০৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সম্মেলনের ২১ দিনেও হয়নি ছাত্রলীগের কমিটি

সম্মেলনের ২১ দিনেও হয়নি ছাত্রলীগের কমিটি,
আলোচনায় ছিনতাই, চুরি, ভূয়া সার্টিফিকেটদারী  বিতর্কিতরা
দীর্ঘ ৭ বছর পর গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে  পুরাতন কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করে নতুন কমিটি না দিয়েই শেষ হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ২৬তম বার্ষিক সম্মেলন। এ সম্মেলনে পুরাতন কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি ঘোষণার কথা থাকলেও তা করেননি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
এদিকে সম্মেলনকে ঘিরে শীর্ষ দুই পদে আসার প্রহর গোনা নেতাদের সিংহ ভাগই বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করেছেন। এখন ছাত্রত্ব টিকিয়ে রাখতে ভর্তি আছেন সান্ধ্যকালীন কোর্স ও ইংলিশ এন্ড আদার ল্যাংগুয়েজ এর ৬ মাস ব্যাপী শর্ট কোর্সে। শেষ পর্যন্ত  আলোচনায় থাকা নেতাদের নামে জাল সনদে ভর্তি, চুরি,  ছিনতাই, রাজনীতি থেকে নিষ্ক্রিয়তাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, শীর্ষ পদে আসার দৌড়ে এগিয়ে আছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আসাদুল্লাহ-হিল-গালিব। তিনি রাবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক (আইআর) বিভাগে ২০১৪-১৫ সেশনে প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়েছিলেন। প্রথম বর্ষে কৃতকার্য হয়ে দ্বিতীয় বর্ষে উঠলেও দ্বিতীয় বর্ষ টপকাতে পারেননি গালিব। এসময় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে একাডেমিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী ড্রপআইট হন গালিব।
এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের শীর্ষ পদ পেতে ঢাকার উত্তরার ১৫ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত ‘অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ থেকে বিবিএ পাসের জাল সনদপত্র (রেজিস্ট্রেশন নম্বর-৭৭-০০১৩-১২৪) বানিয়ে রাবির
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স কোর্সে ভর্তি হন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘অর্ডিন্যান্স’ অনুযায়ী, কোনো শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর ৬ বছর পর্যন্ত অন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ালেখার সুযোগ পাবে না। গালিব ড্রপআউট হওয়ার পরও অন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ পাসের সনদ সংগ্রহ করেন। ড্রপআউট হওয়ার পর কীভাবে গালিব অন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪ বছর মেয়াদি বিবিএ কোর্স সম্পন্ন করে এই সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স কোর্সে ভর্তি হলেন এমন সন্দেহ থেকে অনুসন্ধান শুরু করা হয়।
গত ৩ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মাধ্যমে গালিবের নিয়ে আসা বিবিএর সার্টিফিকেট যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়। চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ওইদিনই অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কামরান চৌধুরী স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে বলা হয়েছে, গালিব ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেনি। এমনকি ৭৭-০০১৩-১২৪ রেজিস্ট্রেশন নম্বরে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সার্টিফিকেটটি জমা দিয়ে গালিব সাংবাদিকতা বিভাগের সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স কোর্সে ভর্তি হয়েছে সেটি ভুয়া। এ ছাড়া গালিবের বিরুদ্ধে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ ক্যাম্পাসে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
জাল সনদের বিষয়ে জানতে চাইলে আসাদুল্লাহ-হিল-গালিব বলেন, আমার বিরুদ্ধে এসব তথ্য মিথ্যা। আমি রাজনীতি থেকে দূরে আছি। তাই এ বিষয়ে আর মন্তব্য করতে চাচ্ছিনা।
অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কামরান চৌধুরী বলেন, ২০ বছর থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয় সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে। এই নামে (আসাদুল্লাহ-হিল-গালিব) কোনো শিক্ষার্থী এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেনি। রাবির সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতির চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা লিখিতভাবে জানিয়ে দিয়েছি, ওই শিক্ষার্থীর সার্টিফিকেটটি শতভাগ জাল ও ভুয়া।
