘জয় বাংলা’। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে থেকে বুধবার (১৬জুলাই) সকাল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের , একাডেমিক ভবন,যাত্রী ছাউনি, লাইব্রেরী ও বিভিন্ন ভবনের দেয়ালে দেয়ালে এই স্লোগান দেখা যায়।এছাড়াও শেখ হাসিনা ফিরবে এই রকম লেখাও দেওয়ালে দেখা যায়। তবে প্রশাসন দেখার পর পরেই লেখাগুলি মুছে কে বা কারা করেছে এটা এখনো জানা যায় নি।প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে যে সিসিফুটেজ দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতের কোনো এক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অজ্ঞাত কে বা কারা লাল রঙের স্প্রে দিয়ে দেয়ালে দেয়ালে বড় বড় অক্ষরে ‘জয় বাংলা’শেখ হাসিনা আসবেই লিখে যান। সকাল হলে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে দেয়ালজুড়ে এই লেখা দেখতে পান।
শিক্ষার্থীরা জানান,নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগ,ছাত্রলীগের দোষর রা রক্তে রঞ্জিত শহীদের ক্যাম্পাসে তাদের অবস্থান আমাদের জন্য ভয়ভীতির কারন।সেই ২৪ এর ১৬জুলাই তারা ক্যাম্পাস ছেড়েছে আবার সেই ২৫ এর ১৬ জুলাইয়ে তাদের এই লেখা আমাদের কে বড় হতাশ করেছে।
বেরোবি শিক্ষার্থী রিফাত হোসেন রাফি বলেন, আসলে, ক্যান্সারের মতোই বিষয়টি। যেমন ক্যান্সারের প্রথম স্টেজেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়, তেমনি ক্যাম্পাসে “জয় বাংলা” এবং ফ্যাসিস্ট হাসিনার প্রত্যাবর্তনের শ্লোগানও কোনোভাবেই হালকাভাবে নেওয়া যায় না। এই অপচেষ্টা প্রথম ধাপেই দমন করতে না পারলে সামনে আমাদের সবার জন্য ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করছে।
 এ বিষয়ে বেরোবি শাখার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক শামসুর রহমান সুমন বলেন, আমরা বারবার আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী সংগঠনকে সম্পুর্ন নিষিদ্ধ করে শাস্তির আওতায় আনার কথা বলছি কিন্তু অন্তবর্তীকালীন সরকার বিষয়টি বারবর পাশ কাটিয়ে গিয়েছে, আজ একই সাথে গোপালগঞ্জ এ যা হচ্ছে ঠিক তারই পরিকল্পনা হিসেবে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়ালে দেয়ালে তারা ভয়ংকর রূপে ফিরে আসার বার্তা দিচ্ছে। আমরা স্পষ্ট বলতে চাই এই ধৃষ্টতা যে বা যারাই দেখিয়েছে তাদের প্রত্যেকে সি সি টিভি ফুটেজ দেখে দ্রুত গ্রেফতার করার দাবি জানাই। আমরা আবু সাঈদের সহযোদ্ধারা এখনো ঘুমাইনি আমাদের জুলাই এখনো চলছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও বহিরাঙ্গন পরিচালক ড মো ফেরদৌস রহমান বলেন,আমরা ভিডিও ফুটেজ দেখি। ফুটেজ দেখে আইডেন্টিফাই এর চেষ্টা করব।তারপর ব্যবস্থা নিব।অবশ্যই তারা একটি নিষিদ্ধ সংগঠন। তাদের শাস্তির ব্যবস্থা হবে। আমরা আজকে আইসিটি সেন্টার থেকে ভিডিওটা কালেক্ট করব । এরপর যথা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।