দীর্ঘ ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় গত মধ্যরাত থেকে কাপ্তাই হ্রদে আবারও মাছ আহরণ শুরু হয়েছে। ফলে আবারো কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে মৎস্য আহরণ ঘাটে।
সরজমিনে দেখা যায়, কাপ্তাই হ্রদে আহরণ করা মাছ নিয়ে আসা হচ্ছে। দরদাম হওয়ার পর এসব মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ শেষে চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।
দীর্ঘ ৯৪ দিন পর হ্রদে মাছ ধরার সুযোগ পেয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনায় মেতে উঠেছেন জেলেরা। মধ্যরাত থেকে মাছ আহরণ শুরুর কারণে কর্মচঞ্চল হয়ে উঠেছে জেলে পল্লী। জমে উঠেছে মাছ কেনাবেচা।

তবে মৎস্য জেলে এবং ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রথম দিনে মাছ তুলনামুলক কম এবং আকারে ছোট মাছ বেশি পাওয়া যাচ্ছে। হ্রদে সাধারণত চাপিলা, কাচকি, চিংড়ি, শিং, রুই কাতলা সহ বিভিন্ন ছোট বড় কার্প জাতীয় মাছ বেশি পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে কয়েকদিনের মধ্যে মাছের আহরণ আরো বৃদ্ধি পাবে সেই সাথে ব্যবসায়ী ও মৎস্যজীবীরা লাভবান হবেন।
বিএফডিসি সূত্র জানায়, শনিবার মধ্যরাত থেকে মাছ আহরণ শুরু হয়েছে। দীর্ঘ সময় বেকার থাকার পর আবার কাজে ফিরতে পেরে খুশি জেলারা। হ্রদে এখন পানি ও পরিবেশ অনুকূলে থাকায় এ বছর মাছ ভালো পাওয়া যাবে বলে আমরা আশা করছি।
প্রসঙ্গত, গত ১ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। তবে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফডিসি) প্রস্তুতির জন্য আরও দুই দিন সময় বাড়িয়ে ২ আগস্ট পর্যন্ত মাছ আহরণ বন্ধ রাখা হয়। এ হ্রদে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন প্রায় ২৭ হাজার জেলে।

