এ বিষয়ে জানতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মুসতাক আহমেদ বলেন, আমাদের বিভাগের সান্ধ্যকালীন কোর্সের প্রতি সেমিস্টারে অসংখ্য শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। গালিব নামে কেউ ভর্তি আছে কিনা তা এই মুহুর্তে বলতে পারছিনা ।
সনদ যাচাইয়ে বিভাগ থেকে পাঠানো চিঠি দেয়ার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কাগজপাতি দেখতে হবে।  আমি এখনো মিটিংয়ে আছি। কাল জানাবো তোমাকে।
বিতর্কিত আরেক পদপ্রত্যাশী ছাত্রনেতা হলেন সাকিবুল হাসান বাকি। তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ছিলেন।  তিনি বিগত সাত বছর ক্যাম্পাসে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। সম্মেলনকে ঘিরে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে জোর করে চাঁদা আদায়, শিক্ষার্থীকে মারধর, সম্মেলনকে কেন্দ্র করে আলোচনায় আসতে ছাত্রদল নেতাকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয় তার বিরুদ্ধে বিবাহিত ও মাদক সেবনের অভিযোগও পাওয়া গেছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে নিজ দলের সাবেক নেতা মাছুদের পা কেটে দেওয়ার কথা মাছুদ নিজেই বলেছেন।
দৌঁড়ে এগিয়ে থাকা আরেক নেতা অনিক মাহমুদ বনি। তার বিরুদ্ধে রয়েছে ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ নানান অভিযোগ। ২০১৯ সালের অক্টোবরে ক্যাম্পাসে এক ছিনতাইয়ের মামলায় তিনি জেলে যান। এর আগে ২০১৭ সালের এপ্রিলে চাঁদাবাজির অভিযোগে তাকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। এছাড়াও মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মারামারির অভিযোগ রয়েছে বনির বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে অনিক মাহমুদ বনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিলো। পরে লিটন ভাই ডেকে বিষয়টি মিমাংসা করে দিয়েছেন। তাছাড়া মামলার বিষয়টিও সমাধান হয়ে গিয়েছে।
সদ্য বিলুপ্ত রাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ বলেন, ‘ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী অছাত্রদের নেতৃত্বে আসার সুযোগ নেই। কেন্দ্রীয় কমিটি যাচাই-বাছাই করে অতি শিগগিরই কমিটি ঘোষণা করবেন

কুবি সহ কুমিল্লার অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মিলে মহাসড়ক অবরোধে

সম্মেলনের ২১ দিনেও হয়নি ছাত্রলীগের কমিটি

আপডেট সময় : ০২:১৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০২৩
সম্মেলনের ২১ দিনেও হয়নি ছাত্রলীগের কমিটি,
আলোচনায় ছিনতাই, চুরি, ভূয়া সার্টিফিকেটদারী  বিতর্কিতরা
দীর্ঘ ৭ বছর পর গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে  পুরাতন কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করে নতুন কমিটি না দিয়েই শেষ হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ২৬তম বার্ষিক সম্মেলন। এ সম্মেলনে পুরাতন কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি ঘোষণার কথা থাকলেও তা করেননি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
এদিকে সম্মেলনকে ঘিরে শীর্ষ দুই পদে আসার প্রহর গোনা নেতাদের সিংহ ভাগই বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করেছেন। এখন ছাত্রত্ব টিকিয়ে রাখতে ভর্তি আছেন সান্ধ্যকালীন কোর্স ও ইংলিশ এন্ড আদার ল্যাংগুয়েজ এর ৬ মাস ব্যাপী শর্ট কোর্সে। শেষ পর্যন্ত  আলোচনায় থাকা নেতাদের নামে জাল সনদে ভর্তি, চুরি,  ছিনতাই, রাজনীতি থেকে নিষ্ক্রিয়তাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, শীর্ষ পদে আসার দৌড়ে এগিয়ে আছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আসাদুল্লাহ-হিল-গালিব। তিনি রাবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক (আইআর) বিভাগে ২০১৪-১৫ সেশনে প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়েছিলেন। প্রথম বর্ষে কৃতকার্য হয়ে দ্বিতীয় বর্ষে উঠলেও দ্বিতীয় বর্ষ টপকাতে পারেননি গালিব। এসময় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে একাডেমিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী ড্রপআইট হন গালিব।
এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের শীর্ষ পদ পেতে ঢাকার উত্তরার ১৫ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত ‘অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ থেকে বিবিএ পাসের জাল সনদপত্র (রেজিস্ট্রেশন নম্বর-৭৭-০০১৩-১২৪) বানিয়ে রাবির
