বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) নিয়ন্ত্রণাধীন দেশের বৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা ফার্টিলাইজার কোং লিঃ (জেএফসিএল) এখন বাফার গুদামে পরিণত হয়েছে।
গ্যাস সংকটের অজুহাতে দীর্ঘদিন ধরে কারখানার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে উৎপাদনশীল লাভজনক এই কারখানাটির নিয়মিত উৎপাদন বন্ধ করে বাফার গুদাম হিসেবে ব্যবহার করছে বিসিআইসি কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত সার ডিলারদের মাঝে সার সরবরাহ করতে কখনো বিদেশ থেকে নিন্মমানের সার আবার কখনো দেশীয় কারখানায় উৎপাদিত সার আমাদানি করে মজুতকৃত সার ডিলারদের মাঝে সরবরাহ করা হচ্ছে। এই সুযোগে সার আমদানি নাটক করে একটি সার সিন্ডিকেট চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।
স্থানীয় সার ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ যমুনা সার কারখানায় সার আমদানি না করে পূর্ণমাত্রায় গ্যাসের চাপসহ গ্যাস সংযোগ দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে কারখানার নিয়মিত উৎপাদন চালু করার জোর দাবী জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে কারখানার নিবন্ধিত সার ডিলার চান মিয়া চানুর সাথে কথা হলে তিনি জানান, যমুনা সার কারখানা একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯ জেলায় ডিলারদের মাধ্যমে কৃষকের মাঝে সার সরবরাহ করে আসছিল। কিন্তু একটি কালোবাজারি সার সিন্ডিকেটের কুনজরের কারণে গ্যাস সংযোগ বন্ধ করে কারখানার নিয়মিত উৎপাদন বন্ধ রেখে ওই সার সিন্ডিকেট চক্র হাতিয়ে নিয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন- এই কারখানাটির উৎপাদন চালু হলে দেশের অর্থের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রায়ও লাভবান হবে দেশ। মিটবে দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা।
যমুনা ফার্টিলাইজার কোং লিঃ এখন বাফার গুদাম এমন প্রশ্নের বিষয়ে কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আফাজ উদ্দিনের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি এ ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি।

