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স কোর্সে ভর্তি হন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘অর্ডিন্যান্স’ অনুযায়ী, কোনো শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর ৬ বছর পর্যন্ত অন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ালেখার সুযোগ পাবে না। গালিব ড্রপআউট হওয়ার পরও অন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ পাসের সনদ সংগ্রহ করেন। ড্রপআউট হওয়ার পর কীভাবে গালিব অন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪ বছর মেয়াদি বিবিএ কোর্স সম্পন্ন করে এই সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স কোর্সে ভর্তি হলেন এমন সন্দেহ থেকে অনুসন্ধান শুরু করা হয়।
গত ৩ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মাধ্যমে গালিবের নিয়ে আসা বিবিএর সার্টিফিকেট যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়। চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ওইদিনই অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কামরান চৌধুরী স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে বলা হয়েছে, গালিব ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেনি। এমনকি ৭৭-০০১৩-১২৪ রেজিস্ট্রেশন নম্বরে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সার্টিফিকেটটি জমা দিয়ে গালিব সাংবাদিকতা বিভাগের সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স কোর্সে ভর্তি হয়েছে সেটি ভুয়া। এ ছাড়া গালিবের বিরুদ্ধে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ ক্যাম্পাসে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
জাল সনদের বিষয়ে জানতে চাইলে আসাদুল্লাহ-হিল-গালিব বলেন, আমার বিরুদ্ধে এসব তথ্য মিথ্যা। আমি রাজনীতি থেকে দূরে আছি। তাই এ বিষয়ে আর মন্তব্য করতে চাচ্ছিনা।
অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কামরান চৌধুরী বলেন, ২০ বছর থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয় সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে। এই নামে (আসাদুল্লাহ-হিল-গালিব) কোনো শিক্ষার্থী এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেনি। রাবির সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতির চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা লিখিতভাবে জানিয়ে দিয়েছি, ওই শিক্ষার্থীর সার্টিফিকেটটি শতভাগ জাল ও ভুয়া।
এ বিষয়ে জানতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মুসতাক আহমেদ বলেন, আমাদের বিভাগের সান্ধ্যকালীন কোর্সের প্রতি সেমিস্টারে অসংখ্য শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। গালিব নামে কেউ ভর্তি আছে কিনা তা এই মুহুর্তে বলতে পারছিনা ।
সনদ যাচাইয়ে বিভাগ থেকে পাঠানো চিঠি দেয়ার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কাগজপাতি দেখতে হবে।  আমি এখনো মিটিংয়ে আছি। কাল জানাবো তোমাকে।
বিতর্কিত আরেক পদপ্রত্যাশী ছাত্রনেতা হলেন সাকিবুল হাসান বাকি। তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ছিলেন।  তিনি বিগত সাত বছর ক্যাম্পাসে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। সম্মেলনকে ঘিরে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে জোর করে চাঁদা আদায়, শিক্ষার্থীকে মারধর, সম্মেলনকে কেন্দ্র করে আলোচনায় আসতে ছাত্রদল নেতাকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয় তার বিরুদ্ধে বিবাহিত ও মাদক সেবনের অভিযোগও পাওয়া গেছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে নিজ দলের সাবেক নেতা মাছুদের পা কেটে দেওয়ার কথা মাছুদ নিজেই বলেছেন।
দৌঁড়ে এগিয়ে থাকা আরেক নেতা অনিক মাহমুদ বনি। তার বিরুদ্ধে রয়েছে ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ নানান অভিযোগ। ২০১৯ সালের অক্টোবরে ক্যাম্পাসে এক ছিনতাইয়ের মামলায় তিনি জেলে যান। এর আগে ২০১৭ সালের এপ্রিলে চাঁদাবাজির অভিযোগে তাকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। এছাড়াও মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মারামারির অভিযোগ রয়েছে বনির বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে অনিক মাহমুদ বনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিলো। পরে লিটন ভাই ডেকে বিষয়টি মিমাংসা করে দিয়েছেন। তাছাড়া মামলার বিষয়টিও সমাধান হয়ে গিয়েছে।
সদ্য বিলুপ্ত রাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ বলেন, ‘ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী অছাত্রদের নেতৃত্বে আসার সুযোগ নেই। কেন্দ্রীয় কমিটি যাচাই-বাছাই করে অতি শিগগিরই কমিটি ঘোষণা করবেন